সরকার বদল হয়েছে রাজ্যে। আর সেইসঙ্গে চালু হয়েছে জাতীয় শিক্ষানীতি। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের শিক্ষা বিভাগের মধ্যে চুক্তিও সই হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে বারবার অনীহা দেখা গিয়েছিল। এখন কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। আর বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই জাতীয় শিক্ষানীতি চালু হল। সেইকথা প্রকাশ্যেই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
Balmer Lawrie recruitment 2026: চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সুযোগ। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বামার লরি অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডে (Balmer Lawrie & Co. Ltd.) একাধিক শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই সংস্থার তরফে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন রাজ্যে সরকারি চাকরিতে আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হবে। নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। রবিবার সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্য সরকারের তরফে এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
CBSE-র পড়ুয়াদের জন্য বড় পরিবর্তন। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম শ্রেণিতে তিনটি ভাষা পড়া বাধ্যতামূলক করল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন বা CBSE। তবে স্বস্তির খবর, দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় তৃতীয় ভাষার কোনও আলাদা পরীক্ষা দিতে হবে না।
সর্ষের মধ্যেই ভূত! ২০২৬ সালের নিট-ইউজি প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডের তদন্তে বড় সাফল্য পেল সিবিআই। তারা এই কাণ্ডের মূলচক্রী বা 'কিংপিন' হিসেবে পুনের এক রসায়নের শিক্ষককে গ্রেফতার করেছ। যতদূর খবর, এই শিক্ষক একটি গোপন টিউশন সেশনের মাধ্যমে একাধিক পরীক্ষার্থীর কাছে প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিলেন।
ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা প্রকাশ্যে আসতেই সরকার পদক্ষেপ করেছে। তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী বছর থেকে নিট পরীক্ষা আর ওএমআরে হবে না। কম্পিউটার বেসড টেস্ট হবে।
আর অফলাইন নয়। আগামী বছর, ২০২৭ থেকেই সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা নিট অনলাইনে হবে। এমনটাই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
নতুন করে নিট (ইউজি) ২০২৬-এর দিন ঘোষণা করল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বা এনটিএ। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২১ জুন, ২০২৬, রবিবার এই পরীক্ষা নতুন করে অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের উচ্চমাধ্যমিকের মেধাতালিকার মোট ১৮ জন পরীক্ষার্থীই নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র। bangla.aajtak.in-কে দুর্ধর্ষ রেজাল্টের নেপথ্য কাহিনি শোনালেন বিদ্যালয়ের প্রোক্টর তথা সহকারী প্রধান শিক্ষক সৈকত বসু।
এই প্রথম উচ্চ-মাধ্যমিকে (HS) সেমিস্টারে পরীক্ষা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, যে সকল পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ অর্থ A প্লাস-প্লাস এই গ্রেড পেয়েছেন ৬ হাজার ১৩৪ জন। শতাংশের বিচারে তা ০.০১ শতাংশ। এদিকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর, চাইলে আরও একবার দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে ছাত্রছাত্রীরা ৷ এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ৷
প্রকাশিত হল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল। এ বারের উচ্চমাধ্যমিকে পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্রদের পাশের হার ৮৯.৭১ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাশের হার ৯২.৪৭ শতাংশ। অর্থাৎ পাশের হারে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। পাশের হারে শীর্ষে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর (৯৪.১৯%)। মেধাতালিকার প্রথম দশে রয়েছেন মোট ৬৪ জন। এদের মধ্যে ৫৬ জন ছাত্র এবং ৮ জন ছাত্রী রয়েছেন। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র আদৃত পাল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। একনজরে দেখে নিন মেধাতালিকা...