বিজেপি-র 'এক দেশ, এক বিধান' নীতির মধ্যে অন্যতম হল UCC বিল। মূলত ধর্ম-ভিত্তিক ব্যক্তিগত আইনের বদলে এক এবং অভিন্ন আইন লাগু করা হয়। অর্থাত্ প্রত্যেক দেশবাসীর জন্য সমান আইন। কোনও ধর্ম ভিত্তিক ব্যক্তিগত আইন নয়। যা ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গ নির্বিশেষে দেশের সকল নাগরিকের জন্য বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, দত্তক সন্তান গ্রহণ এবং সম্পত্তির অধিকারের মতো ব্যক্তিগত পারিবারিক বিষয়গুলি নিয়ন্ত্রণ করবে।
অভিযোগ উঠেছে যে প্রাথমিক স্কুলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ২০১৬ সালে রাজেন্দ্র সাহুসেনা নামে এক বেকার যুবকের কাছ থেকে সাড়ে আট লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন ওই অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য।
প্রথম কয়েক মাস সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চললেও আসল গোলমাল বাধে গ্রাহকদের পাসবই আপডেট করার সময়। অভিযোগ উঠেছে যে পাসবই আপডেট করানোর অছিলায় একটি ডিজিটাল গ্যাজেটে প্রত্যেকের আঙুলের ছাপ নেওয়া হতো এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে লিঙ্ক ফেলিওর বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার দোহাই দিয়ে গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হতো।
রাজ্যের পূর্তসচিব অন্তরা আচার্য, পূর্ত দফতরের জাতীয় সড়ক বিভাগের চিফ ইঞ্জিনিয়ার নির্মল মণ্ডল, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের জেলা শাসক এবং জিটিএ-র প্রধান সচিবের উপস্থিতিতে এই বৈঠক হয়। সেখানেই চুড়ান্ত সিলমোহর পড়েছে।
NH-10 Landslide Sevoke Road Closed: প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ জোরকদমে চললেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লেগে যেতে পারে। তবে গোটা বিষয়টি স্থানীয় আবহাওয়া এবং ধসের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। এই ঘটনার জেরে জাতীয় সড়কের দুপাশে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছে বহু যানবাহন।
তৃণমূল কংগ্রেসের তৃণমূল স্তরের নেতা, কর্মীদের কী খবর? কয়েকটি জেলায় খোঁজ নিয়ে যা জানা গেল, তার নির্যাস হল, তৃণমূল কংগ্রেসের একদম নিচুতলার কর্মীরা দিশেহারা। নেতারা ফোন ধরছেন না।
বুধবারই কলকাতার সব নির্মীয়মান বিল্ডিং খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, তৃণমূল সরকারের আমলে যে সমস্ত বাড়ি বা বহুতলের নকশা (বিল্ডিং প্ল্যান) অনুমোদিত হয়েছিল, সেগুলির নির্মাণকাজ ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। প্রতিটি নির্মাণকাজ যথাযথ নিয়ম মেনে হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে একটি প্রতিনিধিদল।
বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপকদের জন্য সুখবর দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেটে বলা হয়েছে, বয়স্ক, বিধবা এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম নাগরিকরা সমাজে সবচেয়ে বেশি অসুরক্ষিত। সেই কথা মাথায় রেখে সামাজিক সুরক্ষা বৃদ্ধির জন্য এই শ্রেণির মানুষের পেনশন মাসিক ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। রাজ্যে গত সরকারের আমলে বিধবা বা বার্ধক্য ভাতা ছিল ১০০০ টাকা। এ বার তাঁরা ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। অন্য দিকে, বিগত সরকারের আমলে বিশেষ ভাবে সক্ষমরা মাসিক ১০০০ টাকা করে ‘মানবিক ভাতা’ পেতেন। এ বার তাঁরাও ১৫০০ টাকা করে ‘মানবিক ভাতা’ পাবেন।
ভারত আর সোনা—এই দুইয়ের সম্পর্ক হাজার বছরের। বিয়ে থেকে উৎসব, বিনিয়োগ থেকে পারিবারিক নিরাপত্তা, ভারতীয় সমাজে সোনা শুধু একটি ধাতু নয়, আবেগ, ঐতিহ্য এবং আর্থিক ভরসার প্রতীক। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সোনা ভোক্তা দেশ হওয়া সত্ত্বেও আজও নিজের চাহিদার সিংহভাগ সোনা বিদেশ থেকে কিনতে হয় ভারতকে। প্রতি বছর শত শত টন সোনা আমদানি করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয়। আর সেই কারণেই অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল জেলার জোন্নাগিরি গ্রামে ৫০ টন সোনার সম্ভাব্য ভাণ্ডারের খবর শুধু একটি খনি আবিষ্কারের গল্প নয়, এটি ভারতের অর্থনীতি, খনিজ নীতি এবং আত্মনির্ভরতার স্বপ্নের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক বড় অধ্যায়।
পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। শুধু অভিযোগই নয়, বিভিন্ন জেলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভও ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠছে। কোচবিহারে এমনি একটি ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে মঙ্গলবার যা ঘটল, তার নির্যাস, শাসকদলের কাজ হয়ে দাঁড়াচ্ছে, দুই বিরোধী দলকেই নিশানা করা। বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী তৃণমূল বিধায়করা রয়েছেন। আবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের তৃণমূল বিধায়করাও রয়েছেন।