বিজেপির মহিলা কর্মীদের উদ্দেশ্যে মহুয়া জানান, উপস্থিত প্রত্যেকটি বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন। থানা অভিযোগ না নিলে হাইকোর্ট অথবা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাবেন বলে জানিয়ে দেন তৃণমূল সাংসদ।
Expired Government Medicines Found: প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে যে উদ্ধার হওয়া সমস্ত ওষুধই মেয়াদ উত্তীর্ণ। পথচলতি সাধারণ মানুষের চোখে প্রথম এই ঘটনাটি ধরা পড়ে। লক্ষ লক্ষ টাকার এই বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ কারা এভাবে রাস্তার ধারে ফেলে গেল এবং কেনই বা সময় থাকতে এগুলি ব্যবহার করা হলো না তা নিয়ে ইতিপূর্বেই জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে এলাকায়।
ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে রয়েছেন বিজেপি নেতা নিশিকান্ত দুবেও। রয়েছেন শতাব্দী রায় , প্রসূন বন্দ্যোধ্যায় এবং মালা রায়েরা। এদিন দিল্লিতে উড়ে যান যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। বিমানবন্দরে সায়নীকে দেখা গেল অন্য লুকে। চুল ছোটো ছোটো করে কাটা। পরনে কূর্তি। সাংবাদিকদের বলেন, 'এখন বলব না। যখন বলার সময় আসবে বলব। ধীরে-ধীরে সব জানতে পারবেন সময় যখন আসবে। আর আমি সাংবাদিকদের জবাব দেব না। জবাব দিতে হলে সংসদীয় এলাকার মানুষকে দেব।'
পূর্ববর্তী সরকারের সময় চালু থাকা কোনো সামাজিক প্রকল্পই বন্ধ করা হবে না, ক্ষমতায় এসেই জানিয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সেইমতো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বদলে এসেছে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকতে শুরু করেছে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে। তৃণমূল সরকারের আনা যুবসাথী প্রকল্পের বদলে বেকাররা যুবশক্তি ভরসা কার্ড পাবেন বলে জানিয়েছিল বিজেপি সরকার। তবে এতদিন এই নিয়ে কোনো আপডেট মেলেনি। এবার এই বেকারভাতা নিয়ে বড় আপডেট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যেই রাজ্যের বাকি অংশে বর্ষা প্রবেশ করতে চলেছে। এমনটাই পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া দফতর। সেইসঙ্গে সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে রাজ্যের সব জেলাতেই আগামী কয়েকদিন ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প প্রবেশ করায় আবহাওয়া পরিবর্তনের এই অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
৫০টিরও বেশি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মিলবে এই জনকল্যাণ শিবিরে৷ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক সামাজিক প্রকল্পে নাম নথিভুক্তির জন্য আবেদন, যাচাই ও অভিযোগ নিষ্পত্তি দ্রুত করা হবে৷ নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হল, বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা এবং তার প্রকৃত উপভোক্তাদের মধ্যে যে প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক দূরত্ব রয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে দূর করা ।
সংবাদমাধ্যমে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক স্তরে তাঁর সম্পর্কে 'মিথ্যা এবং মানহানিকর' মন্তব্য করা হয়েছে, এই অভিযোগে সরব হয়েছেন ডা. বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও নোটিস পাঠান হয়েছে মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায় ও সোনালী গুহর বিরুদ্ধেও।
এই গোটা ঘটনার সূত্রপাত অবশ্য দলীয় অন্দরের কিছু বিস্ফোরক দাবি এবং কুৎসা ছড়ানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। ডক্টর বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে তিনি নাকি বারাসত বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটের লড়ার জন্য তৃণমূলের কাছে বিধায়ক পদের টিকিট চেয়েছিলেন বলে যে দাবি করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অসত্য কারণ তিনি কোনও দিনই বারাসতের টিকিট চাননি।
দিল্লির এই রুদ্ধদ্বার সাক্ষাতের জল্পনার মাঝেই তৃণমূলের যুব সংগঠনেও এক নাটকীয় রদবদল করা হয়েছে। দলের রাজ্য যুব সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সায়নী ঘোষকে। সায়নী ঘোষকে যুব সংগঠনের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব থেকে অপসারণ করার পর সেই জায়গায় স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী মহম্মদ আইনুল হক একসময় প্রদেশ কংগ্রেসের হাত ধরে নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। কংগ্রেসে থাকাকালীন তিনি একাধিকবার গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচনে জয়লাভ করেন। রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকে তিনি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং পরবর্তীকালে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদের দায়িত্ব অত্যন্ত সফলভাবে সামলান।
অনুব্রত মণ্ডলের পরবর্তী গন্তব্য কী? এই প্রসঙ্গে বিদ্রোহী নেতাদের প্রসঙ্গ তুলে অনুব্রতর বক্তব্য, 'ভুল তো করছেন না। বিজেপিতে তো যাচ্ছেন না। আলাদা ফ্রন্ট করছেন। সকলে যে দিকে যাবেন, সে দিকেই তো যেতে হবে। মমতা একা হয়ে গিয়েছেন। দেখে খারাপ লাগছে। ওঁকে আমরা সকলেই ভালোবাসতাম। কিন্তু শেষ দিকে উনি কার পাল্লায় পড়লেন জানি না।'