Advertisement

Assam: অসমে শক্তি বাড়ল BJP-র, ৪০০ হিন্দিভাষী নেতা, কর্মীর গেরুয়া শিবিরে যোগ

এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কার্বি আংলং স্বায়ত্তশাসিত পরিষদের (KAAC) প্রধান কার্যনির্বাহী সদস্য এবং ১১১-রংখাং বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তুলিরাম রংহাং। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা সভাপতি রাদীপ রংহাং এবং অন্যান্য বরিষ্ঠ নেতৃবৃন্দ। নতুন যোগদানকারী সকলেই রংখাং নির্বাচনী এলাকার ভোটার।

অসমঅসম
Aajtak Bangla
  • গুয়াহাটি,
  • 26 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:06 PM IST
  • অসমে ২০২৬ সালে একাধিক যোগদান মেলার আয়োজন
  • নতুন যোগদানকারী সকলেই রংখাং নির্বাচনী এলাকার ভোটার
  • সাংগঠনিক শক্তিকে আরও মজবুত করল

অসমে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে দল বদল। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস ছেড়ে একাধিক নেতা যোগ দিয়েছেন বিজেপি-তে। বহু নেতা বিজেপি-তে যোগ দিয়ে বিধানসভা ভোটে টিকিটও পেয়ে গিয়েছেন। এবার বিজেপি-তে যোগ দিলেন অসমের ৪০০ জন হিন্দিভাষী নেতা। অসমে বিজেপি-র সদর দফতরে একটি অনুষ্ঠানে তাঁরা যোগ দিলেন। পশ্চিমবঙ্গে একুশের বিধানসভায় যেমন যোগদান মেলা করেছিল বিজেপি, সেরকমই অসমে ২০২৬ সালে একাধিক যোগদান মেলার আয়োজন করছে। 

এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কার্বি আংলং স্বায়ত্তশাসিত পরিষদের (KAAC) প্রধান কার্যনির্বাহী সদস্য এবং ১১১-রংখাং বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তুলিরাম রংহাং। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা সভাপতি রাদীপ রংহাং এবং অন্যান্য বরিষ্ঠ নেতৃবৃন্দ। নতুন যোগদানকারী সকলেই রংখাং নির্বাচনী এলাকার ভোটার।

এই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে ছিলেন দিলীপ চৌহান, যিনি ২০২২ সালের কার্বি আংলং স্বায়ত্তশাসিত পরিষদের নির্বাচনে কপিলি কেন্দ্র থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে হিন্দিভাষী সম্প্রদায়ের একটি বড় অংশ বিজেপির প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছে। তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্ব ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন। অনুষ্ঠানে নন্দজি যাদব এবং আব্রাহাম তেরাং-ও উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরা বিজেপির প্রতি সমর্থন জানান।

সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে দিলীপ চৌহান এই পদক্ষেপকে একটি "নতুন শুরু" হিসেবে বর্ণনা করেন এবং তৃণমূল স্তরে দলকে শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেন। বিজেপি নেতারা এই গণ-যোগদানকে ওই অঞ্চলে দলের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির দর্শনের প্রতি জনমানসে ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন বলে অভিহিত করেছেন।

পশ্চিম কার্বি আংলংয়ের হিন্দিভাষী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে এই ঘটনা বিজেপির জন্য একটি কৌশলগত শক্তি বৃদ্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা নির্বাচনের আগে দলের সাংগঠনিক শক্তিকে আরও মজবুত করল।

Read more!
Advertisement
Advertisement