অর্থাৎ, কোনও ক্রিকেটার মাঠে থাকলে তাঁর পারফরম্যান্স অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু একইসঙ্গে তিনি কতটা নিয়মিতভাবে খেলার জন্য ফিট এবং প্রস্তুত থাকছেন, সেটিও ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় চুক্তির ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হতে পারে।
২০২৫ সালের মার্চে ভারতের হয়ে শেষবার মাঠে নামেন শামি। তারপর থেকে ভারতীয় দলে জায়গা হয়নি তাঁর। যদিও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত খেলছেন ৩৬ বছরের শামি। সম্প্রতি চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত দলীপ ট্রফির ফাইনালে ইস্ট জোনের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন। তারপরই সাংবাদিকদের সামনে মুখ খোলেন শামি।
সিএবিতে বয়স ভাঁড়িয়ে ক্রিকেটারদের দলে নেওয়া নিয়ে গুরুতর অভিযোগ করলেন বিজেপি বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি। তার জবাব দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। রীতেশের অভিযোগ, সাসপেন্ড ক্রিকেটারকে পুরস্কৃত করছে সিএবি। সৌরভের প্রতিক্রিয়া, সেটা গত বছরের পারফরম্য়ান্সের বিচারে।
ক্রিকেট বা ফুটবলে বয়স ভাঁড়ানো নতুন নয়। বেশিরভাগ ক্রিকেটারই নিজেদের বয়স কম করে দেখাতে চান। অনূর্ধ্ব-১৯, অনূর্ধ্ব-২৩, অনূর্ধ্ব-১৫ স্তরে খেলার জন্য ভুয়ো শংসাপত্র দেন অনেকেই।
ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণ করে চলেছেন শামি। তিনি কঠোর পরিশ্রম করছেন। সদ্য শেষ হওয়া দলীপ ট্রফিতে ইস্ট জোনের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পিছনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বাংলার এই পেসারের। তিনি সবসময় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নিয়েছেন। এখনও কি ভারতীয় দলে উপেক্ষিত তিনি? মুখ খুললেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।
আফগানিস্তান সিরিজের আগে জসপ্রীত বুমরার ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তিনি কি আদৌ খেলবেন? আর সেই প্রশ্নের উত্তরই মিলল। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের আসন্ন টি-২০ সিরিজ এবং ২০২৬ এশিয়ান গেমসের দল ঘোষণা হল।
শুভেন্দু অধিকারী কি নেতৃত্বে এসেই প্রথম বলে ছক্কা মেরেছেন? রাজ্যের BJP সরকারকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। রাজ্যে অনেক শিল্প আসবে বলে তিনি আশাবাদী। একইসঙ্গে রাজনীতিতে আসা নিয়েও তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত দিলেন দাদা।
গিলেসপির কথায়, 'আমি এখনও এদের থেকে কয়েক হাজার ডলার পাই। আমার পারিশ্রমিক মেটায়নি। তবুও আমি কখনও ওদের জো হজুর হতে পারব না। আমার নীতির সঙ্গে আপোষ করব না।'
ইংল্যান্ড সফরে ভারতীয় দলের অংশ ছিলেন রোহিত ও কোহলি। সেই সময় একাধিক ম্যাচে রোহিতের খারাপ পারফরম্যান্সের পর তাঁর অবসর নেওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। পরে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এবং রোহিত নিজেই সেই জল্পনা খারিজ করেন। তবে তাঁদের ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতেই থাকে। বিষয়টা নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন আশিস নেহরা।
ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জল্পনার সূত্রপাত হয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনের পর। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দলের কয়েকজন ক্রিকেটার তাঁদের মোবাইল ফোন PCB-র হাতে তুলে দিয়েছেন।
তিলকের সঙ্গে বচসার আগেই অবশ্য ব্যাট হাতে নজর কেড়েছিলেন বৈভব। অভিমন্যু ঈশ্বরনের সঙ্গে জুটি বেঁধে ইস্ট জোনকে ভালো শুরু দেন তিনি।