গেরুয়া ঝড় উঠেছে বাংলায়। যার ফলে দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল জমানার অবসান ঘটল রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে প্রথমবারের মতো সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। আর এই শিবিরের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী ছিলেন আরজি করের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ। পানিহাটি কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন তিনি। সদ্য নির্বাচিত এই বিধায়কের লক্ষ্যও স্থির। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার হুঙ্কার দিয়েছেন তিনি।
Gold-Silver Rate Fall: সোনা ও রুপোর দাম ফের কমেছে, এবং এই সপ্তাহের দুই দিনে MCX-এ প্রতি কেজি রুপোর দাম ৮,০০০ টাকার বেশি কমেছে, অন্যদিকে সোনার দামও নিম্নমুখী।
বাংলায় ভোট প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন 'কয়েকটি জেলায় তৃণমূল খাতাও খুলতে পারবে না।' মোদীর সেই বচন সত্য হয়ে গেল কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান জেলায়। সেইসঙ্গে এবারের নির্বাচনে ৪৬ শতাংশ ভোট পেল বিজেপি। ৪১ শতাংশ ভোট পেল তৃণমূল। মাত্র ৫ শতাংশের ফারাক। আর তাতেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক চিত্র বদলে গেল।
এবারও সেই একই রকম লড়াইয়ে নেমেছিলেন অধীর। কংগ্রেসকে তৃতীয় স্থান থেকে তুলে আমার লড়াই। সম্ভবত অধীরের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই ছিল ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন। পারলেন না। হেরে গেলে অধীর। ২০২৪ সালের লোকসভায় হারের পরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, অধীরের রাজনৈতিক কেরিয়ায় শেষ।
আয়ুষ্মান কার্ড আজ গরীব ও অভাবী মানুষের জন্য গোটা দেশে বিরাট স্বস্তি হয়ে উঠেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা পাওয়া যায়। এখন এটি পাওয়ার জন্য আর কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন নেই; ঘরে বসেই খুব সহজে এটি তৈরি করা যায়। সরকার এই প্রক্রিয়াটিকে সহজ ও ডিজিটাল করে দিয়েছে।
Udayan Guha Defeated Dinhata: একদিকে দিনহাটার দাপুটে নেতা তথা মন্ত্রী উদয়ন গুহ, অন্যদিকে মেখলিগঞ্জের প্রাক্তন দাপুটে মন্ত্রী পরেশ অধিকারী, দুই মহীরুহের পতনে কোচবিহারের রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা হলো।
ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে তৎপর কমিশন। বিজেপি নেতারাও কর্মীদের সতর্ক করছেন। তবে এর মাঝেই বারাবনিতে তৃণমূলের পার্টি অফিসে আগুন দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
New Chief Minister Of West Bengal: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপরাজেয় ভাবমূর্তিকে কার্যত ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে জয়ের সরণিতে ফিরল বিজেপি। ম্যাজিক ফিগার অনায়াসে টপকে ২০০ আসনের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছেন মোদি-শাহের সেনানীরা।
বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং পুদুচেরিতে দুর্দান্ত ফল করেছে এবং বড় জয় অর্জন করেছে, যার মধ্যে বাংলার জয় নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। এই ঐতিহাসিক সাফল্যের কারণে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে প্রচণ্ড উৎসাহ দেখা যাচ্ছে এবং দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে পৌঁছেছেন। এখানে তিনি কর্মীদের সঙ্গে বিজয় উদযাপন করেন এবং তাঁদের উদ্দেশে ভাষণও দেন।
সবচেয়ে ভয়ংকর ঘটনাটি ঘটেছে গঙ্গারামপুরের মহারাজপুর এলাকায়। অভিযোগ, গণনা চলাকালীন বেলবাড়ি (২) গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতা পরেশ বসাককে টার্গেট করে একদল সশস্ত্র যুবক। প্রকাশ্য রাস্তায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথায় কোপানো হয় বলে অভিযোগ।
ভোটের আগে মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেইসঙ্গে নতুন দল তৈরি করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিয়েছিলেন তিনি। ভোটের ময়দানেও চমক দিলেন হুমায়ুন। নওদা ও রেজিনগর এই দুটি আসন থেকেই জয় পেলেন জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান ।