Diwali Decoration Ideas 2026: সামনেই কালীপুজো, দীপাবলি। অনেকেই বাড়ির বারান্দায় এই সময় টুনি লাইট দিয়ে সাজান। খালি ছকমকে লাইট এনে টাঙিয়ে দিলে কিন্তু হবে না। একটু প্ল্যান করে করলে কিন্তু আলাদাই লুক পাওয়া যায়।
আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করেন ভক্তরা। বাংলার ঘরে ঘরে আলপনা, প্রদীপ, লক্ষ্মীর পাঁচালি পাঠ এবং নানা ধরনের নৈবেদ্য সাজিয়ে চলে পুজোর প্রস্তুতি। এই কোজাগরী শব্দটির অর্থ হল— কে জেগে আছ? আসুন জেনে নিন কখন পুজোর সময়।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর, রবিবার সন্ধ্যাতেই লক্ষ্মীপুজো করা হবে। কারণ, পূর্ণিমা তিথি ২৫ অক্টোবর সকালেই শুরু হচ্ছে এবং রাতেও থাকছে। ২৬ অক্টোবর সকালে তিথি শেষ হয়ে যাবে।
এই উৎসবের মাধ্যমে ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। এই বিশেষ দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন দিদি-বোনেরা। কিন্তু ২০২৬ সালে ভাইফোঁটা কবে পালিত হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি।
এই বছর কবে পড়েছে ধনতেরস? এইদিন নিয়ম মেনে পুজো ও কিছু বিশেষ জিনিসের কেনাকাটা করায় ধনধান্য ও সুখ-সম্পন্নতা বৃদ্ধি পায়। আসুন জেনে নিন ধনতেরস কবে পালন করা হবে এবং পুজোর শুভ মুহূর্ত কখন?
যদিও এই বছর বাড়তি পাওনা হিসাবে দুদিন সপ্তমী পড়েছিল, তাই হিসাব মতো ৬দিনের পুজো ছিল। একটা পুজো যেতে না যেতেই শুরু হয়ে যায় আরও একটা পুজোর কাউন্ট ডাউন।
উমার বিদায়বেলায় এই রীতির মধ্যে যেমন রয়েছে বিষাদের ছায়া, তেমনই রয়েছে আনন্দ, সম্প্রীতি ও মিলনের বার্তা। কিন্তু জানেন কি, বাংলার দুর্গাপুজোর সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে থাকা এই সিঁদুরখেলার কোনও নির্দিষ্ট শাস্ত্রীয় বিধান নেই?
সুদূর নিউজিল্যান্ডে এবার সবচেয়ে বড় দুর্গাপ্রতিমা। ৭৫০-রও বেশি অতিথির সমাগমে ক্রাইস্টচার্চে দুর্গোৎসব। নিউজিল্যান্ডের গার্ডেন সিটি ক্রাইস্টচার্চে বাঙ্গালিয়ানা মাল্টিকালচারাল ক্রাইস্টচার্চের উদ্যোগে ষষ্ঠ বর্ষের দুর্গোৎসব পালিত হল মহাসমারোহে। এবারের প্রধান আকর্ষণ ছিল নিউজিল্যান্ডের সর্ববৃহৎ বলে বিবেচিত দুর্গাপ্রতিমা, যা কলকাতায় ছয় মাস ধরে নির্মাণের পর প্রায় তিন মাসের সমুদ্রযাত্রায় সিঙ্গাপুর, চিন ও অস্ট্রেলিয়া হয়ে ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছয়। ভারতের মায়াপুর থেকে আগত পুরোহিতের পৌরোহিত্যে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৭৫০-রও বেশি অতিথি অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ চমক ছিল আফ্রিকান বাদকদের কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ঢাকের বাদ্যি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার এক মহিলার নেতৃত্বে ধুনুচি নাচ।
বার্সেলোনার বাঙালি সম্প্রদায় তাদের পঞ্চমবারের দুর্গাপূজা উদযাপন করছে। বার্সেলোনায় ‘বেঙ্গলি কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের (BCA) আয়োজিত এই উৎসবটি বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সংহতির এক প্রাণবন্ত বহিঃপ্রকাশ। দুর্গাপুজো কেবল একটি ধর্মীয় উৎসবের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, এটি প্রথা, গভীর মানবিক সম্পর্ক তৈরি করার এক উৎসব। নিজের দেশ থেকে দূরে থাকা বাঙালিদের জন্য এই উৎসবটি তাদের শিকড়ের সঙ্গে এক নিবিড় সংযোগ স্থাপন করে, যা তাদের মনে করায় নিজের পরিবারকে। সুদূর স্পেনের বার্সেলোনাতে বাঙালিদের এই উদযাপন চিরাচরিত ‘একান্নবর্তী পরিবার’-এর ঝলক প্রতিফলিত করে।
দুর্গাপুজোর সন্ধিপুজো শেষে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। দেবী দুর্গার সামনে বসে মন্ত্রপাঠ ও প্রার্থনার সময় চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। শ্রীরামপুরের গঙ্গাদর্শন আবাসনের পুজোয় এই দৃশ্য দেখা যায়। দেবীর কাছে জ্ঞান, শক্তি ও ভক্তি প্রার্থনা করেন সাংসদ। প্রতি বছরই দুর্গাপুজোয় দেবীর আরাধনার সময় তাঁর আবেগপ্রবণ হওয়ার ছবি সামনে আসে।
বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরাকে অক্ষুণ্ণ রেখে দুর্গোৎসবের আয়োজন দক্ষিণ দিল্লি কালীবাড়িতে। এই পুজোর এবারের মূল ভাবনা 'বাংলার বাইরে বাংলা'। সাবেকিয়ানার আবহে ডাকের সাজে সজ্জিত একচালার দুর্গাপ্রতিমা এবারও উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ। প্রবাসে থেকেও বাংলার সংস্কৃতি ও পরম্পরাকে আপন করে বাঁচিয়ে রাখার বার্তাই তুলে ধরতে চাইছেন আয়োজকরা। দিল্লির অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বরাবরই বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতি ও পরম্পরা সংরক্ষণে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই এ বছর সাজিয়ে তোলা হচ্ছে পুজোমণ্ডপ।