কোনও কর্পোরেট সংস্থার এগজিকউটিভ চাকরি হারালে তাঁর সামনে তৎক্ষণাৎ আয় করার এমন কোনও বিকল্প থাকে না। তাঁকে প্রথমেই সংসারের খরচ কমাতে হয়। একই সঙ্গে নতুন কিছু খরচও যোগ হয়। যেমন কোম্পানির গাড়ি চলে যাওয়ায় তাঁকে Uber ব্যবহার করতে হয়। সন্তানদের যাতায়াতের জন্যও Uber-এর খরচ বহন করতে হয়। এমনকি মোবাইল ফোনের বিলও তখন নিজের পকেট থেকেই দিতে হয়।
কিন্তু সেই তরুণ শিক্ষার্থী হয় তো জানতেন না, আন্তর্জাতিক কূটনীতির পরিপক্ব পিচে কীভাবে বল খেলতে হয় তা ভারতীয় দূতের নখদর্পণে। দীনেশ ত্রিবেদী প্রশ্নটি শুনে মোটেও বিচলিত বা উষ্মা প্রকাশ করলেন না, বরং অত্যন্ত সাবলীল ও স্মিত হাস্যে পুরো বিষয়টি এক তুড়িতে উড়িয়ে দিলেন।
ফেব্রুয়ারিতে তারেক রহমানের সরকার আসার পরে অনেকেই আশা করেছিলেন যে এবার জামাত বা শিবির নিয়ন্ত্রিত প্রশাসনের বদলে মানুষের স্বার্থে সরকার পরিচালিত হবে। কিন্তু খাস রাজধানী ঢাকায়, বা আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে মীরপুরের একটি টিকাদান কেন্দ্রে যেভাবে ভাঙচুর চালানো হয়েছে তা সকলকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে।
গণতন্ত্রে ভিন্নমত প্রকাশ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ নাগরিকের মৌলিক অধিকার। কিন্তু সেই অধিকার কখনও আইন, জননিরাপত্তা কিংবা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকে অগ্রাহ্য করার সুযোগ দেয় না। সাম্প্রতিক Cockroach Janta Party (CJP)-এর আন্দোলন শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; এটি গণতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক সীমারেখা এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে জাতীয় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও সামনে এসেছে একটি মৌলিক প্রশ্ন—প্রতিবাদের অধিকার কোথায় শেষ হয়, আর জননিরাপত্তা ও আইনের শাসন রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব কোথা থেকে শুরু হয়?
আজকের প্রজন্মের কাছে ওয়ান-ইলেভেন হয়তো ইতিহাসের একটি অধ্যায়, কিন্তু আমাদের কাছে এটি ছিল একটি জীবন্ত বাস্তবতা। আমরা দেখেছি কীভাবে জনগণের ভোটাধিকার, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে একটি অস্বাভাবিক ব্যবস্থার মাধ্যমে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।
সিপিএমের পর তৃণমূল সরকারও আমাকে রাজ্যে ফিরতে দেয়নি। আমার বইয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে, আমার টেলিভিশন সিরিয়ালের সম্প্রচার আটকে দেওয়া হয়েছে। একজন লেখকের বিরুদ্ধে এই আচরণ কেবল ব্যক্তি আক্রমণ নয়; এটি মুক্তচিন্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং প্রশ্ন করার অধিকারের বিরুদ্ধে অবস্থান। যে সমাজ লেখককে ভয় পায়, সে সমাজ আসলে স্বাধীন চিন্তাকেই ভয় পায়। আমি কলকাতায় ফিরতে চাই।
আমি মনে করি, একাধিক ভুল হয়েছে, মানুষ সেটা ভালো চোখে নেয়নি। যেমন চাকরি। চাকরির ক্ষেত্রটা ভয়ঙ্করভাবে মার খেয়েছে। মমতা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কী সব ঠিক কাজ করেছেন? উত্তর না, তিনি পারেননি। আমি এবার তৃণমূলকে ভোট দিয়েছি ঠিকই, কিন্তু আমি তৃণমূলের কাজে খুশি হতে পারিনি। দলের বহু কথা ও অ্যাটিটিউডে মানুষ ধাক্কা খেয়েছে।
বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটে ব্যাপক হারে ভোট দিল পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। দুপুর ৩টে পর্যন্তই এদিন ৭৮ শতাংশের বেশি ভোটদানের হার ছিল। সন্ধে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত কমিশনের হিসেব বলছে ভোটদানের হার ৯১.৭৪ শতাংশ।
এর মধ্যে সবচেয়ে বড় বিষয় হল জল। তিস্তা নদীর গুরুত্ব বাংলাদেশে অপরিসীম। বাংলাদেশের উত্তরের জেলাগুলিতে লাইফ লাইন বলা চলে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৭.৩ শতাংশ তিস্তার জলের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু তিস্তার জলবণ্টন চুক্তি এখনও অধরা।
কোতোয়ালির বাড়িতে গেলে যে মার্সিডিজটা চোখে পড়ে, সেই মার্সিডিজটায় এক সময় চড়তেন বাংলার রাজনীতির অবিসংবাদিত চরিত্র বরকত গণি খান চৌধুরী, যাঁকে নিয়ে বিতর্ক যতটা, ততটাই তাঁর রাজনীতির শিকড় গভীরে। শিকড় গভীরে বলেই তো বরকত গণি খান চৌধুরী মারা যাওয়ার পরেও অনায়াসে ডালুদা মালদার রাজনীতিতে রাজত্ব করলেন এবং তারপরে ঈশাও পৌঁছে গেলেন লোকসভায়।
২০২১ সাল ও ২০২৬ সাল। এর মাঝে গিয়েছে ২০২৪-এর লোকসভা ভোট। ন্যারেটিভে কি কিছু বদল ঘটেছে? না। ছাব্বিশের ভোটের ন্যারেটিভে আসলে যে বদল ঘটেছে, তা হল 'ঘুসপেটিয়া'। ঠিক এই শব্দবন্ধটি নিয়েই আমাদের একটু বিশ্লেষণ করা যাক।