scorecardresearch
 
করোনা

Corona: ভারতে নতুন আতঙ্ক 'AP স্ট্রেন'! ১৫ গুণ বেশি ভয়াবহ

প্রতীকী ছবি
  • 1/11

ভারতে পাওয়া গেল করোনা ভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়ান্ট। যার নাম এপি স্ট্রেন। অর্থাৎ নয়া এই ভ্যরিয়ান্ট অন্ধ্রপ্রদেশে পাওয়া গিয়েছে। বৈজ্ঞানিক পরিভাষা একে বলা হচ্ছে N440K। এটি আবিস্কার করেছেন সেন্টার ফর সেলুলার এন্ড মলিকিউলার বায়োলজির (CCMB) বৈজ্ঞানিকেরা। জানা যাচ্ছে এই ভাইরাস ১৫ গুন বেশি সংক্রামক। যার কারণে ৩-৪ দিনের মধ্যে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। (ছবি-পিটিআই)
 

প্রতীকী ছবি
  • 2/11

অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলে সবচেয়ে প্রথম এই ভাইরাস পাওয়া যায়। এই ভ্যারিয়ান্ট B1.617 এবং  B1.618-এর থেকেও ক্ষতিকারক। এই প্রসঙ্গে বিশাখাপত্তনমের ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর ভি বিনয় চন্দ্র বলেন, বর্তমানে সেন্টার ফর সেলুলার এন্ড মলিকিউলার বায়োলজিতে বেশকিছু ভ্যারিয়ান্ট নিয়ে গবেষণা চলছে। কোন ভ্যারিয়ান্ট কতটা ক্ষতিকারক তা সেখানকার বৈজ্ঞানিকরাই বলতে পারবেন। তবে এই কথা সত্যি যে নয়া স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে। তার নমুনা গবেষণাগারে পাঠানোও হয়েছে। (ছবি-পিটিআই)
 

প্রতীকী ছবি
  • 3/11

দেখা যাচ্ছে এই স্ট্রেন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সংক্রমিতও হচ্ছেন বেশি মানুষ। এমনকী ৩-৪ দিনের মধ্যে রোগীর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হয়ে উঠছে। (ছবি-পিটিআই)
 

প্রতীকী ছবি
  • 4/11

এপি স্ট্রেন নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বৈজ্ঞানিকরাও। এই স্ট্রেন সহজেই টার্গেট করছে যুব সম্প্রদায়কে। এমনকী যাঁরা স্বাস্থ্য সচেতন এবং যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি তাঁরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। (ছবি-পিটিআই)
 

 

প্রতীকী ছবি
  • 5/11

বর্তমানে দক্ষিণভারতে মূলত ৫টি ভ্যারিয়ান্ট ছড়িয়ে পড়ছে। সেগুলি হল B.1, B.1.1.7, B.1.351, B.1.617 এবং B.1.36*(N440K)। এর মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানায় খুবই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে  এপি স্ট্রেন। (ছবি-পিটিআই)
 

প্রতীকী ছবি
  • 6/11

অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় B.1.617। তবে সেখানেও পৌঁছে গিয়েছে এপি স্ট্রেন। বর্তমানে সেই রাজ্যে করোনার ৬টি ভ্যারিয়ান্ট সক্রিয়। সেগুলি হল  B.1, B.1.1.7, B.1.351.B.1.36*(N440K), B.1.617 এবং B1.618। (ছবি-পিটিআই)
 

প্রতীকী ছবি
  • 7/11

প্রসঙ্গত এপি স্ট্রেন হল একটি মিউট্যান্ট। দক্ষিণ ভারতে ইতিমধ্যেই এটি চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে। কারণ এই ভ্যারিয়ান্টের কারণে গত ৭ দিনে মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, তেলঙ্গানা ও কেরলে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। যার জেরে চিন্তা বেড়েছে চিকিৎসক ও বৈজ্ঞানিকদের। (ছবি-পিটিআই) 
 

প্রতীকী ছবি
  • 8/11

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে সংক্রমণ ছড়াতে ভ্যারিয়ান্টগুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে। ভাইরাস নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতেই এমনটা করে বলে জানা যাচ্ছে। সেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে এপি স্ট্রেনও। ফলে দক্ষিণ ভারতে সংক্রমণ বাড়ছে। (ছবি-পিটিআই)


 

 

 

 

প্রতীকী ছবি
  • 9/11

এর থেকে বাঁচার একটাই উপায়, তা হল কোভিড প্রটোকল মেনে চলা। কারণ অসতর্ক হলেও কোনও না কোনও ভ্যারিয়ান্ট থাবা বসাতে পারে শরীরে। (ছবি পিটিআই)
 

প্রতীকী ছবি
  • 10/11

মহারাষ্ট্রে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানার চেয়ে কমপক্ষে দেড়মাস আগে আছড়ে পড়ে। সেই রাজ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন B.1.617 ভ্যারিয়ান্টে। এটাই মিউটেশন হয়ে এপি স্ট্রেনে পরিণত হয়। (ছবি-পিটিআই)

প্রতীকী ছবি
  • 11/11

তবে বর্তমানে গোটা দেশে যে ভ্যারিয়ান্টগুলিতে মানুষ সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত তার মধ্যে রয়েছে B.1.1.7। তারপর রয়েছে B.1.617। তারপর B.1.351। তবে এপি স্ট্রেন যে কোনও ভ্যারিয়ান্টের সঙ্গে মিলে গেলে সেটি আরও বেশি ক্ষতিকারণ হয়ে উঠছে। ফলে মানুষ ৩-৪ দিনের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। (ছবি-পিটিআই)