ফের কলকাতায় গণধর্ষণের অভিযোগ। এবার এক নাবালিকাকে লিফট দেওয়ার নামে গাড়িতে তুলে মাদক খাইয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল দক্ষিণ কলকাতার বেহালায়।
ঘটনা হরিয়ানার সোনিপত জেলার কুন্ডলি থানা এলাকার। সেই ফ্ল্যাটে থাকতেন বিজয়রা। সেখানেই আততায়ী প্রবেশ করে এবং ধারালো কোনও অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় তিনজনের উপর।
পুলিশ সূত্রে খবর, সম্প্রতি ওই যুবক নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে অত্যন্ত কুরুচিকর ও মানহানিকর কিছু মন্তব্য পোস্ট করে। বিষয়টি নজরে আসতেই তদন্তে নামে পুলিশ। এরপরই তাকে তার বাড়ি থেকে পাকড়াও করা হয়।
ইনজেকশনের প্রভাব কাটার পর ছাত্রী বুঝতে পারেন তাঁর সঙ্গে কী ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সব জানান। এরপর পরিবারের তরফে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
শুক্রবার কলকাতা এবং মুর্শিদাবাদের মোট ৯টি জায়গায় অভিযান চালায় ইডি। তদন্তকারীদের একটি দল পৌঁছে যায় মুর্শিদাবাদের কান্দিতে শান্তনু বিশ্বাসের বিলাসবহুল পৈতৃক বাড়িতে। কিন্তু বাড়ির গেট তখন তালাবন্ধ। পরে ইডি আধিকারিকরা গেট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন।
দিল্লির জামিয়া নগর থানা এলাকায় এক ২৩ বছর বয়সী দলিত হিন্দু তরুণীকে অপহরণ, জোর করে ধর্মান্তরণ, বিয়ে এবং গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। যদিও মোট ছয়জন অভিযুক্তের মধ্যে মূল অভিযুক্ত বর্তমানে অন্য একটি মামলায় উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের দাসনা জেলে রয়েছে।
শুক্রবার সকালেই পশ্চিমবঙ্গে অ্যাকশনে ইডি বা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এ দিন রাজ্যের একাধিক জায়গায় একযোগে অভিযান চালায় ইডি। ‘সোনা পাপ্পু’ ও প্রাক্তন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িত একটি তোলাবাজি চক্রের তদন্তে এই তল্লাশি চালানো হয় বলে প্রাথমিকভাবে খবর মিলছে।
সম্প্রতি নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো প্রায় ১৮০ কোটি টাকার ক্যাপ্টাগন উদ্ধার করার পর ফের সামনে এসেছে ডার্ক ওয়েবে সক্রিয় আন্তর্জাতিক মাদকচক্রের ভয়াবহ চিত্র। তদন্তে উঠে এসেছে, ভারত সহ বিভিন্ন দেশের সরবরাহকারীরা ডার্কনেট মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করে এই নিষিদ্ধ উত্তেজক মাদক বিক্রি করছে।
এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী সংস্থা CBI সূত্রে খবর,ধৃতের নাম বিনয় রায়। বারাণসী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে সে জড়িত ছিল।
Kaliachak Brown Sugar Seizure: পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথম সাফল্যটি এসেছে কালিয়াচকে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কালিয়াচক থানার পুলিশ ইমাম জায়গীরের দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর এলাকায় একটি গোপন ডেরায় অতর্কিতে হানা দেয়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ৩ কেজিরও বেশি মাদক তৈরির কাঁচামাল এবং ৩২৭ গ্রাম তৈরি হওয়া খাঁটি ব্রাউন সুগার বাজেয়াপ্ত করা হয়।
প্রায় সাড়ে তিন মাস গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর আজ সোমবার সকালে ED-র দফতরে হাজিরা দেয় সোনা পাপ্পু। ন'ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তকারীরা। তারপরই গ্রেফতার করা হয়।