ওই পুলিশ আধিকারিক জানান, রামেশ্বরপুরে একটি মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ তৃণমূল নেতার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।
তবে তখনও বেঁচে ছিল শিশুটি। ফলে তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় পুলিশ কমিশনার জানান, অন্য পুলিশকর্মীরা ভেবেছিলেন বাচ্চাটি মারা গিয়েছে। তবে তিনি কাছে গিয়ে দেখেন সে বেঁচে।
অভিযোগ, ২০২১ সাল থেকে বেড়াতে যাওয়ার নাম করে অভিযুক্ত যুবক তাঁকে শহরের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত। সেখানকার হোটেলে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, নির্যাতনের সময় যুবতীর অশ্লীল ছবি ও ভিডিওও গোপনে তুলে রাখা হয়।
পুলিশের অভিযোগ, ২০ বছর বয়সী সিয়া গোয়াল এবং তাঁর ২২ বছরের প্রেমিক চেতন চৌধুরী গত ১৮ জুন পুনে জেলার লোহাগড় দুর্গে ট্রেকিংয়ের সময় সিয়ার ২৫ বছরের বাগদত্তা কেতন আগরওয়ালকে গিরিখাতে ধাক্কা দিয়ে হত্যা করেন। সেই ঘটনার পর থেকেই দুই অভিযুক্তের সম্পর্ক, গতিবিধি এবং পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ পুনর্বিবেচনা করে পাটনা হাইকোর্টের জানায়, তদন্তকারী অফিসার আদালতে সাক্ষ্য দেননি। কোনও চিকিৎসক বা মেডিক্যাল রিপোর্টও পেশ করা হয়নি। অনুপ্রবেশের সামান্যতম প্রমাণও নেই। এমন কোনও স্পষ্ট পদক্ষেপেরও প্রমাণ নেই, যা ধর্ষণের চেষ্টাকে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করে।
গত বছরের মে মাসে রাজা রঘুবংশী হত্যাকাণ্ডের পর সোনম-সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করে মেঘালয় পুলিশ। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন ভাড়াটে খুনি এবং সোনমের এক ঘনিষ্ঠ পরিচিত। তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশিটে সোনমকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করে।
বিশেষ করে গত কয়েক দিনে এলাকায় টানা বৃষ্টি হয়েছে। ফলে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা পোশাক বা অন্যান্য সামগ্রী থেকে ডিএনএ, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা অন্যান্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ কতটা অক্ষত রয়েছে, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকেই। যদিও এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রেললাইনের পাশের যে এলাকায় নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ, সেখানেই এই পুনর্নির্মাণের কাজ হয়। দুই নিরপেক্ষ সাক্ষীর উপস্থিতিতে অভিযুক্তদের দিয়ে ঘটনার ধারাবাহিকতা পুনরায় দেখানো হয়। তদন্তকারীদের উদ্দেশ্য ছিল অভিযুক্তদের বয়ানের সঙ্গে ইতিমধ্যে সংগৃহীত প্রমাণের মিল রয়েছে কি না, তা যাচাই করা।
গুজরাটের গান্ধীনগর জেলার কালোল এলাকায় ২০ বছর বয়সি এক কলেজ পড়ুয়ার হত্যাকাণ্ড ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ অভিযোগ করেছে, এক বিবাহিতা মহিলাকে আপত্তিকর ভিডিও দেখিয়ে দীর্ঘদিন ব্ল্যাকমেল ও যৌন সম্পর্কে বাধ্য করার অভিযোগে ওই যুবককে শেষ পর্যন্ত শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন মহিলার স্বামী। এই ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী দু'জনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুনের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন তথ্য সামনে আসছে। এরই মধ্যে ছেলের জন্য ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে আবেগঘন চিঠি লিখেছেন কেতনের মা রাখি আগরওয়াল। চিঠির প্রতিটি লাইনে ফুটে উঠেছে সন্তানের মৃত্যুতে ভেঙে পড়া এক মায়ের অসহায় যন্ত্রণা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আয়ুশীর বাবা বিজয় শর্মা, যিনি আদালতের কর্মী ছিলেন, প্রায় এক বছর আগে মারা যান। এরপর সহানুভূতিমূলক নিয়োগের সুযোগ তৈরি হলে আয়ুশী নিজে চাকরি করতে চেয়েছিল। কিন্তু পরিবারের পরামর্শে সেই চাকরি পান তাঁর মা নীরজা শর্মা। অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তেই ক্ষুব্ধ হয়ে আয়ুশী বাড়ি ছেড়ে বাবার পুরনো বাড়িতে চলে যায় এবং সেখান থেকেই মাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করতে শুরু করে।