এই গোটা ঘটনার সূত্রপাত অবশ্য দলীয় অন্দরের কিছু বিস্ফোরক দাবি এবং কুৎসা ছড়ানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। ডক্টর বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে তিনি নাকি বারাসত বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটের লড়ার জন্য তৃণমূলের কাছে বিধায়ক পদের টিকিট চেয়েছিলেন বলে যে দাবি করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অসত্য কারণ তিনি কোনও দিনই বারাসতের টিকিট চাননি।
দিল্লির এই রুদ্ধদ্বার সাক্ষাতের জল্পনার মাঝেই তৃণমূলের যুব সংগঠনেও এক নাটকীয় রদবদল করা হয়েছে। দলের রাজ্য যুব সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সায়নী ঘোষকে। সায়নী ঘোষকে যুব সংগঠনের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব থেকে অপসারণ করার পর সেই জায়গায় স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী মহম্মদ আইনুল হক একসময় প্রদেশ কংগ্রেসের হাত ধরে নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। কংগ্রেসে থাকাকালীন তিনি একাধিকবার গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচনে জয়লাভ করেন। রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকে তিনি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং পরবর্তীকালে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদের দায়িত্ব অত্যন্ত সফলভাবে সামলান।
অনুব্রত মণ্ডলের পরবর্তী গন্তব্য কী? এই প্রসঙ্গে বিদ্রোহী নেতাদের প্রসঙ্গ তুলে অনুব্রতর বক্তব্য, 'ভুল তো করছেন না। বিজেপিতে তো যাচ্ছেন না। আলাদা ফ্রন্ট করছেন। সকলে যে দিকে যাবেন, সে দিকেই তো যেতে হবে। মমতা একা হয়ে গিয়েছেন। দেখে খারাপ লাগছে। ওঁকে আমরা সকলেই ভালোবাসতাম। কিন্তু শেষ দিকে উনি কার পাল্লায় পড়লেন জানি না।'
পুলিশ সূত্রে খবর, ২০০২ সালের একটি পুরনো মামলায় জারি থাকা গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বালি মাফিয়া যুধিষ্ঠির ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও পেশায় শিক্ষক নিত্যানন্দ অধিকারী ওরফে নীতু মাস্টারকে নির্বাচনকালীন হুমকি, হিংসা এবং বোমাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ।
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ২০২৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত ৩৬ হাজার ১৯৩টি হাসপাতাল এই প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে। তার মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালের সংখ্যা ১৬ হাজার ৫৫৭। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য পরিবারগুলি বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস স্বাস্থ্যবিমা কভার পাবেন। এর ফলে চিকিৎসার খরচ নিয়ে আর্থিক চাপ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জলপাইগুড়ির ঐতিহ্যবাহী আনন্দচন্দ্র কলেজের (AC College) ছাত্র সংসদের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে থরে থরে সাজানো বিদেশি মদের বোতল, আপত্তিকর সামগ্রী এবং মহিলাদের পোশাক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে। শাসকদলের ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন রুমের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙন পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন বাবুল। ফেসবুকে পোস্ট করে লিখলেন, 'আমি এখনও বর্তমান দল ও তার নেতৃত্বের সঙ্গেই আছি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মতামতকে শ্রদ্ধা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কোঅপারেট করেই কাজ করব। MPLAD-এর টাকা যাতে ঠিক মতো কাজে লাগে, সেই চেষ্টা করব।'
Gold-Silver Rate Fall: রুপোর দামে প্রতিদিন বড় ধরনের পতন হচ্ছে এবং এখন তা সর্বোচ্চ স্তর থেকে নেমে প্রতি কেজিতে ২.২৭ লক্ষ টাকা সস্তা হয়েছে, অন্যদিকে সোনার দামও ক্রমাগত কমছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বিজপুরের বিজেপি বিধায়ক সুদীপ্ত দাসও স্কুলটিতে আসেন। তিনি বলেন, 'আমি মানসিকভাবে বিধ্বস্ত। কল্পনাও করতে পারছি না যে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমন অবস্থায় নিয়ে যাওয়া যেতে পারে।' তিনি অভিযোগ করেন, 'পশ্চিমবঙ্গের জন্য টিএমসি (TMC) একটি অভিশাপ। কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হচ্ছে, শোবার ঘরে টাকা পাওয়া যাচ্ছে—এতে আমি লজ্জিত। আমার মনে হয় না এই বিপুল পরিমাণ টাকা স্কুলের নিজস্ব, এই টাকা আসলে প্রাক্তন টিএমসি বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর—যা সম্পূর্ণ কালো টাকা।'
২০ জন বিদ্রোহী সাংসদদের নিয়ে তাঁরা আলাদা জোন করতে চেয়েছেন, জানালেন শতাব্দী রায়৷ তিনি বলেন, ‘আমরা আলাদা ব্লক চেয়েছি৷ তৃণমূলের আলাদা এই ব্লকটা থাকবে৷ যেখানে এই ২০ জন থাকবে৷ তারা মূল তৃণমূলের সঙ্গে থাকবে না৷’ শতাব্দীর কথায়, ‘আমার একটাই অপরাধবোধ কাজ করছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খারাপ সময়ে তাঁকে ছাড়তে হচ্ছে। কিন্তু দিদিই সেই জায়গায় নিয়ে গেল আমাদের!’