ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকে দিকে দিকে তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর, আগুন লাগানোর মতো ঘটনা ঘটছে। টুকরো টুকরো হিংসার ঘটনা উঠে আসছে। পিটিআই-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ জানিয়েছে সোমবার দুপুর থেকে টালিগঞ্জ, বারুইপুর, কামারহাটি, বরাহনগর, বহরমপুর, হাওড়া ও কসবায় তৃণমূলের কার্যালয়গুলিতে ভাঙচুর চালিয়েছে। এরই মধ্যে এক তৃণমূল কর্মীর দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
রবিবার সকালে শহরের নেতাজিপল্লী এলাকায় চুরির চেষ্টার অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের তিন যুবককে হাতেনাতে পাকড়াও করল স্থানীয় বাসিন্দারা। উত্তেজিত জনতা তাঁদের গাছের সঙ্গে বেঁধে গণধোলাই দেয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
গত ১৯ এপ্রিল তালাজার রামটেকরি এলাকায় নিজের শোওয়ার ঘর থেকেই উদ্ধার হয় কিশোরভাই বৈথা এবং তাঁর স্ত্রী রেখাবেনের অর্ধদগ্ধ মৃতদেহ। পেশায় ঘড়ি ও সোনার ব্যবসায়ী কিশোরভাইয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ঘুমের ঘোরে শর্ট সার্কিট বা কোনওভাবে আগুন লেগে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।
উত্তরপ্রদেশের আম্বেদকর নগরে এক বাড়িতে মৃত অবস্থায় উদ্ধার ৪ ভাইবোন। তাদের ইট দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছে বলে অনুমান। নিখোঁজ তাদের মা।
বাবার বন্ধুদের মদের গ্লাসে মেশানোর জন্য জল আনতে রাজি হয়নি শিশু। আর তাতেই ক্ষেপে গিয়ে শিশুকে গুলি করে মারল তারা। ভয়ঙ্কর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে।
অভিযোগকারী ওই যুবকের দাবি, তিনি সংস্থায় কর্মরত থাকাকালীন তাঁর মহিলা বস, লরনা হাজদিনি, তাঁকে জোর করে যৌন উত্তেজনা বর্ধক ওষুধ খাওয়াতেন এবং নানা ভাবে যৌন নির্যাতন করতেন। তাঁর অভিযোগ, এই নির্দেশ না মানলে বেতন বৃদ্ধি আটকে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হত। ২০২৪ সাল থেকে দীর্ঘ সময় ধরে এই ধরনের আচরণের শিকার হয়েছেন বলেই তিনি দাবি করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সেই নোট থেকেই জানা যায়, সীতারাম সন্দেহ করতেন তাঁর স্ত্রী একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেন। সুইসাইড নোটে তিনি লিখেছেন, দাম্পত্য কলহের কারণেই তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
১৫ মার্চ থেকে ২১ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্যে অন্তত ৩৩২টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৫৯০টি গুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলো মোট পাচারের খুবই সামান্য অংশ। মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার এবং কলকাতা, এই জেলাগুলিতে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।
ঘটনা বেঙ্গালুরুর। কারিয়াভাত্তোম এলাকায় মাসখানেক আগে আসে ২ মহিলা। তারা বাংলাদশি হলেও নিজেদের ডাক্তার পরিচয় দিয়ে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিল। সেখানেই থাকছিল।
ঘটনাটি ভাইরাল হতেই মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি তদন্তের নির্দেশ দেন। উত্তর বিভাগের রাজস্ব বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে একটি দল ব্যাঙ্ক শাখা পরিদর্শন করে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। এবং কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তদন্তকারীরা জিতু মুন্ডার গ্রামেও গিয়ে তাঁর বক্তব্য নথিবদ্ধ করেছেন।
তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা প্রায় এক মাস ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছিলেন। এবং তাঁদের কাছে ভারতে থাকার কোনও বৈধ নথি ছিল না। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, তাঁরা একটি সংগঠিত পতিতাবৃত্তি চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।