সিপিএমের পর তৃণমূল সরকারও আমাকে রাজ্যে ফিরতে দেয়নি। আমার বইয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে, আমার টেলিভিশন সিরিয়ালের সম্প্রচার আটকে দেওয়া হয়েছে। একজন লেখকের বিরুদ্ধে এই আচরণ কেবল ব্যক্তি আক্রমণ নয়; এটি মুক্তচিন্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং প্রশ্ন করার অধিকারের বিরুদ্ধে অবস্থান। যে সমাজ লেখককে ভয় পায়, সে সমাজ আসলে স্বাধীন চিন্তাকেই ভয় পায়। আমি কলকাতায় ফিরতে চাই।
আমি মনে করি, একাধিক ভুল হয়েছে, মানুষ সেটা ভালো চোখে নেয়নি। যেমন চাকরি। চাকরির ক্ষেত্রটা ভয়ঙ্করভাবে মার খেয়েছে। মমতা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কী সব ঠিক কাজ করেছেন? উত্তর না, তিনি পারেননি। আমি এবার তৃণমূলকে ভোট দিয়েছি ঠিকই, কিন্তু আমি তৃণমূলের কাজে খুশি হতে পারিনি। দলের বহু কথা ও অ্যাটিটিউডে মানুষ ধাক্কা খেয়েছে।
বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটে ব্যাপক হারে ভোট দিল পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। দুপুর ৩টে পর্যন্তই এদিন ৭৮ শতাংশের বেশি ভোটদানের হার ছিল। সন্ধে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত কমিশনের হিসেব বলছে ভোটদানের হার ৯১.৭৪ শতাংশ।
এর মধ্যে সবচেয়ে বড় বিষয় হল জল। তিস্তা নদীর গুরুত্ব বাংলাদেশে অপরিসীম। বাংলাদেশের উত্তরের জেলাগুলিতে লাইফ লাইন বলা চলে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৭.৩ শতাংশ তিস্তার জলের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু তিস্তার জলবণ্টন চুক্তি এখনও অধরা।
কোতোয়ালির বাড়িতে গেলে যে মার্সিডিজটা চোখে পড়ে, সেই মার্সিডিজটায় এক সময় চড়তেন বাংলার রাজনীতির অবিসংবাদিত চরিত্র বরকত গণি খান চৌধুরী, যাঁকে নিয়ে বিতর্ক যতটা, ততটাই তাঁর রাজনীতির শিকড় গভীরে। শিকড় গভীরে বলেই তো বরকত গণি খান চৌধুরী মারা যাওয়ার পরেও অনায়াসে ডালুদা মালদার রাজনীতিতে রাজত্ব করলেন এবং তারপরে ঈশাও পৌঁছে গেলেন লোকসভায়।
২০২১ সাল ও ২০২৬ সাল। এর মাঝে গিয়েছে ২০২৪-এর লোকসভা ভোট। ন্যারেটিভে কি কিছু বদল ঘটেছে? না। ছাব্বিশের ভোটের ন্যারেটিভে আসলে যে বদল ঘটেছে, তা হল 'ঘুসপেটিয়া'। ঠিক এই শব্দবন্ধটি নিয়েই আমাদের একটু বিশ্লেষণ করা যাক।
বাংলায় ২৯৪টি আসনের মধ্যে ৪৬টি আসনে ৫০ শতাংশের বেশি মুসলিম ভোটার। ১৬টি আসনে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ভোট নির্ণায়ক মুসলিমরা। এবং ৫০টি আসনে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক। এই বিপুল ভোটাররা কি ওয়েইসি বা হুমায়ুন কবীরকে তাঁদের 'মসিহা' হিসেবে মেনে নেবেন? এখানে জোর দিয়ে হ্যাঁ বলা যাচ্ছে না। কেন?
কনফিউশনটাই আসলে মমতার ক্যারিশমা। দেখুন, SIR ইস্যুতে যখন CEO দফতরের সামনে রাতভর ধর্না করলেন বামেরা, ঠিক তখনই মমতাও বসে পড়ছেন ধর্নায়। ইস্যু সেই SIR। মোদ্দা বিষয়, বাম, কংগ্রেসের মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও নিশানায় সেই কমিশন।
বর্তমানে ভারত–ইজরায়েল সহযোগিতা প্রতিরক্ষা, কৃষি, জল প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত। রয়টার্সে প্রকাশিত SIPRI তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইজরায়েল ভারতের অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষা সরবরাহকারী। বারাক-৮ এয়ার ডিফেন্স মিসাইল এবং হেরন ইউএভি-এর মতো ব্যবস্থা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই সম্পৃক্ততার পাশাপাশি আরব দেশগুলোর সঙ্গেও ভারতের সমানভাবে শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে।
সিঙ্গুরের সভায় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘাটালের সাংসদ দেবকে পাশে নিয়ে। দেবও যারপরনাই আপ্লুত। বললেন, 'কেউ কথা রাখেনি। দিদি কথা রাখলেন।' তাহলে সিঙ্গুরে শিল্পের ব্যাপারটা? সব যেন ঘেঁটে গেল! সিঙ্গুরের মাটিতেই কেন ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের উদ্বোধনের ঘোষণা করলেন মমতা? প্রশ্নটার উত্তর খোঁজা যাক।
এই নতুন রেললাইনের উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হচ্ছে ময়নাপুর-জয়রামবাটি নতুন ট্রেন পরিষেবা। বর্তমানে চলাচলকারী বাঁকুড়া-ময়নাপুর মেমু ট্রেনটি সম্প্রসারিত হয়ে এবার পৌঁছবে জয়রামবাটি পর্যন্ত। ফলে জয়রামবাটি থেকে সরাসরি মেমু ট্রেনে বাঁকুড়া শহরে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।