চলতি মরসুমে তিলকের ফর্ম নিয়ে কিন্তু কম সমালোচনা হয়নি। আগের ম্যাচগুলোতে তাঁর চেনা ছন্দ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। ডট বলের সংখ্যা বাড়ছিল, যা মুম্বইয়ের মিডল অর্ডারকে চাপে ফেলে দিচ্ছিল। সমালোচকরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন তাঁর ধারাবাহিকতা নিয়ে।
আইপিএল-এর মাঝেই প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে বিরাট কোহলি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী অনুষ্কা শর্মাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি ও ভিডিও ভাইরাল। সোমবার, এই তারকা দম্পতি পরিক্রমা মার্গের পাশে অবস্থিত 'শ্রী হিত রাধা কেলি কুঞ্জ আশ্রম'-এ যান। সেখানে তাঁরা প্রখ্যাত সাধু প্রেমানন্দ জি মহারাজের দর্শন ও আশীর্বাদ গ্রহণ করেন।
হার্দিক, তিলক, সূর্যকুমার, বুমরার মতো বড় বড় নাম থাকলেও সেভাবে পারফর্ম করতে পারছে না আম্বানির দল। কিন্তু হিটম্য়ান থাকলে জয়ে ফিরতে পারে তাঁরা। এমনটাই মনে করছেন ক্রিকেট বিশষজ্ঞরা।
ম্যাচ হেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজস্থান রয়্যালসের বৈভব সূর্যবংশী। এই আবেগঘন মুহূর্তে প্রতিপক্ষ দলও সংবেদনশীলতা দেখিয়েছিল। কেকেআরের সাপোর্ট স্টাফের একজন সদস্য তরুণ ক্রিকেটারের কাছে গিয়ে তাঁর পাশে বসেন এবং তাঁকে সান্ত্বনা দেন। এই দৃশ্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের মাঝেও ক্রিকেটের মানবিক দিকটি তুলে ধরে।
টানা হারের পর একটা জয় স্বস্তি যেমন এনে দিয়েছে নাইট শিবিরে, তেমনই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন দলের ক্রিকেটাররা। টানা হারের ফলে কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ক্রিকেটারদের। আর এর মধ্যেই প্রথম ম্যাচ জয়ের পর ড্রেসিংরুমে ফিরে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। আর সে কথাই শেয়ার করলেন তারকা স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী। খোলসা করলেন তাঁর পিচ নিয়ে অসন্তোষের কথাও।
১৯ বছরের আইপিএল-এ এমন অনেক কাণ্ড ঘটেছে, যা সকলকে চমকে দেয়। এবার সামনে এল এমনই আরও একটা ঘটনা। আর সেই ঘটনা সামনে আনলেন আইপিএল প্রতিষ্ঠাতা ললিত মোদী। তিনি জানান ২০০৬ সালের আইপিএল-এ ব্ল্যাক ম্যাজিক করা হয়েছিল। তাঁর এই বক্তব্যের জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটা ভিডিও থেকেই এই ব্ল্যাক ম্যাজিক তত্ত্বটি সামনে এসেছে।
রশিদের দাবি, আইপিএলে খেলার সময় একটি নির্দিষ্ট দেশ (নাম গোপন রেখে) তাঁকে সরাসরি প্রস্তাব দেয় যেন তিনি নিজের নাগরিকত্ব বদলে ফেলেন। কেন এমন প্রস্তাব?
১৫৬ রান তাড়া করতে নেমে চাপে পড়ে গিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ঘরের মাঠে এবারের আইপিএল-এ প্রথম ম্যাচ জিতল রাজস্থান রয়্যালস। অবশেষে ফর্মে ফিরলেন রিঙ্কু সিং ও বরুণ চক্রবর্তী। রিঙ্কু ফের ফিনিশারের ভূমিকায়। তবে সপ্তম ম্যাচে জয় পেয়ে কি আদৌ লাভ হবে কলকাতার। তারা কি যেতে পারবে প্লে অফে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।
দারুণ ছন্দে বরুণ চক্রবর্তী। টি২০ বিশ্বকাপ থেকে ফর্মে ছিলেন না এই মিস্ট্রি স্পিনার। তবে ঘরের মাঠে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ৩টি উইকেট তুলে নিয়ে কেকেআর-কে ম্যাচে ফেরালেন বরুণ। একই সঙ্গে ছুঁয়ে ফেললেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২০০ উইকেটের মাইলফলক।
প্রধান নির্বাচক হিসেবে মেয়াদ বাড়তে পারে অজিত আগকরের। ভারতীয় ক্রিকেটের নিরিখে বিরাট বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বিসিসিআই। এমনটাই সূত্রের খবর। বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুন মাসে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তবে তাঁর মেয়াদ বাড়লে তা ২০২৭-এর বিশ্বকাপ অবধি হতে পারে বলে খবর।
৬ ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট। রান রেটের অবস্থাও যে তথৈবচ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ফলে প্লে অফে যেতে গেলে কী করতে হবে কলকাতাকে? সেটাই এখন সমর্থকদের সামনে বড় প্রশ্ন। এখনও আটটা ম্যাচ হাতে রয়েছে। যার মধ্যে আরও একটা ম্যাচ রবিবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে। ক'টা ম্যাচ জিতলে শেষ চারে যেতে পারবে অজিঙ্কা রাহানের দল?