এরপর ২০২৫ সালের IPL মরশুমে লখনউ সুপার জায়ান্টসের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব সামলান তিনি। হেড কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি দলের ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণ ও ম্যানেজমেন্টের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
১৫০০০ রান করার থেকে মাত্র ৫৯ রান দূরে রয়েছেন বিরাট কোহলি। এই রান করে ফেললেই নতুন নজির গড়ে ফেলবেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি সচিন তেন্ডুলকারের একটি রেকর্ডও ভেঙে ফেলতে পারেন। আসুন সবটা জেনে নেওয়া যাক।
গত এশিয়ান গেমসেও ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। হাংঝৌ এশিয়ান গেমস ২০২২-এ শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েই সোনা জিতেছিল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। এবারও সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করার লক্ষ্য থাকবে ভারতের।
ভারতীয় দলের প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব ছাড়তে পারেন অজিত আগরকর। তাহলে কে আসবেন তাঁর জায়গায়? ইতিমধ্যেই খোঁজ শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিসিআই। আসুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দলে চান্স হয়নি বৈভব সূর্যবংশীর। তাঁর জায়গায় সবকটি ম্যাচেই খেলেছেন সঞ্জু স্যামসন। কিন্তু দলে কেন জায়গা হল না বৈভবের? সেই উত্তরটা দিয়ে দিয়েছন সূর্যবংশী।
দ্বিতীয় টি-২০তেও অভিষেকের ব্যাট থামেনি। ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি ১৯ বলে ৩৯ রান করেন। ফলে সিরিজের শেষ ম্যাচে তাঁর বিস্ফোরক শতরান যেন আগের দুই ম্যাচের ধারাবাহিকতারই পরিণতি।
বৈভব সূর্যবংশীর নাম নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে, কারণ জিম্বাবোয়ে সফরে তিনি ম্যান অফ দ্য সিরিজ হয়েছিলেন। সেখানে তিনি তিনটি T20 ম্যাচই খেলেছিলেন এবং তিন ম্যাচে ১৫১ রান করেছিলেন। তবে আফগানিস্তান সিরিজে সঞ্জু স্যামসনের ফিরে আসার পর বৈভবকে বাইরে বসে থাকতে হয়েছিল।
২০২৪ সালের শ্রীলঙ্কা সফরের পর থেকে পন্তকে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তাঁর শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি ছিল ২০২৪ সালের অগাস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। তারপর থেকে এই ফর্ম্যাটে তিনি মূলত টিম ইন্ডিয়ার বাইরেই রয়েছেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এক দিনের তিনটি ম্যাচ হবে তিরুঅনন্তপুরম, গুয়াহাটি এবং নিউ চণ্ডীগড়ে। ৬ অক্টোবর থেকে শুরু হবে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
এই সব চর্চার মধ্যেই বৈভবকে দেখা গেল, বাবার কোলে মাথা রেখে শান্তিতে দিনযাপন করছে। বর্তমানে দিল্লিতে বৈভবের সঙ্গে রয়েছেন তার বাবা সঞ্জীব সূর্যবংশী। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মনমুগ্ধকর ছবিগুলি প্রকাশিত হয়েছে, যা বৈভব এবং তার বাবা সঞ্জীব সূর্যবংশীর বিশেষ বন্ধন।
চিঠিগুলিতে জেলাশাসকদের নির্দেশ, ৭০ বছরের উর্ধ্বে থাকা কোনও ব্যক্তি সিএবি নির্বাচনে লড়াই কিংবা অংশ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে যে সমস্ত আধিকারিকরা পদে থেকে ৯ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করে ফেলেছেন, তাঁদের ভোটাধিকার পুরোপুরি খর্ব করতে হবে।