মুম্বইয়ের পালাভা সিটি, ডোম্বিভলির প্রবাসী বাঙালি অ্যাসোসিয়েশনের দ্বাদশ বর্ষের দুর্গাপুজোয় এবার থিমের চমক। এবারের থিম 'গ্রামবাংলা'। পুজোমণ্ডপ খড়ের চাল দিয়ে তৈরি হয়েছে। সঙ্গে চলছে মালদার গম্ভীরা শিল্পীর নাচ, সোনাঝুরির হাট আর গিল্ডের বইমেলা। ভোড আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে জমজমাট আরব সাগরের পাড়ে প্রবাসী বাঙালিদের দুর্গাপুজো।
চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।সঙ্গে এ-ও জানালেন, এবার থেকে পুজোয় আর কোনও VIP পাসের লাইন থাকবে না। অভিযোগ মূলত অস্থায়ী হোমগার্ডদের বিরুদ্ধেই উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'ওদের নামের তালিকা চেয়েছি। বিগত ২ বছর ধরে ডিউটি করে এবার তৃতীয়বার ডিউটি করছে অধিকাংশই। বাংলা বুঝতেই পারে না।' মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্যান্ডেলের ভিতর পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেনি। এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্টে এমনটা হয়েছে।
'রাম কি অযোধ্যা' থিমে প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছে সল্টলেক সাংস্কৃতিক সংসদ। প্যান্ডেলটিতে রয়েছে চমৎকার থ্রিডি আলোর অ্যানিমেশন। পুজোর উদ্বোধন করেছেন রাজ্যপাল আরএন রবি।
পুজোয় যদি একটুর জায়গায় আস্ত দুদিন সপ্তমী পাওয়া যায়, তবে তো উৎসবের আনন্দ আর উন্মাদনা দ্বিগুণ হওয়ারই কথা! কিন্তু এই 'সপ্তমী দুই দিন' পাওয়া নিয়েই তো যত বিপত্তি।
রাজধানী দিল্লির বুকে বাঙালির দুর্গাপুজোর ঐতিহ্য বহু বছরের। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম সাক্ষী মন্দির মার্গের কালী বাড়ি। ১৯৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরে দুর্গাপুজো শুরু হয়েছিল ১৯৩১ সালে। চলতি বছর ১০৫ বছরে পা দিল এই পুজো। আজ দুর্গাপুজোর সপ্তমীতে ঢাক, কাঁসর, ঘণ্টার আওয়াজে উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে কালীবাড়ি চত্বর। দিল্লিতে বাঙালির ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে নিউ দিল্লি কালী বাড়ির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই বছর উমা মর্ত্যে আসছেন ঘোড়ায় চড়ে আর বিদায় নেবেন নৌকায়। শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যায় দেবীর ঘোটকে আগমন কিছুটা অস্থিরতার বার্তা দিলেও, নৌকায় গমন ধরা হয় অত্যন্ত শুভ—যা দেশের শস্যবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির প্রতীক। তবে প্রতি বছরের মতো এবারও প্রাচীন ও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত—এই দুই পঞ্জিকার সময়সূচি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিশেষ কৌতূহল।
মা তুমি কেমন আছ? এ প্রশ্নের উত্তরে কখনও না বলে না মায়েরা। কারণ ’মায়েরা মিথ্যে কথা বলে।’ কাউকে ঠকানোর জন্য নয় সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে। আর মায়েদের এই গুণ নিয়েই পূর্বাচল সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির এবারের থিম। সনাতনী মায়ের রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন পদ্মশ্রী প্রাপক শিল্পী সনাতন রুদ্র পাল। থিম ভাবনায় শিল্পী সোমনাথ মুখোপাধ্যায়।
পুজোর মণ্ডপে বাংলার সাবেকি আলপনার ঐতিহ্য! সিঁথি অগ্রগামী সংঘের এবারের থিম ‘আলপনা একাল সেকাল’। বাংলার ঘরে ঘরে মা-বোনেদের হাতের শিল্প কী ভাবে বদলেছে সময়ের সঙ্গে? সাদা রেখার আলপনায় ফুটে উঠেছে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের পৌরাণিক আখ্যান।
কোলাহল আর ব্যস্ততার মাঝেই একরাশ প্রশান্তি! কলকাতার উল্টোডাঙা বিধান সংঘের ৫৮তম বর্ষের দুর্গাপুজোর থিম ‘অমূর্ত’। শিল্পী কৃষাণু পালের ভাবনায় মণ্ডপে ফুটে উঠেছে মানসিক শান্তি, ভালোবাসা, মায়া, মমতা ও কৃতজ্ঞতার মতো অদৃশ্য সম্পদের কথা। আধুনিক জীবনের ইঁদুর দৌড়ে এই মণ্ডপ দর্শকদের নতুন করে ভাবাবে।
২০২৬ সালের দুর্গাপুজোয় টালা প্রত্যয়ের থিম ‘বিয়োজন’। এমনিতে পুজো দেখতে গেলে ভিড়, লাইনে দাঁড়ানো। সেসব ছাড়ুন।bangla.aajtak.in-এ ভার্চুয়ালি দেখে নিন দুর্গাপুজো।
বলা হয় যে এইদিন নিয়ম মেনে পুজো ও কিছু বিশেষ জিনিসের কেনাকাটা করায় ধনধান্য ও সুখ-সম্পন্নতা বৃদ্ধি পায়। আসুন জেনে নিন ধনতেরস কবে পালন করা হবে এবং পুজোর শুভ মুহূর্ত কখন?