ইদ-উল-ফিতর মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। একমাসের রমজান মাসের রোজা শেষে এই আনন্দের দিন উদযাপন করা হয়।
বড় মঙ্গলবার একটি বিশেষ দিন। এই দিনে হনুমানের পুজো করা হয়। বিশেষ করে লখনউ, উত্তর প্রদেশ এবং উত্তর ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলিতে বড় মঙ্গলবার অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদযাপিত হয়।
Eid Al-Fitr 2026 Date: রোজার মাসকে কোরবানি বা ত্যাগের মাস হিসাবে বিবেচনা করেন। টানা এক মাস ধরে পবিত্র রমজান মাস পালনের পর আসে মুসলমানদের প্রধান উৎসব খুশির ইদ বা ইদ উল-ফিতর।
Nil Sasthi Vrat: প্রায় প্রতি বাড়ির মহিলারাই এদিন মূলত সন্তানের মঙ্গল কামনায় ব্রত পালন করেন। মহাদেবের মন্দিরগুলিতে ভিড় জমান ভক্তেরা। মনে করা হয় ব্রতের দিন উপোস করে নিষ্ঠা করে কিছু নিয়ম মানলে ভক্তের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন দেবাদিদেব।
শরৎকালে দেবী দুর্গার অকাল বোধন শুরু হওয়ার আগে বাসন্তী পুজোই ছিল বাঙালির আদি দুর্গাপুজো। সপ্তমী থেকে দশমী চার দিন ধরে চলে দুর্গার আরাধনা। বসন্তকালে হয় বলে এই পুজোর নাম বাসন্তী পুজো।
দুর্গাপুজোর বাকি এখনও প্রায় ২২৪ দিন। এরইমধ্যে পুজোর থিম ঘোষণা করল টালা প্রত্যয়। গত মঙ্গলবার, ৩ মার্চ শুভ দোলযাত্রা উপলক্ষে থিমের নাম ব্যানার উন্মোচন করা হয়।
২০২৬ সালে বাসন্তী পুজোর সপ্তমী তিথি পড়েছে ২৫ মার্চ, বুধবার। শাস্ত্র অনুযায়ী, বুধবার সপ্তমী হলে দেবীর আগমন হয় নৌকায়।
ন্দিরের রহস্যময় এবং ঐতিহ্যবাহী আচারগুলির মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হয় বনকলাগি। এটি শ্রীমুখ শৃঙ্গার নামেও পরিচিত। এই আচারের সময়, ভগবান জগন্নাথ, ভগবান বলভদ্র এবং দেবী সুভদ্রার মূর্তিগুলির মুখগুলি বিশেষভাবে সজ্জিত করা হয়।
মণিকর্নিকা ঘাটে মসান হোলি বিশেষ ভাবে পালিত হয়। এ বছর মসান হোলি খেলা হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। রংভরী একাদশী ছিল ২৭ ফেব্রুয়ারি। তারপরের দিনই পালিত হয় মসান হোলি। কাশীর মণিকর্নিকা ঘাটে শ্মশানে ভস্ম দিয়ে এই হোলি খেলা হয়। এবারও সেই ভাবেই পালিত হল। শিবভক্তরা চিতার পুড়ে যাওয়া শবের ভস্ম উড়িয়ে হোলি খেললেন।