পুনের লোহগড় দুর্গে কেতন আগরওয়ালের রহস্যমৃত্যুর তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রশ্ন। ঘটনাস্থলে কোনও প্রত্যক্ষদর্শী নেই, নেই এমন কোনও সিসিটিভি ফুটেজ যেখানে হত্যার মুহূর্ত ধরা পড়েছে। ফলে তদন্তের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন একটাই, আদালতে কীভাবে প্রমাণ করা হবে যে এটি দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত খুন?
কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তে সামনে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এবার তদন্তে উঠে এসেছে, কেতনকে হত্যার পর তাঁর মোবাইল ফোন কয়েক দিন ধরে সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরীর কাছেই ছিল। পরে সেই ফোন কেতনের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে ফোন থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা ডিজিটাল প্রমাণ মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুনে গ্রামীণ পুলিশ।
অযোধ্যা রাম মন্দিরের অনুদান চুরির ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আট অভিযুক্তের মধ্যে একজন জানিয়েছেন, চুরি করা টাকা বের করার আগে কিছু সময়ের জন্য একটি শৌচাগারে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিনি ধরা পড়া এড়ানোর জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি এবং অনুদান গণনার পদ্ধতির ত্রুটি সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছেন।
১৮ জুন সকালে পুনের লোহাগড় দুর্গে ঠিক কী ঘটেছিল? কেতন আগরওয়াল কি দুর্ঘটনাবশত ৩৪০ ফুট গভীর খাদে পড়ে গিয়েছিলেন, নাকি তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল? যদি ধাক্কা দিয়েই ফেলে দেওয়া হয়ে থাকে, তবে সেই কাজ কে করেছিল? আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, প্রত্যক্ষদর্শী বা সরাসরি প্রমাণ ছাড়াই কি পুনে পুলিশ আদালতে হত্যার অভিযোগ প্রমাণ করতে পারবে? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতেই তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
টাকা দিতে অস্বীকার করায় সংশ্লিষ্ট তৃণমূল কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তৃণমূল কর্মী শংকর দেবনাথ চিকিৎসাধীন জেলা হাসপাতালে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার নবদ্বীপে।
তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল কেতনের মৃত্যু দুর্ঘটনাজনিত, নাকি পরিকল্পিতভাবে ধাক্কা দিয়ে খাদে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, তা বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করা। ফরেনসিক দল পাহাড়ের ঢাল, ধাক্কার সম্ভাব্য শক্তি এবং দেহ পড়ার গতিপথ বিশ্লেষণ করে। তদন্তের স্বার্থে সংবাদমাধ্যমকে ঘটনাস্থলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
ফরেনসিক তদন্তে এখন দ্রুত গুরুত্ব বাড়ছে গেইট অ্যানালাইসিস বা হাঁটার ভঙ্গি বিশ্লেষণের। কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চলেছে দিল্লি পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্তকারীদের আশা, সিসিটিভি ফুটেজে মুখ স্পষ্ট না দেখা গেলেও হাঁটার ধরন বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলতে পারে।
পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরীকে দ্বিতীয় দফায় আগামী ৩ জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে শুনানির সময় ভাদগাঁও মাভাল আদালতে সিয়ার আইনজীবীকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয়।
Raiganj School Teacher Arrested: পুলিশ এবং পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে যে রায়গঞ্জ থানার তাহেরপুরের বাসিন্দা তেইশ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষকের গত তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তরুণীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ওই শিক্ষক তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর দাবি, অভিযোগপত্রে সাংসদের নাম কোথাও নেই। তবুও শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে যে সুমিত রায় তাঁর বাড়িতে থাকতে পারেন, সেই কারণেই তল্লাশি চালানো হয়েছে।
এই নৃশংস ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। নাসরাপুরে বাসিন্দারা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। পুনের বিভিন্ন এলাকাতেও অভিযুক্তের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ হয়।