Baruipur Encounter Case: বারুইপুরের এনকাউন্টার বনাম ‘পুলিশি ইনসাফ’! খতম প্রভাস মণ্ডল, ফিরে দেখা যাক ভারতের বিতর্কিত এনকাউন্টারের ইতিহাস।
Utttar Dinajpur Crime News: মৃত নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে হেমতাবাদ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অত্যন্ত দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে অভিযুক্ত প্রেমিককে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে এবং ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।
ঝাঁসি পুলিশের তদন্তে জানা গেছে যে, এই চক্রটি প্রথমে খবরের কাগজে বৈবাহিক বিজ্ঞাপনগুলো খুঁজে বেড়ায়। তারা বিবাহ সঙ্গী খুঁজছেন এমন পুরুষদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে। এরপরই শুরু হয় ‘অপারেশন মোহাব্বত’। কয়েকদিন পর সেই নম্বরে একটি ফোন আসে: "হ্যালো... আমি আপনার বিজ্ঞাপনটি দেখেছি। আপনি আগ্রহী হলে আমরা কথা বলতে পারি।" কণ্ঠস্বরটি এতটাই বিশ্বাসযোগ্য হয় যে অপর পক্ষ সহজেই রাজি হয়ে যায়।
সিট সূত্রের খবর, ধৃত আনন্দ সর্দার ও দিবাকর জেরায় জানিয়েছে, ধর্ষণের পর নাবালিকাকে বারবার মাটিতে আছাড় মারা হয়েছিল। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল ও কবির মোল্লারও ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ।
Amaira Jaipur School Case CCTV Footage: আমাইরার পরিবারের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার মারাত্মক অভিযোগ তোলা হয়েছে, তারা দাবি করেছেন যে অভিযুক্ত শ্রেণী শিক্ষিকার পাশাপাশি স্কুলের প্রিন্সিপাল এবং চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধেও জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট বা জেজে আইনের আরও কঠোর ধারা প্রয়োগ করতে হবে।
অভিযোগ, গত ৮ জুলাই ব্যবসার কাজে বেরিয়েছিলেন সুলতানপুরের কোতোয়ালি নগর এলাকার বাসিন্দা অরুণ কুমার কোরি। তিনি মুরারি দাস গলির সাহারা ট্রেডিং কোম্পানিতে কর্মরত। শাহগঞ্জ মোড়ের কাছে পূজা কাসোধান ও তাঁর ছেলে তাঁকে পথ আটকে দাঁড় করান। অভিযোগ, তাঁরা অরুণকে জাতিগত বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন, চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন এবং পরে মারধর শুরু করেন।
ছত্তিশগড়ে সাইবার জালিয়াতির একটি তদন্তে এমন কিছু বেরিয়ে এসেছে যা আধার-ভিত্তিক ই-কেওয়াইসি ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। পুলিশের মতে, কিছু অনুমোদিত সিম বিক্রেতা গ্রাহকদের অজান্তেই তাদের আধার এবং বায়োমেট্রিক তথ্যের অপব্যবহার করে অতিরিক্ত সিম কার্ড চালু করছিল। এই নম্বরগুলো পরে দেশজুড়ে সাইবার অপরাধী চক্রগুলো ব্যবহার করত।
পুরুলিয়া জেলায় তন্ত্র-মন্ত্র ও পূজার আচার পালনের নামে এক ১৮ বছর বয়সি তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার বড় থানার অন্তর্গত আঙ্করো গ্রামে। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত তান্ত্রিক সৌমেন গোস্বামীকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হবে।
গ্রেফতারি মেমোতে একটি টাইপোগ্রাফিক্যাল বা মুদ্রণজনিত ভুল থাকলেই কি কোনও অভিযুক্তের গ্রেফতার অবৈধ হয়ে যায়? আর সেই ত্রুটির ভিত্তিতেই কি একটি খুনের মামলায় জামিন বহাল রাখা যায়? এই গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রয়োজনে বিষয়টি বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানো হতে পারে বলেও বৃহস্পতিবার ইঙ্গিত দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
নির্যাতিতার ভাইয়ের অভিযোগ, সিআইডির তদন্তে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপেক্ষা করা হয়েছিল। তাঁর কথায়, 'আমি আমার বোনের দেহ দেখতে গিয়েছিলাম। শরীরে একাধিক গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। পা দু'টি প্রায় ছিঁড়ে গিয়েছিল এবং নাভি পর্যন্ত শরীর চিরে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সিআইডির রিপোর্টে এসবের উল্লেখই ছিল না।' তিনি আরও দাবি করেন, তদন্তকারীদের তোলা ছবিতে যেসব তথ্য স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল, তার অনেকটাই চার্জশিটে স্থান পায়নি।
মেঘালয়ের বহুল আলোচিত রাজা রঘুবংশী হত্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে পাল্টা হলফনামা দাখিল করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন প্রধান অভিযুক্ত সোনম রঘুবংশী। আদালতের কাছে তাঁর বক্তব্য, এই মামলায় তাঁকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে এবং রাষ্ট্রপক্ষ কেবল সন্দেহ ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ওপর ভিত্তি করেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা সাজিয়েছে।