মুম্বই, পুনে, নাসিক-সহ মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বহু পর্যটক স্বীকার করেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের খবরই তাঁদের লোহাগড়ে আসতে উৎসাহিত করেছে। নাসিকের এক তরুণ পর্যটক জানান, তাঁদের মূল পরিকল্পনা ছিল অন্যত্র ট্রেকিং করার। কিন্তু কেতন হত্যা মামলার কথা জানার পর তাঁরা পরিকল্পনা বদলে লোহাগড়ে চলে আসেন।
আরজি কর ধর্ষণ ও খুন মামলায় নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক প্রাক্তন ফরেনসিক আধিকারিকের পাঠানো চিঠির ভিত্তিতে নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে সংরক্ষিত ভিসেরা নমুনা ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট বা বদলে ফেলা হয়েছিল। পরিবার জানিয়েছে, এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে তারা শিয়ালদা আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছে।
ঘটনাটি প্রথম নজরে আসে গত ২৫ জুন। রাজকোটের গ্রামে রেললাইনে একটি পচাগলা দেহ পাওয়া যায়। দেহটিতে শাড়ি পরা ছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে খুন সন্দেহ হতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে দেয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখে উঠে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা পীযূষ কুমার খারওয়ার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়।
তদন্তের অংশ হিসেবে পরে পুলিশ সিয়াকে তাঁর বাড়িতেও নিয়ে যায়। সেখান থেকে ১৮ জুন, অর্থাৎ ঘটনার দিন তিনি যে পোশাক পরেছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে, তা বাজেয়াপ্ত করা হয়। লোনাভালা গ্রামীণ পুলিশের একটি দল প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে বাড়িতে তল্লাশি চালায় এবং একাধিক সামগ্রী সংগ্রহ করে।
ইন্দোরের পরিবহণ ব্যবসায়ী রাজা রঘুবংশী হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সোনম রঘুবংশীর জামিনের বিরুদ্ধে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে মেঘালয় সরকার। সেরাজ্যের সরকারের দাবি, একটি কারিগরি ত্রুটির কারণে সোনম জামিন পেয়েছেন এবং সেই জামিন বহাল থাকলে তিনি তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারেন কিংবা পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সিয়া গোয়েলের একটি পুরনো ভিডিও, যা ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের বলে দাবি করা ওই ভিডিওতে একটি পাবের ভেতরে সিয়াকে হাতে বিয়ারের বোতল নিয়ে মোবাইলে কারও সঙ্গে উত্তেজিতভাবে কথা বলতে দেখা যায়।
পুনের লোহগড় দুর্গে কেতন আগরওয়ালের রহস্যমৃত্যুর তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রশ্ন। ঘটনাস্থলে কোনও প্রত্যক্ষদর্শী নেই, নেই এমন কোনও সিসিটিভি ফুটেজ যেখানে হত্যার মুহূর্ত ধরা পড়েছে। ফলে তদন্তের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন একটাই, আদালতে কীভাবে প্রমাণ করা হবে যে এটি দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত খুন?
কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তে সামনে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এবার তদন্তে উঠে এসেছে, কেতনকে হত্যার পর তাঁর মোবাইল ফোন কয়েক দিন ধরে সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরীর কাছেই ছিল। পরে সেই ফোন কেতনের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে ফোন থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা ডিজিটাল প্রমাণ মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুনে গ্রামীণ পুলিশ।
অযোধ্যা রাম মন্দিরের অনুদান চুরির ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আট অভিযুক্তের মধ্যে একজন জানিয়েছেন, চুরি করা টাকা বের করার আগে কিছু সময়ের জন্য একটি শৌচাগারে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিনি ধরা পড়া এড়ানোর জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি এবং অনুদান গণনার পদ্ধতির ত্রুটি সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছেন।
১৮ জুন সকালে পুনের লোহাগড় দুর্গে ঠিক কী ঘটেছিল? কেতন আগরওয়াল কি দুর্ঘটনাবশত ৩৪০ ফুট গভীর খাদে পড়ে গিয়েছিলেন, নাকি তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল? যদি ধাক্কা দিয়েই ফেলে দেওয়া হয়ে থাকে, তবে সেই কাজ কে করেছিল? আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, প্রত্যক্ষদর্শী বা সরাসরি প্রমাণ ছাড়াই কি পুনে পুলিশ আদালতে হত্যার অভিযোগ প্রমাণ করতে পারবে? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতেই তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
টাকা দিতে অস্বীকার করায় সংশ্লিষ্ট তৃণমূল কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তৃণমূল কর্মী শংকর দেবনাথ চিকিৎসাধীন জেলা হাসপাতালে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার নবদ্বীপে।