তবে মূর্তির বিশালত্ব যতটা প্রশংসা কুড়িয়েছে, তার নকশা ততটাই সমালোচনার মুখে পড়েছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই অভিযোগ করেছেন, মূর্তির নিচের অংশে প্রয়োজনীয় শৈল্পিক সূক্ষ্মতার অভাব রয়েছে। কারও মতে, এটি মেসির প্রতিকৃতির চেয়ে বরং একটি বিমূর্ত ধাতব স্থাপনার মতো দেখাচ্ছে।
সোমবার শেষ হচ্ছে গ্রুপ পর্ব। তারপরই শুরু হবে হাড্ডাহাড্ডি রাউন্ড অফ ৩২। নকআউটে কারা কোয়ালিফাই করল। কার বিপক্ষে খেলবেন মেসি-রোনাল্ডো-নেইমাররা?
স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে ফেলতে পারতেন ভিনিশিয়াস জুনিয়র। তবে বিশ্বকাপে ব্রাজিল বনাম স্কটল্যান্ড ম্যাচে সাম্বা বাহিনীর একছত্র আধিপত্য নিয়ে জেতার থেকেও আলোচনার কেন্দ্রে এখন ভিনিশিয়াসের গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত। VAR নিয়ে নানা অভিযোগ বিভিন্ন সময় হয়েছে। আর বৃহস্পতিবারের পর, সেই বিতর্ক যে অন্য মাত্রা নেবে তা বলাই বাহুল্য।
দুই তারকারই শেষ হয়ত বিশ্বকাপ। বিশ্ব ফুটবলের দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দ্বৈরথ কি দেখা যাবে এবারের বিশ্বকাপে? সেটাই বড় প্রশ্ন ছিল সমর্থকদের মনে। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের তৃতীয় রাউন্ডে এসে সেই সম্ভাবনা কিছুটা হলেও উজ্জ্বল হচ্ছে। শীর্ষে থেকেই গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষ করতে চলেছে পর্তুগাল ও আর্জেন্টিনা। আর সেটাই এই ঐতিহাসিক ম্যাচের সম্ভাবনা আরও বাড়িয়েছে।
সময়টা ৯৮১ দিন। একটা সময় ব্রাজিল দল নেইমার জুনিয়রকে ছাড়া প্রায় অচল ছিল। আর সেই দলেই প্রায় ৩ বছর ব্রাত্য ছিলেন সেই নায়ক। পারফরম্যান্স কোনও দিনই সেভাবে সমস্যা ছিল না। ঝামেলা হচ্ছিল ফিটনেস নিয়ে। একের পর এক চোট নিয়ে নেইমার জেরবার। শেষ অবধি ভাঙা পায়েই খেল দেখালেন তারকা ফুটবলার। বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ম্যাচে নামলেন।
বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) শুরুটা নড়বড়ে হলেও, ব্রাজিল (Brazil) কিন্তু ছন্দ ফিরে পেয়েছে। অন্তত তাদের গত দুই ম্যাচের পারফরম্যান্স সেই ইঙ্গিতই শুধু জয় নয়, রীতিমত দাপট দেখিয়ে প্রতিপক্ষকে দাঁড়াতেই দেননি ভিনিশিয়াস জুনিয়ররা (Vinicus Jr)। স্বাভাবিকভাবেই গ্রুপ সি-তে শীর্ষে থেকেই রাউন্ড অফ ৩২তে খেলতে নামবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। তবে প্রশ্ন হল, রাউন্ড অফ ৩২-তে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা?
স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে জয় এবং সরাসরি নকআউটে পৌঁছে গেলেন সেলেকাওরা। নেপথ্য কারিগর সেই ভিনিসিয়াস জুনিয়র। আবারও তাঁর পা থেকে এল জোড়া গোল। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ঝলক দেখা গিয়েছে নেইমারেরও।
ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ১-১ ড্রয়ের পর রোনাল্ডোকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। ৪১ বছর বয়সী এই তারকা গোল করতে পারেননি, ফলে অনেকেই তাঁর বয়স ও দলে জায়গা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। এমন পরিস্থিতিতে উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে কার্যত সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দেন তিনি।
রোনাল্ডো তাঁর কেরিয়ারের ৯৭৫টির বেশি গোল করে ফেলেছেন, তার মধ্যে ১৪৭টি আন্তর্জাতিক গোল। রোনাল্ডো যতদিন ধরে খেলছেন, তাঁর জেনারেশনের প্রায় সবাই অবসরে চলে গিয়েছেন। ৪১ বছর বয়সের দোরগোড়ায় এখনও CR7-কে নিয়ে জোর চর্চা চলে।
৪১ বছর বয়সে Cristiano Ronaldo ফিফা বিশ্বকাপে এমন কীর্তি গড়লেন যা আগে কেউ পারেননি। গ্রুপ পর্বে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের ৬ ও ৩৯ মিনিটে জোড়া গোল করে তিনি প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৬টি আলাদা বিশ্বকাপে গোল করার নজির গড়ে ফেলেন। ২০০৬ থেকে ২০২৬ — টানা ২০ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে গোল করে ‘সিআর সেভেন’ প্রমাণ করলেন বয়স শুধুই সংখ্যা।
হ্যাটট্রিক পেয়েছেন লিওনেল মেসি। দুই ম্যাচে ৪ গোল করে ফেলেছেন কিলিয়ান এমবাপেও। আর দ্বিতীয় ম্যাচে খাতা খুললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই গোল পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল পর্তুগাল। প্রথম ম্যাচ ড্র হওয়ার পরে, চাপ বাড়ছিল পর্তুগাল শিবিরের উপর। চাপ পুরোটাই যেন শুষে নিলেন সিআর সেভেন। নিজে গোল করলেন, ক্যাপ্টেনের মতো নুনো মেন্দেসকে সুযোগ করে দেন গোল করার।