টুটু বসুকে শেষশ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন,'টুটুবাবু মানেই মোহনবাগান। মোহনবাগান মানেই টুটু। মোহনবাগান সমর্থকদের কাছে আবেদন করছি, আপনারা মোহনবাগান ক্লাবকে এগিয়ে নিয়ে যান'।
'শরীরটা ভেঙে যাচ্ছে। হয়তো তোদের সঙ্গে আর দেখা হবে না। একটা কাজ কিন্তু আমি করে যাচ্ছি। ১৯টা লাইফ মেম্বার হচ্ছে। ২০ নম্বর লাইফ মেম্বার পরজন্মে যেন টুটু বোস হয়'।
বিরক্তিকর ফুটবল। বাঙালি কোচ অভিজিৎ মন্ডলের মস্তিস্ক আটকে দিল জেসন কামিন্স, জেমি ম্যাকলরেনদের। ফলে লিগ জয়ের অঙ্ক আরও কঠিন করে ফেলল মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। রবিবারের ডার্বির আগে চাপ বাড়লো ফুটবলারদের উপর। দুই দলই এখনও ২২ পয়েন্টে।
আশঙ্কা সত্যি হল। ভারতীয় ক্রীড়াপ্রশাসনের জগতে নক্ষত্র পতন। প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বসু, ওরফে টুটু বসু। মঙ্গলবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কলকাতা ময়দানের এই ডাকাবুকো কর্তা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
গুরুতর অসুস্থ হয়ে বেলভিউ হাসপাতালে ভর্তি স্বপনসাধন বসু, ওরফে টুটু বসু। সোমবার রাতে 'মোহনবাগান রত্ন' ৭৮ বছর বয়সী টুটু বসু কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এখন তাঁকে রাখা হয়েছে ভেন্টিলেশনে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ঘরের মাঠে পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে ড্র করে আইএসএল আরও জমিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। শীর্ষে থাকলেও, তা পোক্ত হল না লাল-হলুদের। মঙ্গলবার মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট ইন্টার কাশীকে হারিয়ে দিলেই শীর্ষে উঠে আসবে। মোট তিনবার পোস্টে বল লাগা ছাড়া বিরাট কিছুই হয়নি ম্যাচে। দুই প্রান্ত থেকে সেভাবে আক্রমণ হয়নি, হয়নি কোনও দুর্দান্ত ড্রিবল।
শনিবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে জেতা ম্যাচ ড্র করে চাপ বেড়ে গিয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের। বিশেষ করে যখন সমসংখ্যক ম্যাচে সমান পয়েন্ট পেয়ে চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল রয়েছে লিগ টেবলের শীর্ষে। সেখানে মোহনবাগান রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। ঠিক এমন পরিস্থিতিতেও দল চাপে রয়েছে মানছেন মোহনবাগান কোচ সার্জিও লোবেরা। বরং লিগের নিয়ন্ত্রণ এখনও তাঁদের হাতেই রয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।
আজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পঞ্জাব এফসি-র মুখোমুখি হতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল এফসি। ম্যাচ হারলে বা ড্র করলেই আইএসএল জেতার আশা শেষ হয়ে যেতে পারে। শীর্ষে থাকলেও মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান নেই। যা আছে তা শুধুই গোল পার্থক্য। ফলে ডার্বি তো বটেই, বাকি দুই ম্যাচও খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেই ম্যাচের আগে সতর্ক কোচ অস্কার ব্রুজো। মনে করালেন সুপার কাপের কথা।
ইস্টবেঙ্গল হেড কোচ অস্কার ব্রুজোর এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে ময়দানে। নাম করে অস্কার তিন প্রাক্তন ফুটবলারকে 'ক্যানসার' ও 'দালাল বলায় রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসছেন লাল-হলুদের প্রাক্তনী আলভিটো ডি'কুনহা, রহিম নবী ও সন্দীপ নন্দী। প্রত্যেকেই কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন কোচকে।
পরের মরসুমে তিনি থাকছেন না তা আগেই জানিয়ে দিয়েছেন অস্কার ব্রুজো। ফলে শেষ মুহূর্তে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে চলেছেন ইস্টবেঙ্গল হেডকোচ। পঞ্জাব এফসি-র বিরুদ্ধে ম্যাচে নামার আগে আরও একবার সেই কাজটাই ফের করলেন লাল-হলুদ কোচ। তিন প্রাক্তন ফুটবলারকে আক্রমণ করলেন তিনি। আইএসএল-এর খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এই মন্তব্যে ঝড় উঠেছে সমর্থকদের মধ্যে।
ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সাপ লুডোর খেলায় দারুণ জায়গায় ইস্টবেঙ্গল। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট ড্র করায় শীর্ষস্থান পাকা হয়েছে। গোল পার্থক্যের বিচারে এক নম্বরে লাল-হলুদ। ফলে ডার্বি না জিতলেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারে ইস্টবেঙ্গল। তবে সেক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে। তাই জেনে নেওয়া যাক কীভাবে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে অস্কার ব্রুজোর দল?