Cooch Behar Doctor Controversy: জানা গিয়েছে, চার মাস আগে কোচবিহারে ওই চিকিৎসকের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে বড়সড় চুরির ঘটনা ঘটে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তদন্তে তেমন অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন বলে মনে করছেন অনেকে।
India Border Agent: পুলিশ জানিয়েছে, গত ২১ জানুয়ারি এক বাংলাদেশি নাগরিককে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরোনোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। জেরার সময় ওই বাংলাদেশি নাগরিক জানায়, টাকার বিনিময়ে তাকে ভারতে ঢুকতে সাহায্য করেছিল এক স্থানীয় যুবক। তদন্তে উঠে আসে রাজু মণ্ডলের নাম।
চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, SIR-এর নামে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে, তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ও সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলির বাইরে গিয়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
বাংলাদেশের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে অবশেষে দেশে ফিরে এলেন ২১ ভারতীয় মৎস্যজীবী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্য বন্দরে ওই মৎস্যজীবীদের তাঁদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
তবে বদলির নির্দেশ যাই হোক না কেন, বিদায়ের আয়োজন থেমে থাকেনি। শুক্রবার থানার সহকর্মীরা তাঁকে আন্তরিক বিদায় সংবর্ধনা দেন। শনিবার জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তরেও তাঁর জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
Gautam Pal MLA controversy: ব্যানারে লেখা ছিল, “জনগণের রায় মানতে হবে, ব্যর্থ বিধায়ককে যেতে হবে।” এই বার্তা ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। করণদিঘি শহরের পাশাপাশি টুঙ্গিদিঘি, বোতলবাড়ি, দোমোহনা, রসাখোয়া, ভুলকি সহ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় ব্যানারগুলি নজরে আসে।
Malda Youth Deadbody Found: আনারুল হকের বাড়ি পার্শ্ববর্তী হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের মশালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহনপুর এলাকায়। তিনি সম্প্রতি নিজের পাকা বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন।
Sitalkuchi Bridge Collapsed: এদিন সকালে বালি বা পাথর বোঝাই একটি ভারী ডাম্পার সেতুটি অতিক্রম করার চেষ্টা করছিল। ডাম্পারটি সেতুর মাঝামাঝি পৌঁছতেই অতিরিক্ত ওজনের চাপে সেতুর মূল কাঠামো ভেঙে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের উপরেই আটকে যায় ডাম্পারটি।
তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, এসআইআর (SIR-Special Intensive Revision) সংক্রান্ত কাজের অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে না পেরেই আত্মহত্যা করেছেন ওই বিএলও। যদিও এই মুহূর্তে এমন কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
মন্ত্রী সরাসরি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘চক্রান্তের’ অভিযোগ তুলে বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই নোটিস পেয়ে হাজির হয়েছি। আমার এবং আমার পরিবারের সমস্ত নথি নির্ভুল। কিন্তু একজন মন্ত্রীর ক্ষেত্রেও যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা, তা সহজেই বোঝা যায়।”
ছোটবেলা থেকেই আর্থিক অনটনের মধ্যে বড় হওয়া সনাতন হালদারকে ঘিরে প্রত্যাশা ছিল সীমিত। অনেকেই ভেবেছিলেন, সংসারের টানে পড়াশোনা মাঝপথেই থেমে যাবে। কিন্তু বাস্তবে ঠিক উলটোটা ঘটেছে।