আইএসএল ট্রফি হাতছাড়া হওয়ার পরেই সের্জিও লোবেরার বিদায় নিয়ে গুঞ্জন উঠতে শুরু করে দিয়েছে ময়দানে। দলের ফুটবলারদের একাংশ কোচের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে অসন্তোষের কথা জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই হয়ত পরের মরসুমে দলের সঙ্গে থাকবেন না। তবে কোচের প্রতি তাঁদের ক্ষোভ একেবারেই অন্য মাত্রা যোগ করেছে।
আইএসএল-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া গেল না শনিবারের বিশেষ এক্সিকিউটিভ কমিটির সভায়। আর এর পরেই মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট সাত ফুটবলার ইউনিটি কাপের জন্য ছাড়বে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। ফিফা উইন্ডোর মধ্যে না থাকায়, এই সিদ্ধান্ত নিল ক্লাব।
তাঁর শেষ মুহূর্তের সেভ বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) এনে দিয়েছিল আর্জেন্টিনাকে (Argentina)। আর ঠিক চার বছর পর, এমিলিয়ানো মার্টিনেজের (Emiliano Martinez) বিশ্বকাপ খেলা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়ে গেল। ইউরোপা লিগের ফাইনালে সেই চোট নিয়েই খেলতে নেমেছিলেন এমিলিয়ানো। এমনটাই শোনা যাচ্ছে। তাঁর দল অ্যাস্টন ভিলা চ্যাম্পিয়ন হলেও, বিশ্বকাপে তাঁর খেলা নিয়ে সমস্যা বাড়ল।
বিশ্বকাপ ফুটবল কোন চ্যানেলে দেখা যাবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা চলছিল অনেকদিন ধরেই। কোনও সম্প্রচারকারী সংস্থাই বিশ্বকাপ দেখারনোর জন্য এগিয়ে আসেনি। তবে এবার মনে করা হচ্ছে, পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে। মনে করা হচ্ছে, পরের সপ্তাহেই পরিষ্কার হতে পারে চিত্র। এআইএফএফ-এর প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক শাজি প্রভাকরণ বড় খবর দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে তাঁর এই পোস্ট আশ্বস্ত করেছে ফুটবলপ্রেমীদের।
২০১৭ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের আয়োজন করেছিল ভারত। ফাইনাল ম্যাচ আয়োজিত হয়েছিল যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। সেই টুর্নামেন্টের আগেই ঢেলে সাজানো হয়েছিল গোটা স্টেডিয়াম। আর ভিআইপি গেটের বাইরে একটা মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল। ৪ মে সরকার বদল হওয়ার পরেই, সেই মূর্তি ভেঙে ফেলার কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক। শনিবার সেই মূর্তি ভেঙে ফেলা হল।
মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট রানার্স হতেই, কোচের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনলেন দলের দুই ফুটবলার। দুই তারকাই এবার দল ছাড়তে চলেছেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি নবীকরনের সম্ভাবনা নেই। ফলে দল ছাড়ার আগে মোহনবাগানের ব্যর্থতার জন্য রবসন রবিনহো ও জেসন কামিন্স মুখ খুললেন কোচ সের্জিও লোবেরার বিরুদ্ধে। অন্যদিকে চুক্তি থাকলেও রবসন রবিনহোও তাঁর কোচিং পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন করেছেন।
চোট পেয়ে আইপিএল এবারের মতো শেষই হয়ে গেল অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর।চলতি মরশুমে আইপিএলে কেকেআরের সর্বোচ্চ স্কোরার তিনি। ১৩ ম্যাচে করেছেন ৪২২ রান। কেকেআর যে শেষ ৭ ম্যাচের মধ্যে ৬টি জিতে প্লে অফের দৌড়ে রয়েছে, তার জন্য অঙ্গকৃষের ধারাবাহিক ভালো ব্যাটিং অন্যতম কারন।রবিবার দিল্লি ক্যাপিট্যালসের বিরুদ্ধে খেলবে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
ইস্টবেঙ্গলের প্রথম আইএসএল ট্রফি জয়ের সেলিব্রেশনে সামিল আট থেক আশি সকলেই। সুদূর বসিরহাট থেকে সেলিব্রেশনের সাক্ষী থাকতে যেমন ক্লাব তাঁবুতে চলে এসেছেন ৭৭ বছরের কল্পনা চক্রবর্তী, তেমনই সামিল হয়েছে ছোট্ট শিশুও। দুধের শিশুকে লাল-হলুদ জার্সি পরিয়ে মাঠে নিয়ে এসেছেন তাঁর বাবা। সব মিলিয়ে ইস্টবেঙ্গলের সেলিব্রেশনে মিলে মিশে একাকার সকলেই।
ইস্টবেঙ্গল আইএসএল চ্যাম্পিয়ন। প্রথমবার এই ট্রফি পেল লালহলুদ। শুক্রবার ময়দানে ক্লাব তাবুতে চলল সেলিব্রেশন। হাজির হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী দীপ্তিসা ধর। তাঁর কথায়,'দীর্ঘ অপেক্ষার পর কাঙ্ক্ষিত ট্রফি জয়'।
২২ বছর আগে শেষবার ইস্টবেঙ্গল যখন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তখন দলের কোচ ছিলেন, সুভাষ ভৌমিক। আর আজ যখন দেশের সেরা ক্লাব হিসেবে ক্যাবিনেটে ট্রফি তুলছে লাল-হলুদ, তখন তিনি নেই। ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা মিস করছেন তাঁর বন্ধুকে। তবে শুধু সুভাষ ভৌমিক নয়, ইস্টবেঙ্গল জনতা মিস করছে আরেক কোচ পিকে বন্দোপাধ্যায়কেও। এ ব্যাপারে দেবব্রত বলেন, 'সুভাষবাবুকে আমি মিস করি, নট টুডে, এভরি ডে মিস করি। প্রদীপদা, সুভাষদাকে রোজ মিস করে।'
বাইশ বছর। এই বাইশ বছরই মিলিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল আর ইংল্যান্ডের আর্সেনালকে। প্রথম আইএসএল ট্রফি ঘরে তুলল লাল-হলুদ। একটা আস্ত প্রজন্ম বদলে যাওয়ার জন্য এই দুটো দশক যথেষ্ট। তাই আজকের ইস্টবেঙ্গলের জেন জি সমর্থকদের কাছে আগেরবারের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মৃতিটুকুও নেই। একই কথা প্রযোজ্য আর্সেনালের জন্যও। তবুও সমর্থকদের ধল নামে দুই ক্লাবের ম্যাচেই।