কলকাতায় লেকটাউন মোড়ে স্থাপিত ৭০ ফুট উচ্চতার লিওনেল মেসির মূর্তি সরানো হচ্ছে। প্রবল হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় সেটিকে বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত করেছেন ইঞ্জিনিয়াররা। সেই কারণেই প্রশাসনের তরফে মূর্তিটি সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ অর্থাত্ সোমবার সকালেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দুটি হাইড্রোলিক ক্রেন। মূর্তির সামনে উপস্থিত রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার, প্রযুক্তিবিদ এবং কর্মীরা। ক্রেনের সাহায্যে মূর্তি অপসারণের প্রাথমিক কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর লেকটাউন মোড়ে ফাইবারগ্লাসের এই বিশাল মেসি মূর্তিটি বসানো হয়েছিল। সেদিন কলকাতায় এসেছিলেন ফুটবল তারকা লিউনেল মেসি। তিনি একটি পাঁচতারা হোটেল থেকে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। এরপর থেকেই মূর্তিটি ওই মোড়ে স্থায়ীভাবে স্থাপন করা ছিল। কিছুদিন আগে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, জোরালো বাতাসে মূর্তিটি দুলছে। বিষয়টি জানানো হয় লেকটাউন থানাকে। এরপর একটি বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারিং দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়। পরিদর্শনের পর ইঞ্জিনিয়াররা নিশ্চিত হন যে মূর্তিটি সত্যিই দুলছে এবং তা জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এরপরই দ্রুত অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিভিন্ন সংস্থার ইঞ্জিনিয়াররা মূর্তির কাঠামো পরীক্ষা করেন এবং দুর্ঘটনা এড়াতে সেটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল।
ভিআইপি রোডের লেকটাউন মোড়ে বিপজ্জনক লিওনেল মেসির ৪৪ ফুট উঁচু মূর্তি সরানোর কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। সোমবার সেই কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি মূর্তিটি হাওয়ায় দুলছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়লে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সেটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল। সোমবার সকাল থেকে মূর্তি অপসারণের প্রস্তুতি শুরু হয়।
ভারতীয় ফুটবলে রোডম্যাপের অভাব ক্রমশ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আগামী ১৫ জুলাই থেকেই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ডুরান্ড কাপের। সেক্ষেত্রে প্রাক-মরসুমের জন্য প্রয়োজন অন্তত চার সপ্তাহ। কিন্তু যতক্ষণ না রোডম্যাপ নির্ধারিত হচ্ছে ততক্ষণ দল গড়তেই হিমশিম খাচ্ছে আইএসএল ক্লাবগুলি।
সন্তোষ ট্রফি ২০২৪-২৫ মরসুমে কোচ সঞ্জয় সেনের কোচিং-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলা। আনন্দ-উৎসব, একাধিক সংবর্ধনা, রবি হাঁসদাদের স্বপ্নের মতো কেটেছিল সেই সময়টা। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তৎকালীন রাজ্য সরকারের অধীনে ২১ জন ফুটবলারকে চাকরি দিয়েছিলেন। তবে সেই চাকরিই এখন প্রশ্নের মুখে। কারণ, পুলিশের চাকরি কোর্টে হলে, পেশাদার কোনও ক্লাবে খেলা যাবে না। এমনটাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সম্ভবত ইমামি ইস্টবেঙ্গলের কোচ থাকছেন না অস্কার ব্রুজো। আইএসএল শেষ হওয়ার আগেই ক্লাব ছাড়ার কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন অস্কার। তবে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর কোচকে রাখার জন্য তদ্বির করতে থাকেন কর্তারা। যদিও অস্কার রাজি হননি বলেই সূত্রের খবর।
ইমামি ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) কোচ হয়ত থাকছেন না অস্কার ব্রুজো (Oscar Bruzon)। পরের মরসুমের রোড ম্যাচ পরিস্কার না হওয়ায়, আইএসএল শেষ হওয়ার আগেই ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন অস্কার। তবে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেই পরিস্থিতি বদলে যায়। লাল-হলুদ ক্লাব চেষ্টা করতে থাকে কোচকে রেখে দেওয়ার। তবে তাতে 'পেশাদার' কোচ অস্কার রাজি হননি বলেই সূত্রের খবর।
ভারতীয় ফুটবলের রোডম্যাপ কী তা স্পষ্ট না হলেও, পরের মরসুমের দল গঠনের কাজ শুরু করে দিল মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। শোনা যাচ্ছে তিন বিদেশির সঙ্গে কথা বলা শুরু করে দিয়েছে সুপার জায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট। তবে কোচ কে হবেন তা এখনও ঠিক কোর্টে পারেনি সবুজ-মেরুন। কারণ যাদের সঙ্গে কথা হচ্ছে, সকলেই রোড ম্যাপের ব্যাপারে জানতে চাইছেন।
Lionel Messi Kolkata Tour Controversy: গত ১৭ই মে বিধাননগর কমিশনারেটে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ গুরুতর অভিযোগ এনেছিলেন শতদ্রু বাবু। তাঁর দাবি, ওই ইভেন্টের প্রায় ২২ হাজার টিকিট দেদার কালোবাজারি করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। শুধু তাই নয়, প্রভাব খাটিয়ে ও গা জোয়ারি করে অনুমতি ছাড়াই মাঠে নেমে মেসিকে ছেঁকে ধরা, ইচ্ছাকৃতভাবে ইভেন্টের নিরাপত্তায় গাফিলতি করা এবং জুঁই বিশ্বাসের নাম জড়িয়েও একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন তিনি।
২০৩০-এও বিশ্বকাপেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে (Cristiano Ronaldo) দেখা যেতে পারে? সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না পর্তুগালের (Portugal) হেডকোচ রবার্তো মার্টিনেজ (Robarto Martinez)। এ বছরের বিশ্বকাপ আমেরিকা, মেক্সিকো ও কানাডাতে অনুষ্ঠিত হলেও, পরেরবার তা আয়োজন করবে মরক্কো, পর্তুগাল ও স্পেন। অর্থাৎ নিজের দেশে অনুষ্ঠিত হতে চলা বিশ্বকাপেও সিআর সেভেনকে দেখা যেতে পারে। সেই সময় যদিও তাঁর বয়স হবে ৪৫ বছর। আর সেটা হলে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলে ফেলবেন পর্তুগিজ তারকা।
২২ বছর পর আইএসএল জিতেছে ইস্টবেঙ্গল। সেলিব্রেশনে মেতে উঠেছেন লাল-হলুদ জনতা। তারই এক ঝলক দেখা গেল কোন্নগরে। ইস্টবেঙ্গল ফ্যানস ক্লাবের উদ্যোগে শহর জুড়ে বিরাট সু-সজ্জিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহকারে বিজয় উৎসব উদযাপন করা হলো। দেখুন সেই ভিডিও
দল গঠন নিয়ে ইমামি ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের একটা সভা হয়েছে। সোমবার আরও একবার আলোচনায় বসবে ইস্টবেঙ্গল এফসি ম্যানেজমেন্ট। তার পরেই হয়তো শুরু হবে নতুন মরসুমের টিম গঠনের কাজ। তবে সমস্যা শুরু হয়ে গিয়েছে তার আগেই। দল গঠনের ক্ষেত্রে গত মরসুমের ক'জন ফুটবলারকে ধরে রাখা যাবে সেটা নিয়েই চাপে ম্যানেজমেন্ট।