দীর্ঘ ২২ বছর পর ট্রফি জেতার আনন্দে মেতে ওঠা ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা হতাশ হবেন। সামনেই এএফসি কাপ খেলতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে তবে তার আগে এই সমস্যা সমাধান হওয়া খুব জরুরী ছিল।
তিনি আরও লেখেন, 'মরসুম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ৩১ মে অনেক খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফুটবল অনেক সময় জীবনের মতোই।'
বিপজ্জনক মেসির মূর্তি সরিয়ে ফেলল রাজ্য সরকার। লেকটাউনে এই মূর্তি বসানো হলেও, সম্প্রতি মূর্তিটি হাওয়ায় দুলছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়লে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সেটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল। সোমবার সকাল থেকে মূর্তি অপসারণের প্রস্তুতি শুরু হয়। ঘটনাস্থলে আনা হয় একাধিক ক্রেন ও সিঁড়ি। মূর্তির এক পাশে বাঁশের খাঁচাও তৈরি করা হচ্ছে, যাতে অপসারণের কাজ নিরাপদে সম্পন্ন করা যায়। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মূর্তিটি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। অপসারণের সময় যাতে মূর্তির কোনও ক্ষতি না হয়, সে বিষয়েও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। বড় ট্রাকে করে ৭০ ফুটের এই মূর্তি সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। গোটা রাস্তায় প্রচুর মানুষ এই স্ট্যাচুর ছবি তুলতে থাকেন।
আর মাত্র কয়েকদিন পরেই শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। এতদিন ধরে ধোঁয়াশা ছিল, এই বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) ভারতে দেখা নিয়ে। তবে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সামনে এসেছে। যা ভারতীয় ফুটবল ফ্যানদের (Indian Football Fans) জন্য দারুণ খবর। কারণ, জি এন্টারটেনমেন্টে (ZEE Entertainment) দেখা যাবে এবারের বিশ্বকাপ। এখন প্রশ্ন হল, সেক্ষেত্রে এই গোটা টুর্নামেন্ট দেখতে কত টাকা দিতে হবে? আর কারা ফ্রিতে দেখতে পাবেন?
জি এন্টারটেনমেন্টে দেখা যাবে এবারের বিশ্বকাপ। খেলা শুরু হওয়ার ১০ দিন ঠিক হয়ে গেল কোন চ্যানেলে দেখা যাবে বিশ্বকাপ। যার ফলে ভারতে টুর্নামেন্টটি কোথায় দেখা যাবে তা নিয়ে কয়েক মাসের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটল। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেন ফুটবলপ্রেমীরা। দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বকাপ কোথায় দেখা যাবে তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছিল।
কলকাতায় লেকটাউন মোড়ে স্থাপিত ৭০ ফুট উচ্চতার লিওনেল মেসির মূর্তি সরানো হচ্ছে। প্রবল হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় সেটিকে বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত করেছেন ইঞ্জিনিয়াররা। সেই কারণেই প্রশাসনের তরফে মূর্তিটি সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ অর্থাত্ সোমবার সকালেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দুটি হাইড্রোলিক ক্রেন। মূর্তির সামনে উপস্থিত রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার, প্রযুক্তিবিদ এবং কর্মীরা। ক্রেনের সাহায্যে মূর্তি অপসারণের প্রাথমিক কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর লেকটাউন মোড়ে ফাইবারগ্লাসের এই বিশাল মেসি মূর্তিটি বসানো হয়েছিল। সেদিন কলকাতায় এসেছিলেন ফুটবল তারকা লিউনেল মেসি। তিনি একটি পাঁচতারা হোটেল থেকে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। এরপর থেকেই মূর্তিটি ওই মোড়ে স্থায়ীভাবে স্থাপন করা ছিল। কিছুদিন আগে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, জোরালো বাতাসে মূর্তিটি দুলছে। বিষয়টি জানানো হয় লেকটাউন থানাকে। এরপর একটি বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারিং দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়। পরিদর্শনের পর ইঞ্জিনিয়াররা নিশ্চিত হন যে মূর্তিটি সত্যিই দুলছে এবং তা জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এরপরই দ্রুত অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিভিন্ন সংস্থার ইঞ্জিনিয়াররা মূর্তির কাঠামো পরীক্ষা করেন এবং দুর্ঘটনা এড়াতে সেটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল।
ভিআইপি রোডের লেকটাউন মোড়ে বিপজ্জনক লিওনেল মেসির ৪৪ ফুট উঁচু মূর্তি সরানোর কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। সোমবার সেই কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি মূর্তিটি হাওয়ায় দুলছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়লে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সেটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল। সোমবার সকাল থেকে মূর্তি অপসারণের প্রস্তুতি শুরু হয়।
ভারতীয় ফুটবলে রোডম্যাপের অভাব ক্রমশ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আগামী ১৫ জুলাই থেকেই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ডুরান্ড কাপের। সেক্ষেত্রে প্রাক-মরসুমের জন্য প্রয়োজন অন্তত চার সপ্তাহ। কিন্তু যতক্ষণ না রোডম্যাপ নির্ধারিত হচ্ছে ততক্ষণ দল গড়তেই হিমশিম খাচ্ছে আইএসএল ক্লাবগুলি।
সন্তোষ ট্রফি ২০২৪-২৫ মরসুমে কোচ সঞ্জয় সেনের কোচিং-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলা। আনন্দ-উৎসব, একাধিক সংবর্ধনা, রবি হাঁসদাদের স্বপ্নের মতো কেটেছিল সেই সময়টা। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তৎকালীন রাজ্য সরকারের অধীনে ২১ জন ফুটবলারকে চাকরি দিয়েছিলেন। তবে সেই চাকরিই এখন প্রশ্নের মুখে। কারণ, পুলিশের চাকরি কোর্টে হলে, পেশাদার কোনও ক্লাবে খেলা যাবে না। এমনটাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সম্ভবত ইমামি ইস্টবেঙ্গলের কোচ থাকছেন না অস্কার ব্রুজো। আইএসএল শেষ হওয়ার আগেই ক্লাব ছাড়ার কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন অস্কার। তবে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর কোচকে রাখার জন্য তদ্বির করতে থাকেন কর্তারা। যদিও অস্কার রাজি হননি বলেই সূত্রের খবর।
ইমামি ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) কোচ হয়ত থাকছেন না অস্কার ব্রুজো (Oscar Bruzon)। পরের মরসুমের রোড ম্যাচ পরিস্কার না হওয়ায়, আইএসএল শেষ হওয়ার আগেই ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন অস্কার। তবে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেই পরিস্থিতি বদলে যায়। লাল-হলুদ ক্লাব চেষ্টা করতে থাকে কোচকে রেখে দেওয়ার। তবে তাতে 'পেশাদার' কোচ অস্কার রাজি হননি বলেই সূত্রের খবর।