এই নতুন রেললাইনের উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হচ্ছে ময়নাপুর-জয়রামবাটি নতুন ট্রেন পরিষেবা। বর্তমানে চলাচলকারী বাঁকুড়া-ময়নাপুর মেমু ট্রেনটি সম্প্রসারিত হয়ে এবার পৌঁছবে জয়রামবাটি পর্যন্ত। ফলে জয়রামবাটি থেকে সরাসরি মেমু ট্রেনে বাঁকুড়া শহরে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।
২০১৪ সালে বিরাট স্বপ্ন নিয়ে শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান সুপার লিগ নিয়ে প্রশ্নের অন্ত নেই। কারণ যা পরিস্থিতি তাতে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন তো বটেই, ক্লাব জোটও কীভাবে এই লিগ পরিচালনা করতে পারবে সে ব্যাপারে কোনও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। আদৌ কি হবে এবারের আইএসএল? আমরা যদি ৬ বছর আগে শুরু হওয়া আইপিএল-এর দিকে তাকাই তবে দেখা যাবে তা আজও দারুণ সফল।
দীপু দাস ও ওসমান হাদি, দুজনকেই যেভাবে খুন করা হয়েছে, তা যে কোনও সভ্য সমাজেই মধ্যযুগীয় বর্বরচিত। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় যিনি পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন, সেই ওসমান হাদিকে ১৮ ডিসেম্বর ঢাকায় মুখোশধারী দুষ্কৃতী মাথায় গুলি করে।
নিতান্তই একটা কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দিয়ে শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ। তবে কিছুদিনের মধ্যে সেই আন্দোলনই হয়ে ওঠে রক্তক্ষয়ী। আর সেই উত্তপ্ত পরিবেশের মধ্যেই দেশ ছাড়তে হয় বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এবার কাট টু নেপাল। সেখানেও নিছক একটা জেন জি আন্দোলন শুরু হয়। তারপর সেই আন্দোলনেও তাজা রক্ত ঝরে। এই পরিস্থিতিতে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। আর এই দুই পরিস্থিতিতেই বারবার সামনে এসেছে ডিপ স্টেটের নাম। এই ডিপ স্টেটই নাকি আন্দোলনগুলির নেপথ্যে থেকেছে। করেছে সাহায্য।
যন্ত্রণায় রীতিমতো কাতরাচ্ছিলাম। ১ সপ্তাহ খেতে পারিনি শক্ত কোনও খাবার। কিছুটা অবহেলাই করেছিলাম। কিন্ত অবশেষে ছোট একটি সার্জারিতে আক্কেল দাঁতের সমস্যা মিটল। উপসর্গ থেকে রেমেডি এবং সর্বোপরি চিকিৎসা পদ্ধতি, সবটাই রইল বিস্তারিত...
লিওনেল মেসিকে আনা হয়েছিল দর্শকদের জন্যই। সাধারণ মানুষেরা ১০ হাজার, ১২ হাজার টাকা দিয়েও টিকিট কিনেছিল। আমি নিজেও ৫ হাজার টাকার টিকিট কিনেছি। কিন্তু তাঁরা মেসিকে দেখতে পেলেন না।
যে পরিবেশের মধ্যে আমরা দিনরাতের প্রতিটি মূহূর্ত কাটাই বার বার দেখে তার আকর্ষণ যায় কমে। তখন নেমে আসে একঘেঁয়েমি জনিত ক্লান্তি। মন তখন খুঁজে বেড়ায় বৈচিত্র। এই বৈচিত্রের সন্ধানেই মানুষ ভ্রমণে যায়। কখনো দেশে, কখনো বিদেশে, কখনো বা পাড়ি দেয় নিরুদ্দেশে। আর বাঙালি স্বভাবত ভ্রমণপ্রেমী। আর সেই ধারা যে বইছে আমার রক্তেও গত কয়েক বছরে তা ভালই বুঝতে পেরেছি। পুজো মিটতেই মনটা কেবল ঘুরতে যাই, ঘুরতে যাই করছে, কিন্তু যাব কোথায়? শেষপর্যন্ত ঠিক হল উত্তরাখণ্ডের কুমায়ুনে সপরিবারে যাওয়া যাক এবার। সেইমতো নভেম্বরে মাঝামাঝি টিকিট কাটা হল। ট্রেনে করে লালকুয়া জংশন সেখান থেকে গাড়ি করে নৈনিতাল।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তো ঘোষণাই করে দিলেন, যে ভাবে বিহার হয়ে বাংলায় বয়ে চলেছে গঙ্গা, তেমনই বিজেপি-র জয় পবিত্র গঙ্গা ধরেই এগোচ্ছে ও দিদিকে সাফ করে দেবে। খুব ভাল রূপক, কিন্তু বাস্তবটা কঠিন। রাজনৈতিক বাস্তবটা তো আরও কঠিন।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধন এই প্রথম নয়। অতীতেও একাধিকবার হয়েছে। নির্বাচন কমিশনই জানাল সাংবাদিক সম্মেলনে, অতীতে ৮ বার হয়েছে এই সংশোধন। সুতরাং স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বিষয়টি নতুন নয়। তাহলে 'ভয়ের রাজনীতি' ঠিক কীভাবে চলছে বাংলায়? এখানেই চোখে পড়ার বিষয়, মমতা কী ভাবে বিজেপি-কে বিজেপি-র অস্ত্রেই ঘায়েলের পন্থা নিয়েছেন?
কলকাতায় অসমীয়া সিনেমা কারা দেখতে আসবে? মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল প্রশ্নটা। অ্যাপে টিকিট বুক করতে গিয়ে দেখলাম প্রায় ফাঁকা হল। সিনেমা হলের 'সুবিধেজনক' জায়গাগুলোতে দুটো করে টিকিট বুক করা রয়েছে। এলেবেলে সিনেমার ক্ষেত্রে কলকাতায় সাধারণত যেমনটা হয়। কিন্তু রবিবার সামান্য দেরিতে নিউমার্কেটের পুরোনো সিঙ্গলক্রিনের অন্ধকারে পৌঁছে সেই ভুল ভাঙল।
সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী সময়ের উপর ছেড়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন,'আমরা পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধী শক্তিকে পাশে নিয়ে ভোটে যেতে চাই। তাহলেই বাংলার মানুষের আশা পূরণ হবে।' দু ক্ষেত্রেই 'গোল গোল' উত্তর। অর্থাত্ জোটের ইঙ্গিত স্পষ্ট নয়।