এদিকে অভিযোগ পেয়েই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে। তিন অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা হয় তরুণীর মোবাইলও। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা তরুণী এবং প্রধান অভিযুক্ত টিঙ্কু পূর্বপরিচিত ছিল।
Alipurduar Housewife Murder Case: রীরে একাধিক কামড়ের চিহ্ন, এক হাতের তালুতে আঁচড় ও সূচ দিয়ে তৈরি ক্ষতও মিলেছে। পরিবারের লোকেদের স্পষ্ট দাবি, ধর্ষণের চেষ্টায় বাধা দেওয়ার কারণেই শনিবার রাতে ওই বধূকে এভাবে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। একইসঙ্গে বধূর সাত বছরের শিশুকন্যাকেও বালিশ চাপা দেওয়া জখম অবস্থায় উদ্ধার করেছে আলিপুরদুয়ার থানার পুলিশ।
Amit Shah Musu Yasmin Malda News: পোস্টটি নজর আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। শুক্রবার চাঁচল মহিলা বিজেপি মোর্চার পক্ষ থেকে চাঁচল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে শনিবারই অভিযুক্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পরে ওই মহিলা ঘটনাটির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর মারাঠাহল্লি পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কামাতের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং ঘটনার বিস্তারিত জানে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে প্রথমে নিজের বাড়িতে গিয়ে স্ত্রী এবং চার ও এক বছর বয়সি দুই ছেলেকে খুন করেন অভিযুক্ত। এরপর তিনি সোজা চলে যান সেই ১৭ বছরের কিশোরীর বাড়িতে, যার অভিযোগের ভিত্তিতেই গত মে মাসে তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছিল।
গত ৩ জুলাই জয়পুরে নীরজ শর্মাকে সুপারি কিলার দিয়ে খুন করানোর অভিযোগে গ্রেফতার হন তাঁর মেয়ে আয়ুষি। অভিযোগ, গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার পর ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা বলে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই মামলার তদন্ত চলাকালেই রাকেশ শর্মা দাবি করেন, প্রায় এক বছর আগে রহস্যজনকভাবে মারা যাওয়া বিজয় শর্মার মৃত্যুও স্বাভাবিক ছিল না।
পুনের লোহাগড় দুর্গে ২৬ বছরের কেতন আগরওয়ালের মৃত্যুর তদন্ত এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে গোটা মামলার ভবিষ্যৎ নির্ভর করতে পারে দুর্গের একটি নির্দিষ্ট পাথুরে কিনারাকে ঘিরে। সেখান থেকেই গত ১৮ জুন কেতন নিচে পড়ে মারা যান। প্রথমে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা বলে মনে করা হলেও, পরে তা বহুল আলোচিত খুনের মামলায় পরিণত হয়েছে।
Baruipur Encounter Case: বারুইপুরের এনকাউন্টার বনাম ‘পুলিশি ইনসাফ’! খতম প্রভাস মণ্ডল, ফিরে দেখা যাক ভারতের বিতর্কিত এনকাউন্টারের ইতিহাস।
Utttar Dinajpur Crime News: মৃত নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে হেমতাবাদ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অত্যন্ত দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে অভিযুক্ত প্রেমিককে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে এবং ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।
ঝাঁসি পুলিশের তদন্তে জানা গেছে যে, এই চক্রটি প্রথমে খবরের কাগজে বৈবাহিক বিজ্ঞাপনগুলো খুঁজে বেড়ায়। তারা বিবাহ সঙ্গী খুঁজছেন এমন পুরুষদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে। এরপরই শুরু হয় ‘অপারেশন মোহাব্বত’। কয়েকদিন পর সেই নম্বরে একটি ফোন আসে: "হ্যালো... আমি আপনার বিজ্ঞাপনটি দেখেছি। আপনি আগ্রহী হলে আমরা কথা বলতে পারি।" কণ্ঠস্বরটি এতটাই বিশ্বাসযোগ্য হয় যে অপর পক্ষ সহজেই রাজি হয়ে যায়।
সিট সূত্রের খবর, ধৃত আনন্দ সর্দার ও দিবাকর জেরায় জানিয়েছে, ধর্ষণের পর নাবালিকাকে বারবার মাটিতে আছাড় মারা হয়েছিল। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল ও কবির মোল্লারও ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ।