scorecardresearch
 

"টুইঙ্কেল ও অক্ষয় বিবাহিত, আমি আর নুসরত নই!" BJP-যোগ ও সম্পর্কের জল্পনা নিয়ে বিস্ফোরক যশ

২০২১ সালের বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Election) আগে অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত (Yash Dasgupta), বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এই মুহূর্তে তিনি আলোচনায় রয়েছেন। ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে, অভিনেতা তাঁর বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার কারণ এবং তৃণমূল -কংগ্রেস সাংসদ নুসরত জাহানের (Nusrat Jahan)সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের জল্পনা নিয়ে মুখ খুলেছেন।

যশ দাশগুপ্ত ও নুসরত জাহান (ছবি সৌজন্য: ট্যুইটার) যশ দাশগুপ্ত ও নুসরত জাহান (ছবি সৌজন্য: ট্যুইটার)
হাইলাইটস
  • পশ্চিমবাংলার নির্বাচন প্রায় দোড় গোড়ায়।
  • সম্প্রতি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত।
  • নুসরত জাহানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের জল্পনায় দুজনে সংবাদের শিরোনামে রয়েছেন।

পশ্চিমবাংলার নির্বাচন (Bengal Election) প্রায় দোড় গোড়ায়। তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress) ও ভারতীয় জনতা পার্টি (Bharatiya Janta Party) এই দুই দলই এই মুহূর্তে বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি থেকে তারকাদের নিয়ে তাঁদের জনসভার চাকচিক্য কিছুতা বাড়াতে, এই মুহূর্তে তৎপর। একের পর এক টলি তারকার যোগ দিচ্ছেন সক্রিয় রাজনীতিতে। 

অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের (Yash Dasgupta) সম্প্রতি গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে চর্চা চলছে চারিদিকে। যশ ছাড়া আরও একাধিক তারকার গত কয়েক সপ্তাহে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন এবং শোনা যাচ্ছে আরও অনেকে যোগ দেবেন। কিন্তু এর বাইরেও যশ দাশগুপ্ত এই মুহূর্তে সংবাদের শিরোনামে রয়েছেন, তাঁর তৃণমূল- কংগ্রেস সাংসদ নুসরত জাহানের (Nusrat Jahan) সঙ্গে সম্পর্কের জল্পনার জন্যে। 

যশ ও নুসরত দুজনেই আলোচনায় রয়েছেন এবং শোনা যাচ্ছে ব্যবসায়ী নিখিল জৈনের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হতে পারে সাংসদ- অভিনেত্রীর। ২০১৯ সালে তাঁরা গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন এবং তারপরে সমস্ত কিছুই রূপকথার মতোই চলছিল। অন্তত তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়ায় উঁকি মারলে এমনটাই মনে হতো। কিন্তু সবকিছু যেন বদলে গেল নুসরতের কিছুদিন আগে রাজস্থান ট্রিপের পর থেকে। যশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের জল্পনা তুঙ্গে ওঠে ঠিক সেই সময় থেকেই। 

আরও পড়ুন: রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা হলেও বন্ধু তাঁরা, ইন্ডিয়া টুডে কনক্লেভে নুসরত-অগ্নিমিত্রা

ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া একটি এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে, বিজেপি-তে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে যশ জানান, " আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস করি। ভারতের জন্যে তাঁর যে লক্ষ্য রয়েছে, তা আমাকে রাজনীতিতে যোগ দিতে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি চাই যাতে বাংলায় সামাজিক পরিবর্তন আনার জন্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারি।"

কী এই সামাজিক পরিবর্তন? এই প্রশ্নের উত্তরে যশ জানান, "আমরা প্রায়ই 'সোনার বাংলা' শব্দটি শুনতে পাই। এটার মানে কী? বাংলার উপযুক্ত পরিকাঠামো দরকার। বাংলায় ব্যবসার আকর্ষণের প্রয়োজন। এ রাজ্যের যুবকরা অন্যান্য রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে, চাকরির সুযোগ পাওয়ার জন্যে। সেটা এক্ষুনি বন্ধ হওয়া উচিত।" 

আরও পড়ুন: যশের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে রাজনীতি! আজতক বাংলায় অকপট নুসরত

এসব তো ঠিক আছে। কিন্তু যাঁকে নিয়ে এত জল্পনা অর্থাৎ নুসরত তো তৃণমূলের সাংসদ। কিন্তু তিনি যোগ দিলেন বিজেপি-তে! একথা শুনে অভিনেতার উত্তর, " কেন তা হতে পারে না? বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের, রাজনৈতিক বা অন্যান্য মতামত ভিন্ন হয় না? 

তাহলে কি অক্ষয় কুমার এবং টুইঙ্কেল খান্নার মতো? যশের সোজাসুজি উত্তর, "একদমই না! অক্ষয় এবং টুইঙ্কেল বিবাহিত এবং আমি ও নুসরত বিবাহিত না। আশা করি এতেই গা ভাসাবেন।"

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে আজতক বাংলাকে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে, যশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের জল্পনা প্রসঙ্গে নুসরত কোনও মন্তব্য করতে চাননি।