scorecardresearch
 
 

Television Shooting: পুরো দমে শুরু হচ্ছে টেলিপাড়ার শ্যুটিং! তবে সম্পূর্ণ জট কি কাটল?

শুক্রবার থেকে ফের ছন্দে ফিরছে টেলিপাড়া। শুরু হতে চলেছে সমস্ত ধারাবাহিকের শ্যুটিং। তবে বৈঠকের পরে সমস্যা মিটলেও আগামী ২৪ তারিখ সমস্ত সংগঠনগুলো আরও একবার আলোচনায় বসবে।

ছন্দে ফিরছে টেলিপাড়া ছন্দে ফিরছে টেলিপাড়া
হাইলাইটস
  • শুক্রবার থেকে ফের ছন্দে ফিরছে টেলিপাড়া।
  • আগামী ২৪ তারিখ সমস্ত সংগঠনগুলো আরও একবার আলোচনায় বসবে।
  • বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের নেতৃত্বে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত হয়।

বিগত কয়েকদিন ধরে চলছে  ফেডারেশন (Federation of Cine Technicians & Workers of Eastern India), আর্টিস্ট ফোরাম (West Bengal Motion Picture Artist Forum) ও প্রোডিউসার্স গিল্ডের (Welfare Association Of Television Producers) তরজা। সোমবার একাধিক ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল হওয়ার পাশাপাশি শ্যুটিংয়ের জন্যেও ছাড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। বুধবার থেকে পুনরায় চালু হয় একাধিক ধারাবাহিকের শ্যুটিং। কিন্তু ফের সমস্যায় পড়েন শিল্পী থেকে কলাকুশলীরা। অভিযোগ ওঠে শ্যুটিংয়ে বাধা দিচ্ছে ফেডারেশন।

বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের নেতৃত্বে ও রাজ চক্রবর্তী এবং পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে দফায় দফায় প্রযোজক এবং চ্যানেল এবং ফেডারেশনের বৈঠক হয়। হাজির ছিলেন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন প্রোডিউসর্স (Welfare Association Of Television Producers) এবং আর্টিস্ট ফোরাম। আজ অর্থাৎ শুক্রবার থেকে ফের ছন্দে ফিরছে টেলিপাড়া। শুরু হতে চলেছে সমস্ত ধারাবাহিকের শ্যুটিং। তবে বৈঠকের পরে সমস্যা মিটলেও আগামী ২৪ তারিখ সমস্ত সংগঠনগুলো আরও একবার আলোচনায় বসবে।

বুধবার পুনরায় চালু করা যায়নি একাধিক ধারাবাহিকের শ্যুটিং। এদিন একটি সাংবাদিক বৈঠকে বিভিন্ন চ্যানেলের কর্তা, প্রযোজক ও আর্টিস্ট ফোরামের তরফ থেকে দাবী করা হয় ঠিক মতো শ্যুটিংয়ে বাধা দেওয়া হচ্ছে ফেডারেশনের তরফ থেকে। তাঁরা বলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো ৫০ জন শিল্পী ও কলাকুশলী প্রতি ইউনিটে নিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে শ্যুটিং শুরুর কথা ছিল। কিন্তু তাঁদের অবাঞ্ছিত বাধা দেওয়া হচ্ছে। গত সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে আর্টিস্ট ফোরামের তরফ থাকে দাবী করা হয় ঠিক মতো শ্যুটিংয়ে বাধা দেওয়া হচ্ছে ফেডারেশনের তরফ থেকে। তাঁরা বলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো ৫০ জন শিল্পী ও কলাকুশলী প্রতি ইউনিটে নিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে শ্যুটিং শুরুর কথা ছিল। কিন্তু তাঁদের অবাঞ্ছিত বাধা দেওয়া হচ্ছে। 

আরও পড়ুন: মন খারাপ? সরাসরি ফোন করতে পারেন সন্দীপ্তাকে 

আর্টিস্ট ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় ও কার্যকরী সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তীর তরফে জানানো হয়,  "ফেডারেশন  কর্তৃপক্ষের অবাঞ্ছিত বাধাদানে বেশ কিছু ইউনিটে শ্যুটিং প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়েছে। আজকের দিনে যখন প্রতিটি মানুষকে জীবন ও জীবিকার সঙ্গে এক কঠিন লড়াই লড়তে হচ্ছে, তখন কর্মক্ষেত্রে এহেন অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপের আমরা তীব্র প্রতিবাদ করছি। সমস্ত শিল্পী ও কলাকুশলীদের স্বার্থে আমাদের দাবী কাজের পরিবেশ হোক সুস্থ ও বন্ধুত্বপূর্ণ।"

আরও পড়ুন:  এখনই শেষ হচ্ছে না 'কি করে বলবো তোমায়'! শ্যুটিংয়ে যোগ দিয়ে জানালেন স্বস্তিকা 

আর্টিস্ট ফোরামের তরফ থেকে আরও জানানো হয়, "এই মুহূর্তে প্রতিটি মানুষের কাজ এবং তা থেকে রোজকারের প্রয়োজন আছে। আমরা কখনই চাই না কোনও ভাবে শ্যুটিং প্রক্রিয়া ব্যাহত হোক। আমরা বিভেদকামী শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সমস্ত শিল্পী ও কলাকুশলীদের স্বার্থে দাবী রাখচগি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে মান্যতা দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে পুনরায় শ্যুটিং প্রক্রিয়াকে চালনা করার জন্য।"   

আরও পড়ুন: "অ্যাই শোনো না..." থেকে "এই এদিকে আয়"! 'মৌচাক' রিলিজ়ের আগে খোলামেলা আড্ডায় 'মৌ-বৌদি' 

ফেডারেশনের নির্দেশ ছিল, যতক্ষণ না প্রোডিউসার গিল্ডের সঙ্গে ফেডারেশনের নতুন চুক্তি কার্যকর হচ্ছে ততক্ষণ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। ২০টি ধারাবাহিকের তালিকায় রয়েছে — ‘কৃষ্ণকলি’, ‘তিতলি’, ‘অপরাজিতা অপু’, ‘গ্রামের রানী বিনাপানি’, ‘বরণ’, ‘খেলাঘর’, ‘যমুনা ঢাকি’,  ‘গঙ্গারাম’, ‘জীবন সাথী’, ‘মিঠাই’, ‘সাঁঝের বাতি’,‘খড়কুটো’, ‘শ্রীময়ী’, ‘মোহর’, ‘দেশের মাটি’, ‘রিমলি’, ‘ওগো নিরুপমা’, ‘ফেলনা’, ‘কি করে বলবো তোমায়’,  ‘ধ্রুবতারা’। কিছু নতুন ধারাবাহিকের নামও করেছিল ফেডারেশন। তাতে টেকনিশিয়ানরা কাজ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছিল তারা। 

আরও পড়ুন: TRP: শীর্ষস্থানে বহাল 'মিঠাই'! এগিয়ে এসে চমক 'খড়কুটো'-র 

মঙ্গলবার আরও একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত সংগঠন সিনে মেকআপ আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের সদস্যদের উদ্দেশে সদস্যপদ  বাতিল করে নেওয়ার সতর্কবাণী দেওয়া হয়েছে সেখানে। বলা হয়েছে, নতুন বা পুরনো, কোনও ধারাবাহিকেই কাজ করা যাবে না সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি ছাড়া। কোনও সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যদি কোনও প্রযোজক টাকা ফেলেন, তা হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্টেটমেন্টের ছবি তুলে বা মেসেজ করে পাঠাতে হবে সংগঠনের কাছে।