ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা প্রকাশ্যে আসতেই সরকার পদক্ষেপ করেছে। তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী বছর থেকে নিট পরীক্ষা আর ওএমআরে হবে না। কম্পিউটার বেসড টেস্ট হবে।
আর অফলাইন নয়। আগামী বছর, ২০২৭ থেকেই সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা নিট অনলাইনে হবে। এমনটাই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
নতুন করে নিট (ইউজি) ২০২৬-এর দিন ঘোষণা করল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বা এনটিএ। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২১ জুন, ২০২৬, রবিবার এই পরীক্ষা নতুন করে অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের উচ্চমাধ্যমিকের মেধাতালিকার মোট ১৮ জন পরীক্ষার্থীই নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র। bangla.aajtak.in-কে দুর্ধর্ষ রেজাল্টের নেপথ্য কাহিনি শোনালেন বিদ্যালয়ের প্রোক্টর তথা সহকারী প্রধান শিক্ষক সৈকত বসু।
এই প্রথম উচ্চ-মাধ্যমিকে (HS) সেমিস্টারে পরীক্ষা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, যে সকল পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ অর্থ A প্লাস-প্লাস এই গ্রেড পেয়েছেন ৬ হাজার ১৩৪ জন। শতাংশের বিচারে তা ০.০১ শতাংশ। এদিকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর, চাইলে আরও একবার দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে ছাত্রছাত্রীরা ৷ এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ৷
প্রকাশিত হল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল। এ বারের উচ্চমাধ্যমিকে পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্রদের পাশের হার ৮৯.৭১ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাশের হার ৯২.৪৭ শতাংশ। অর্থাৎ পাশের হারে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। পাশের হারে শীর্ষে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর (৯৪.১৯%)। মেধাতালিকার প্রথম দশে রয়েছেন মোট ৬৪ জন। এদের মধ্যে ৫৬ জন ছাত্র এবং ৮ জন ছাত্রী রয়েছেন। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র আদৃত পাল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। একনজরে দেখে নিন মেধাতালিকা...
প্রকাশিত হল প্রকাশিত হতে চলেছে ২০২৬-এর উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল। পরীক্ষা শেষের ৭৬ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ হল। এ বছর উচ্চমাধ্যমিকে পাশের হার ৯১.২৩%। পাশের হারে এগিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর। ৯৪.১৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাশ করেছে এই জেলায়। হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, নদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা, পুরুলিয়া, দার্জিলিঙেও পাশের হার বেশি।
এবার থেকে রাজ্যের প্রতিটি স্কুলে মর্নিং প্রেয়ারে গাইতে হবে 'বন্দে মাতরম' গানটি। গান গাওয়া বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ জারি করে রাজ্যের নয়া সরকার। অধিকাংশ স্কুলেই সকালের প্রার্থনা সভায় জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ ও রাজ্য সঙ্গীত ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গাওয়া হয়। এবার সংযোজিত হবে বন্দে মাতরমও।
এবারের উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম ১০-এ রয়েছেন ৬৪ জন। ছাত্রের সংখ্যা ৫৬। ছাত্রী রয়েছেন ৮ জন। আর এবারের মেরিট লিস্টে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের জয়জয়কার।
প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিকের ফল। ৭৬ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ করল পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE)। ১৫টি ভাষা, ১৬টি বৃত্তিমূলক বিষয় সহ ৬৬ বিষয়ে পরীক্ষা হয়েছিল এবার। বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি এবং সাঁওতালি ভাষায় পরীক্ষা দিয়েছিলেন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা। সংসদ জানিয়েছে, মোট পাশ করেছেন ৫,৭১,৩৫৫ জন। পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ। ছেলেদের পাশের হার ৮৯.৭১ শতাংশ। মেয়েদের পাশের হার ৯২.৪৭ শতাংশ।
উচ্চমাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ হচ্ছে বৃহস্পতিবার। সংসদ সভাপতি পার্থ কর্মকার সকাল সাড়ে ১০টায় ফল ঘোষণা করবেন। বেলা ১১টায় বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা ফলাফল জানতে পারবে। কখন-কোথায় দেখবেন রেজাল্ট? চোখ রাখুন bangla.aajtak.in-এ।