২২ বছর আগে শেষবার ইস্টবেঙ্গল যখন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তখন দলের কোচ ছিলেন, সুভাষ ভৌমিক। আর আজ যখন দেশের সেরা ক্লাব হিসেবে ক্যাবিনেটে ট্রফি তুলছে লাল-হলুদ, তখন তিনি নেই। ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা মিস করছেন তাঁর বন্ধুকে। তবে শুধু সুভাষ ভৌমিক নয়, ইস্টবেঙ্গল জনতা মিস করছে আরেক কোচ পিকে বন্দোপাধ্যায়কেও। এ ব্যাপারে দেবব্রত বলেন, 'সুভাষবাবুকে আমি মিস করি, নট টুডে, এভরি ডে মিস করি। প্রদীপদা, সুভাষদাকে রোজ মিস করে।'
বাইশ বছর। এই বাইশ বছরই মিলিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল আর ইংল্যান্ডের আর্সেনালকে। প্রথম আইএসএল ট্রফি ঘরে তুলল লাল-হলুদ। একটা আস্ত প্রজন্ম বদলে যাওয়ার জন্য এই দুটো দশক যথেষ্ট। তাই আজকের ইস্টবেঙ্গলের জেন জি সমর্থকদের কাছে আগেরবারের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মৃতিটুকুও নেই। একই কথা প্রযোজ্য আর্সেনালের জন্যও। তবুও সমর্থকদের ধল নামে দুই ক্লাবের ম্যাচেই।
২২ বছরের খরা কাটল। ইস্টবেঙ্গল ক্লাব ফের চ্যাম্পিয়ন। এর আগে কার্লেস কুয়াদ্রাতের হাত ধরে এসেছিল সুপার কাপের ট্রফি। আর এবার লিগ ঢুকল আরেক স্প্যানিয়াড অস্কার ব্রুজো লাল-হলুদ জনতাকে দিলেন আরও একবার ভারতসেরা হওয়ার মুহূর্ত। তবে শেষ দুই ম্যাচের আগে অস্কার হঠাৎ করেই জানিয়ে দেন তিনি আর পরের মরসুমে থাকছেন না। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কি সিদ্ধান্ত বদল করবেন?
২২ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ভারতসেরা ইস্টবেঙ্গল। কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে উড়ল লাল-হলুদ আবির। স্টেডিয়ামের ব্যালকনিতে ট্রফি জয়ের আনন্দে ভাসলেন রশিল, মিগুয়েলরা। গোটা মাঠে জুড়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। আইএসএল জয়ের পর ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবুতেই সুসজ্জিত ট্রফি।
লাল-হলুদ দল তাদের শেষ লিগ ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। চাপের মুখে অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের স্ক্রিপ্ট লিখে লিগ জয় করল তাঁরা। ম্যাচ শেষে হাজার হাজার ইস্টবেঙ্গল সমর্থক উল্লাসে ফেটে পড়ে।
ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল জয়ের সেলিব্রেশনের মধ্যেই, ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুললেন এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে। প্রায় আট বছর সংবিধান সংশোধন নিয়ে মামলা চলছে। আর সে কারণেই ভারতীয় ফুটবলে তার প্রভাব পড়ছে বলে মনে করেন কল্যাণ। যদিও পরের মরসুমে আইএসএল আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদী সভাপতি।
ইস্টবেঙ্গল যখন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে আত্মহারা, সেই সময়ই হতাশা মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট শিবিরে। পয়েন্টের বিচারে না হলেও, গোল পার্থক্যের বিচারে শীর্ষে থেকে লিগ শেষ করেছে লাল-হলুদ। তবুও হার তো হারই। স্ট্রাইকারদের ভুরি ভুরি গোল মিস যদি এর অন্যতম কারণ হয়, তবে দায় এড়াতে পারেন কোচ সের্জিও লোবেরা। এর আগেও, ফুটবলারদের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ দেখা গিয়েছে কর্তা থেকে সমর্থকদের মধ্যে। আড় এবার অল্পের জন্য লিগ হাতছাড়া হওয়ার পর কোচের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন সবুজ-মেরুন ক্লাবের সভাপতি দেবাশিস দত্ত।
২২ বছরের খরা কাটল। ইস্টবেঙ্গল ক্লাব ফের চ্যাম্পিয়ন। এর আগে কার্লেস কুয়াদ্রাতের হাত ধরে এসেছিল সুপার কাপের ট্রফি। আর এবার লিগ ঢুকল আরেক স্প্যানিয়াড অস্কার ব্রুজো লাল-হলুদ জনতাকে দিলেন আরও একবার ভারতসেরা হওয়ার মুহূর্ত। তবে শেষ দুই ম্যাচের আগে অস্কার হঠাৎ করেই জানিয়ে দেন তিনি আর পরের মরসুমে থাকছেন না। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কি সিদ্ধান্ত বদল করবেন?
চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল। ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়লেও জিতে মাঠ ছাড়ল লাল-হলুদ। ২২ বছর পর ভারতসেরা ইস্টবেঙ্গল।ম্যাচের পরেই গোটা কিশোর ভারতীর দখল নিল লাল-হলুদ জনতা। আনন্দে ফেটে পড়েছেন তাঁরা।
কয়েক সপ্তাহ পরে বিশ্বকাপ ফুটবল। ভারতের ফুটবলপ্রেমীরা কি বিশ্বকাপ দেখতে পাবেন? এখনও বিস্তর ধোঁয়াশা। ঠিক নেই। এবার ভারতের সরকারি সংস্থা প্রসার ভারতীও হাত তুলে নিল। দিল্লি হাইকোর্টকে তারা জানাল, বিশ্বকাপ দেখানোর স্বত্ব নেওয়ার বিষয়ে তারা দায়িত্ব নেবে না।
ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের মধ্যে পয়েন্টের ব্যবধান নেই। শুধু গোল পার্থক্যে এগিয়ে লাল-হলুদ। মোহনবগান সুপার জায়েন্টকে সেখানে অপেক্ষা করতে হবে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচের ফলের উপর। এমন ঘটনা ঘটেছিল প্রায় ২৫ বছর আগে। ২০০০-২০০১ মরসুমেও পরিস্থিতি প্রায় একই রকম ছিল। প্রথম জাতীয় লিগ জিতে সেবার নজির গড়েছিল ইস্টবেঙ্গল। আর এবার তাদের সামনে ২২ বছরের খরা কাটানোর সুযোগ।