বাঁকুড়ায় হাড়হিম ঘটনা। অভিযোগ, ঘর খালি করাতে নিজের মেয়েকেই খুন করল বাবা। নিথর দেহ বস্তাবন্দি করে ফেলে দেওয়া হয়েছিল জঙ্গলের ভিতরের কুয়োয়। টানা ১৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর কুয়ো থেকে উদ্ধার হল পচাগলা দেহ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে ২ জানুয়ারি রাতে। সেদিন গভীর রাতে একটি নাবালিকা শিশুকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। দ্রুত তাকে সিকান্দ্রাবাদ কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ছোটবেলা থেকেই সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু সেনার পরীক্ষায় অকৃতকার্য হতে হয়েছে বারবার। শেষে ভুয়ো সেনা কর্মী সেজেই ঘুরে বেড়াত সে। এমনকী শিলিগুড়িতে বসে বাইরের দেশের বেশ কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও রাখছিল। অবশেষে খবর পেয়ে সেনার গোয়েন্দা বিভাগ ও পুলিশের অভিযানে ধরা পড়ল এক যুবক। ধৃতের নাম ভাবেশ ঘাটানি।
বাংলাদেশে ফের হিন্দু যুবককে জ্যান্ত জ্বালিয়ে খুনের চেষ্টা। এবার ঘটনাস্থল শরিয়তপুরের ডামুড্যা। বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন খোকনচন্দ্র দাস। রাস্তায় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে।
খুনের ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার গভীর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ। প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গেছে, সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরেই প্রৌঢ়ের সঙ্গে ঝামেলা চলছিল তাঁর ভাইয়ের। সেই সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ গতকাল রাতে চরম পর্যায়ে পৌঁছয়।
চলন্ত ভ্যান গাড়িতে মহিলাকে লিফ্ট দিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্ষণের অভিযোগ। ঘটনায় ২ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। মধ্যরাতে গাড়ি থেকে মাঝ রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয় নির্যাতিতাকে। মাথায় চোট পেয়েছেন তিনি। পড়েছে ১২টি সেলাই।
হানিমুনে গিয়ে বিবাদ। আর তার জেরে বাড়িতে এসে আত্মঘাতী যুবতী। তারপর আত্মহত্যা তাঁর স্বামীরও। এমনকী ওই যুবকের মা-ও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তবে বেঁচে যান তিনি। বেঙ্গালুরুর এই ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড়।
প্রায় ৩ কোটি টাকার বিমা এবং বাবার সরকারি চাকরি পাওয়ার লোভ। নিজের বাবাকে খুনের ছক কষল ছেলেরা। আর সেই খুনকে নিছক দুর্ঘটনার মোড়ক দিতে ব্যবহার করা হয়েছিল বিষধর সাপ। তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলার ঘটনা হার মানাবে থ্রিলার কাহিনীকেও।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সামনে আসার পর কুলদীপ সেঙ্গার তাঁর মেয়ে ঐশ্বর্যের মাধ্যমে একটি বিবৃতি জারি করেন। তাঁর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টে শুনানিতে তাঁদের কথা শোনা হয়নি। এটা মৌলিক অধিকার খণ্ডনের সমান।
দিল্লি হাইকোর্ট জামিন মঞ্জুর করার পরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI। তাদের আবেদনের ভিত্তিতেই জামিনে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কূলদীপের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়ে তাঁকে নোটিশ ইস্যু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ফের খারিজ শতদ্রু দত্তের জামিনের আবেদন। লিওনেল মেসিকে ভারতে নিয়ে আসা শতদ্রু প্রভাবশালী। তাই তিনি জামিন পেলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে। সেই মর্মে আদালতে জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেন সরকার পক্ষের আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায়। সেই আবেদনকে মান্যতা দেন বিচারপতি। ওই আইনজীবীর আরও দাবি, যুবভারতীতে মেসিকে আনা নিয়ে প্রায় ২৩ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে।