এই নৃশংস ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। নাসরাপুরে বাসিন্দারা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। পুনের বিভিন্ন এলাকাতেও অভিযুক্তের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ হয়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর শ্রীগঙ্গানগর জেলাজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এলাকা পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়, তবুও সেখানে ১৫০টিরও বেশি অবৈধ হোটেল চলছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর সেসব অবৈধ হোটেল বন্ধের দাবি উঠেছে।
1st July Rule Change: যদি আপনি ১ জুলাই থেকে কোনও আর্থিক লেনদেনের পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে কিছুটা ধৈর্য্য ধরুন, কারণ ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে অর্থ-সংক্রান্ত অনেক নিয়মকানুন পরিবর্তিত হচ্ছে। এখানে সম্পূর্ণ তালিকা দেখে নিন-
স্বামীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে থানায় গেলেন এক গৃহবধূ। শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের পাশাপাশি পর্ন দেখিয়ে অপ্রাকৃতিক যৌনমিলনে বাধ্য করা হতো বলে অভিযোগ।
রবিতার বাবা মালখান কুশওয়াহার অভিযোগ, প্রায় ১০ দিন আগে গ্রামে আয়োজিত একটি ভাগবত কথা অনুষ্ঠানে তাঁর মেয়ে নাচে অংশ নিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। তাঁর দাবি, অনুষ্ঠান শেষে বলরাম রবিতাকে মারধর করেন এবং তাঁকে আর বাড়িতে রাখতে চাননি। বাধ্য হয়ে ১৭ জুন রবিতা বাবার বাড়িতে চলে যান।
পুনের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। পুলিশের দাবি, এটি কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, গোপন যোগাযোগ এবং সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের ফল। তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীর পরিচয়ের সূত্র ছিল সিয়ার দাদা সাহিল গোয়েল।
পুনের বহুচর্চিত কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলায় এবার সামনে এল নতুন দাবি। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর নিহত কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল জানান, বিয়ের কথা পাকাপাকি হওয়ার আগেই তিনি সিয়া গোয়েলের পরিবারকে জানিয়েছিলেন যে তাঁর ছেলে মাথায় একটি ছোট উইগ বা হেয়ার প্যাচ ব্যবহার করত। তাঁর প্রশ্ন, এত সামান্য একটি বিষয় কি কখনও খুনের কারণ হতে পারে?
মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবিস কেতন আগরওয়ালের পরিবারকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, দোষীদের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার সবরকম পদক্ষেপ করবে। তিনি জানান, মামলাটি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে বিচার করার আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং উজ্জ্বল নিকামকে বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে যে অরিন্দমবাবু গত চার দিন ধরে অফিসে কাজে যোগ দেননি। দীর্ঘ সময় তাঁর কোনো খোঁজ না পাওয়ায় অফিসের কর্মীরা চিন্তিত হয়ে তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরিবারের কাছ থেকে কোনো সদুত্তর না মেলায় তাঁর ভাই কোচবিহার থেকে শিলিগুড়িতে ছুটে আসেন।
লাশের মুখ দেখেই উদ্ধারকারীরা বুঝতে পারছিলেন, পেটের দায়েই বই-খাতা ছেড়ে নির্মাণস্থলে নেমেছিল তারা। যে বয়সে স্কুলের বেঞ্চে বসে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার কথা, সেই বয়সেই মাথায় ইট-লোহার বোঝা তুলে জীবিকার লড়াই করছিল তিন কিশোর। কিন্তু সেই লড়াইও শেষ হল তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামের ধ্বংসস্তূপের নিচে।
সাক্ষাৎকারে প্রবীণ গোয়েল বলেন, 'আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না, আমার মেয়ে এমন কাজ করতে পারে। সে কোনও দিন আমার কাছে মিথ্যা বলেনি। সবসময় সঠিক পথেই চলেছে।' তিনি জানান, মেয়ের গ্রেফতারের খবর পাওয়ার পর এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি হতে হয়েছিল।