বিধানসভা নির্বাচনের গণনার পর থেকেই উত্তরবঙ্গের দুই জেলা আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে রাজনৈতিক হিংসার খবর মিলছে। একাধিক রাজনাতিক কর্মী খুন, প্রাক্তন বিধায়ক ও পরাজিত প্রার্থীর উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। ফলে এলাকায় অস্থিরতা অব্যাহত।
ভোটের ফলাফল সামনে আসতেই তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল শিলিগুড়ির টিকিয়াপাড়া এলাকা। রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসতে চলেছে। ভোটগণনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেই ফলাফল সামনে আসার পর বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের তরফে উচ্ছাসে মাতেন কর্মী সমর্থকেরা।
কেরলে ফের সরকার গড়তে চলেছে পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ। সব সমীক্ষায় এই ইঙ্গিত দিয়েছে।
কংগ্রেসের পরাজয়ে আদৌ কি শেষ হয়ে যাবে কংগ্রেস দলের অস্তিত্ব? এমন প্রশ্নের উত্তরে শশী থারুর বললেন, পরাজয়ের কারণে কখনই দলের অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাবে না। তিনি আরও যোগ করেন, এই দলে এবার রণনীতি পরিবর্তন করার সময় এসে গেছে।
মঙ্গলবার তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ ছিল বাংলায়। মোটের ওপর শান্তিতেই হয়েছে মিটেছে ভোটপর্ব। এমনটাই দাবি করছে নির্বাচন কমিশন। এখনও বাকি আরও ৫ দফার ভোট। এদিন পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গেই ভোট ছিল আরও ৩ রাজ্য ও এক কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে। সব মিলিয়ে ৬৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে।
লোকসভা নির্বাচনে মোদীর কাছে পরাজিত হওয়ার পরই দলের প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব ছাড়েন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। আর এরপর থেকেই কংগ্রেস সভাপতি পদ এখনও সরকারিভাবে 'ফাঁকা'। অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি পদে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কেরালা ও তামিলনাড়ুর নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে কংগ্রেসের জন্য।
Assembly Election 2021|তামিলনাড়ুতে ২৩৪ আসন, অসমে ৪০টি, পশ্চিমবঙ্গে ও পুদুচেরির ৩০টি করে আসনে ভোটগ্রহণ। বিধানসভা নির্বাচন ছাড়াও, দুটি লোকসভা আসন মলপ্পুরম ও কন্যাকুমারীতেও ভোটগ্রহণ।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই ভোটগ্রহণ শুরু হচ্ছে দেশের সবচেয়ে শিক্ষিত রাজ্যের। কেরল বিধানসভা ১৪০টি আসনে একদিনেই হচ্ছে ভোটগ্রহণ। কেরল বিধানসভায় মূল লড়াই হতে চলেছে ক্ষমতাশীন এলডিএফ এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোটের মধ্যে। এবার এই দক্ষিণের রাজ্যকে পাখির চোখ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টিও। নিয়মিত প্রচারে এসেছেনে মোদী-শাহ-নাড্ডারা।
কেরলে মূল লড়াই সিপিআই(এম) নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্টের মধ্যে। আগামী ৬ তারিখ এক দিনেই ১৪০টি বিধানসভায় ভোট।। কেরল বিধানসভায় বিজেপির একমাত্র বিধায়ক ও দলের বড় নেতা ও রাজগোপাল। দক্ষিণের এই রাজ্যে ৪৫ শতাংশ মুসলিম ও খ্রিস্টান জনসংখ্যার কারণে এখানে বিজেপির পক্ষে মেরুকরণের তাস খুব একটা ফলপ্রসূ হবে না। তা সত্ত্বেও, রাজ্যে বিজেপির ভোট শতাংশ বৃদ্ধি বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বের কপালে ভাজ ফেলেছে।
হুমকি ও হুঁশিয়ারির জেরে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে আসতে বাধ্য হলেন অনন্যা কুমারী অ্যালেক্স। তিনি জানান যে প্রার্থী হওয়ার পর তাঁকে মানসিকভাবে নির্যাতন হতে হয়েছিল। ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যাল জাস্টিস পার্টির (ডিএসজেপি) নেতাদের কাছ থেকে মৃত্যুর হুমকি পেয়েছিলেন।
কেরলে বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাম ও কংগ্রেস। স্বাভাবিক ভাবেই প্রধানমন্ত্রীর নিশানাতে এসেছে এই দুই শিবির। মোদী দাবি করেন, বাম ও কংগ্রেসের মধ্যে ম্যাচ ফিক্সিং রয়েছে।