Daily Fuel Purchase Limit: অনেকেই গ্রামগঞ্জে বা কৃষিকাজের প্রয়োজনে জারে করে ডিজেল কিনে থাকেন, কিন্তু পেট্রোলের ক্ষেত্রে নিয়ম অনেক বেশি কড়া। কারণ পেট্রোল অত্যন্ত উদ্বায়ী এবং অগ্নিদাহ্য।
স্পেশাল চাইল্ড বলতে আপনি কী বোঝেন? সেরিব্রাল পালসি, ডাউন সিন্ড্রোম, ডিসলেক্সিয়া, ইমোশনাল ডিসঅর্ডার, মূক-বধির, দৃষ্টিশক্তি কম ইত্যাদি নানা সমস্যার নাম ভিড় করে মগজে। সমস্যাটা ঠিক এইখানেই। স্পেশাল দাগিয়ে দিয়ে সমাজ থেকে আলাদা করা। শিশুরা তো শিশুই। সেখানে স্পেশাল, জেনারেল আবার কী! সমাজের এই বিভেদের মানসিকতা দূর করতেই এক সাহসী কর্মযজ্ঞে নেমেছে নিউটাউন ডে কেয়ার (Newtown Daycare a Preschool & Day Care)। এখানে সবাই স্পেশাল। আবার কেউই স্পেশাল নয়। দিনের শেষে সবাই এক। শিশুদের কোনও বিভেদ নেই। সবাই মিলেমিশে।
Republic Day 2026: তবে, এই বছরটিকে ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস বলা উচিত নাকি ৭৮তম, তা নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে নতুন বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে সংখ্যাটি ৭৮তম হওয়া উচিত, তবে প্রজাতন্ত্র দিবসের সংখ্যা নির্ধারণের পিছনে যুক্তি ভিন্ন। আসুন এটি আরও বিষদে জেনে নেওয়া যাক।
ভারতের জাতীয় পতাকা কেবল একটি কাপড়ের টুকরো নয়, বরং জাতির আত্মমর্যাদা এবং স্বর্ণালী ইতিহাসের প্রতীক। ১৫ অগাস্ট এবং ২৬ জানুয়ারি উভয় দিনেই তেরঙ্গা উত্তোলন করা ঐতিহ্যবাহী, তবে উভয় দিনেই আচার-অনুষ্ঠান ভিন্ন। অনেকেরই অজানা, দুটি দিন পতাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়াই আলাদা এবং এর পিছনে ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), অটোমেশন এবং আধুনিক প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতিতে কর্মক্ষেত্রে বড়সড় পরিবর্তন আসছে। একদিকে যেমন নতুন নতুন পেশার জন্ম হচ্ছে, তেমনই বহু প্রচলিত চাকরি ধীরে ধীরে গুরুত্ব হারাচ্ছে। আগে যেসব কাজ মানুষ করত, এখন তার অনেকটাই করছে মেশিন ও সফটওয়্যার। এর ফলেই বহু পেশা ভবিষ্যতে প্রায় অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পথে।
মাত্র ১৫০ গ্রাম ওজনের তিনটি ছোট শিকারি পাখি প্রমাণ করল, প্রকৃতির সক্ষমতা কোনও সীমার মধ্যে বাঁধা নয়। মণিপুরের অরণ্য থেকে উড়ে যাওয়া তিন আমুর ফ্যালকন মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে পৌঁছে গেল। স্যাটেলাইট-ট্যাগ লাগানো এই পাখিগুলির পরিযান এখন গবেষক, বিজ্ঞানী ও পাখিপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রে।
QR কোড ১৯৯৪ সালে জাপানি ইঞ্জিনিয়র মাসাহিরো হারা দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। QR কোড টয়োটা মোটর কর্পোরেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ডেনসো ওয়েব দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল।
উত্তর প্রদেশের সাহারানপুর জেলায় অবস্থিত দারুল উলুম দেওবন্দ বিশ্বের অন্যতম প্রখ্যাত ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসা মূলত মুসলিম সম্প্রদায়কে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আজও এটি ইসলামী শিক্ষার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।