Saraswati Puja 2026 Date Time: বিশেষত শিক্ষার্থীদের জন্যে সরস্বতী পুজো খুবই স্পেশাল। সকাল থেকেই উপোস থেকে বাগদেবীর উদ্দেশ্যে অঞ্জলি দেন তারা। বিদ্যা, বুদ্ধি, জ্ঞানের প্রার্থনা করেন সরস্বতী মায়ের কাছে।
প্রতি বছর মাঘ শুক্লপক্ষের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে বসন্ত পঞ্চমী পালিত হয়। বাঙালিদের ক্ষেত্রে এই দিন সরস্বতী পুজো। সমগ্র হিন্দু মতেই এই দিন দেবী সরস্বতীকে উৎসর্গ করা হয়। এই তিথিটি বছরের অন্যতম শুভ সময়। এই দিনে বিয়ে, বাড়ি নির্মাণ বা যে কোনও শুভ অনুষ্ঠান করা যেতে পারে।
Gupt Navratri 2026: সনাতন ঐতিহ্যে , শক্তির উপাসনার মহান উৎসব নবরাত্রি দুবার নয় চারবার আসে। প্রথম চৈত্র মাসে , দ্বিতীয় নবরাত্রি আসে চতুর্থ মাসে অর্থাৎ আষাঢ় মাসে, তৃতীয়টি আশ্বিন মাসে অর্থাৎ শারদীয়া নবরাত্রি এবং একাদশ মাসে অর্থাৎ মাঘ মাসে চতুর্থ নবরাত্রি।
মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে বসন্ত পঞ্চমী বা সরস্বতী পুজো হয়। এই বছর ২৩ জানুয়ারি সরস্বতী পুজো পড়েছে। তবে ঘটি এবং বাঙাল বাড়িতে এই পুজোর নিয়ম আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। ওইদিন বহু বাঙালি বাড়িতে নিয়ম করে জোড়া ইলিশ বরণ ও বিয়ের রীতি রয়েছে।
গঙ্গাসাগরের মতোই মকর সংক্রান্তিতে প্রয়াগরাজের সঙ্গমে বিশ্বাস ও ভক্তির এক অসাধারণ ছবি দেখা গেছে। সকাল থেকেই লক্ষ লক্ষ ভক্ত গঙ্গা, যমুনা এবং অদৃশ্য সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে পবিত্র স্নান করতে এসেছিলেন।
গঙ্গা যেখানে বঙ্গোপসাগরে মিশছে, সেই মিলনস্থানে ডুব দিলেই মোক্ষ লাভ। কথায় বলে, 'যা নেই মহাভারতে, তা নেই ভারতে'। সেই মহাভারতেও তো গঙ্গাসাগরের উল্লেখ রয়েছে। মহাভারতের বনপর্বে পাণ্ডবদের গঙ্গাসাগর সঙ্গমে আগমনের উল্লেখ আছে। কপিল মুনির অভিশাপ থেকে রাজা সাগরের ৬০,০০০ পুত্রকে মোক্ষ দিতে রাজা ভগীরথ গঙ্গাকে মর্তে নিয়ে আসেন।
গোটা দেশজুড়েই মকর সংক্রান্তির উৎসব পালিত হয়। বাংলায় এটি পৌষ সংক্রান্তি। অসমে ভোগালি বিহু, পঞ্জাবে লোহরি, তামিলনাড়ুতে পোঙ্গাল ও অন্যান্য রাজ্যগুলিতে মকর সংক্রান্তি পালিত হয়।
কুর্সি বদল হয়। যুগে যুগে হয়ে এসেছে। কেউ একাসনে চিরকাল স্থায়ী হয় না। কিন্তু ওই যে মিশন, লক্ষ্যপূরণ। স্বামীজির স্বপ্নের রামকৃষ্ণ মিশন অদম্য। আজও একই ভাবে জীবসেবা করে চলেছে। রাজনীতি, যুদ্ধ, অর্থনীতির ভেঙে পড়া-- সবই হচ্ছে। হবেও। কিন্তু স্বামীজির মিশন স্থির। অবিচল।
নতুন বছরের শুরু যে উৎসব দিয়ে তা হল সরস্বতী পুজো। বাঙালির ঘরে ঘরে পূজিত হয়ে থাকেন বাগদেবী। পুরানে উল্লিখিত তিন দেবীর মধ্যে রয়েছেন দেবী সরস্বতীও। দেবী সরস্বতীকে জ্ঞান এবং বিদ্যার দেবী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এইদিন স্কুল-কলেজে জাঁক জমকের সঙ্গে পালন করা হয় এই পুজো। মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে পালিত হয় দেবী সরস্বতীর আরাধনা।
মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে হয় সরস্বতী পুজো। এই পুজোর জন্যে সকলে সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে থাকেন। বিশেষত শিক্ষার্থীদের জন্যে সরস্বতী পুজো খুবই স্পেশাল। সকাল থেকেই উপোস থেকে বাগদেবীর উদ্দেশ্যে অঞ্জলি দেন তারা। বিদ্যা, বুদ্ধি, জ্ঞানের প্রার্থনা করেন সরস্বতী মায়ের কাছে। ২০২৫-র বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে।