পুনের বহুচর্চিত কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলায় এবার সামনে এল নতুন দাবি। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর নিহত কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল জানান, বিয়ের কথা পাকাপাকি হওয়ার আগেই তিনি সিয়া গোয়েলের পরিবারকে জানিয়েছিলেন যে তাঁর ছেলে মাথায় একটি ছোট উইগ বা হেয়ার প্যাচ ব্যবহার করত। তাঁর প্রশ্ন, এত সামান্য একটি বিষয় কি কখনও খুনের কারণ হতে পারে?
মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবিস কেতন আগরওয়ালের পরিবারকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, দোষীদের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার সবরকম পদক্ষেপ করবে। তিনি জানান, মামলাটি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে বিচার করার আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং উজ্জ্বল নিকামকে বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে যে অরিন্দমবাবু গত চার দিন ধরে অফিসে কাজে যোগ দেননি। দীর্ঘ সময় তাঁর কোনো খোঁজ না পাওয়ায় অফিসের কর্মীরা চিন্তিত হয়ে তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরিবারের কাছ থেকে কোনো সদুত্তর না মেলায় তাঁর ভাই কোচবিহার থেকে শিলিগুড়িতে ছুটে আসেন।
লাশের মুখ দেখেই উদ্ধারকারীরা বুঝতে পারছিলেন, পেটের দায়েই বই-খাতা ছেড়ে নির্মাণস্থলে নেমেছিল তারা। যে বয়সে স্কুলের বেঞ্চে বসে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার কথা, সেই বয়সেই মাথায় ইট-লোহার বোঝা তুলে জীবিকার লড়াই করছিল তিন কিশোর। কিন্তু সেই লড়াইও শেষ হল তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামের ধ্বংসস্তূপের নিচে।
সাক্ষাৎকারে প্রবীণ গোয়েল বলেন, 'আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না, আমার মেয়ে এমন কাজ করতে পারে। সে কোনও দিন আমার কাছে মিথ্যা বলেনি। সবসময় সঠিক পথেই চলেছে।' তিনি জানান, মেয়ের গ্রেফতারের খবর পাওয়ার পর এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি হতে হয়েছিল।
প্রথম কয়েক মাস সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চললেও আসল গোলমাল বাধে গ্রাহকদের পাসবই আপডেট করার সময়। অভিযোগ উঠেছে যে পাসবই আপডেট করানোর অছিলায় একটি ডিজিটাল গ্যাজেটে প্রত্যেকের আঙুলের ছাপ নেওয়া হতো এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে লিঙ্ক ফেলিওর বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার দোহাই দিয়ে গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হতো।
পুনের তরুণ ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। পুলিশের দাবি, এটি কোনও আকস্মিক দুর্ঘটনা নয়, বরং সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আর সেই পরিকল্পনার নেপথ্যে ছিলেন কেতনের হবু স্ত্রী সিয়া গোয়েল এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরী।
এদিকে কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়ালও একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, বালিতে প্রাক্-বিবাহ ভ্রমণের পরিকল্পনাও ইচ্ছাকৃতভাবে বানচাল করেছিলেন সিয়া। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, কেতনের পাসপোর্ট রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ। তাঁর অভিযোগ, এটিও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে।
তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। গুদামের মালিক শম্ভুনাথ বেহরা-সহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন আয়ান ট্রেডার্সের সুপারভাইজার গুলজার হোসেন, লোহার কাঠামো নির্মাণকারী সংস্থার প্রতিনিধি কমল সামন্ত, শ্রমিক সরবরাহকারী ও ট্রাইমেক্স ঠিকাদার দিবাকর ভাণ্ডারি এবং পুরসভায় নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদনের ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী আব্দুল হামিদ।
বিধানসভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে মেয়ে তমান্নার হত্যার বিচার চেয়েছিলেন নদিয়ার কালীগঞ্জের বাসিন্দা সাবিনা ইয়াসমিন। সেই সাক্ষাতের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে মামলার আরও দুই অভিযুক্তকে। এর ফলে তমন্না হত্যা মামলায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩।
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ উঠল বাংলার তারকা ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলের (Abishek Porel) বিরুদ্ধে। দিল্লি ক্যাপিটালসের (Delhi Capitals) এই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এক ডাক্তারি পড়ুয়া তরুণী। তাঁর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে সহবাস করেছেন তারকা ক্রিকেটার। অন্যদিকে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিচ্ছেন অভিষেক।