মাত্র কয়েক মাস আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে কালীমূর্তি ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্যে ব্যাপক তোলপাড় পড়ে যায়। ঘটনায় রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে ওঠে। এবার ফের উঠল মূর্তি ভাঙার অভিযোগ। রাতের অন্ধকারে একাধিক মূর্তি ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরে।
Witch Hunting Murder West Bengal: পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বার্ধক্যজনিত কারণে লক্ষ্মী সরেন শারীরিক ভাবে দুর্বল ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর নাতনির অসুস্থতার জন্য তাঁকেই দায়ী করে আসছিল গ্রামের একাংশ। অভিযোগ, নাবালিকা সোনুমি টুডু (১৬) অসুস্থ হওয়ায় লক্ষ্মী সরেনের বিরুদ্ধে ডাইনি অপবাদ দেওয়া হচ্ছিল।
প্রেমিকা নিখোঁজ হয়েছে, এই মর্মে আমেরিকার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন অর্জুন শর্মা নামে এক যুবক। তবে পুলিশের সন্দেহ হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়, অর্জুনই খুন করেছে নিকিতা নামের ওই যুবতীকে।
বাঁকুড়ায় হাড়হিম ঘটনা। অভিযোগ, ঘর খালি করাতে নিজের মেয়েকেই খুন করল বাবা। নিথর দেহ বস্তাবন্দি করে ফেলে দেওয়া হয়েছিল জঙ্গলের ভিতরের কুয়োয়। টানা ১৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর কুয়ো থেকে উদ্ধার হল পচাগলা দেহ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে ২ জানুয়ারি রাতে। সেদিন গভীর রাতে একটি নাবালিকা শিশুকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। দ্রুত তাকে সিকান্দ্রাবাদ কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ছোটবেলা থেকেই সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু সেনার পরীক্ষায় অকৃতকার্য হতে হয়েছে বারবার। শেষে ভুয়ো সেনা কর্মী সেজেই ঘুরে বেড়াত সে। এমনকী শিলিগুড়িতে বসে বাইরের দেশের বেশ কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও রাখছিল। অবশেষে খবর পেয়ে সেনার গোয়েন্দা বিভাগ ও পুলিশের অভিযানে ধরা পড়ল এক যুবক। ধৃতের নাম ভাবেশ ঘাটানি।
বাংলাদেশে ফের হিন্দু যুবককে জ্যান্ত জ্বালিয়ে খুনের চেষ্টা। এবার ঘটনাস্থল শরিয়তপুরের ডামুড্যা। বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন খোকনচন্দ্র দাস। রাস্তায় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে।
খুনের ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার গভীর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ। প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গেছে, সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরেই প্রৌঢ়ের সঙ্গে ঝামেলা চলছিল তাঁর ভাইয়ের। সেই সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ গতকাল রাতে চরম পর্যায়ে পৌঁছয়।
চলন্ত ভ্যান গাড়িতে মহিলাকে লিফ্ট দিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্ষণের অভিযোগ। ঘটনায় ২ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। মধ্যরাতে গাড়ি থেকে মাঝ রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয় নির্যাতিতাকে। মাথায় চোট পেয়েছেন তিনি। পড়েছে ১২টি সেলাই।
হানিমুনে গিয়ে বিবাদ। আর তার জেরে বাড়িতে এসে আত্মঘাতী যুবতী। তারপর আত্মহত্যা তাঁর স্বামীরও। এমনকী ওই যুবকের মা-ও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তবে বেঁচে যান তিনি। বেঙ্গালুরুর এই ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড়।
প্রায় ৩ কোটি টাকার বিমা এবং বাবার সরকারি চাকরি পাওয়ার লোভ। নিজের বাবাকে খুনের ছক কষল ছেলেরা। আর সেই খুনকে নিছক দুর্ঘটনার মোড়ক দিতে ব্যবহার করা হয়েছিল বিষধর সাপ। তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলার ঘটনা হার মানাবে থ্রিলার কাহিনীকেও।