
কয়েকদিনের মধ্যে আরও বড়সড় কেলেঙ্কারি ফাঁস হতে চলেছে বলে দাবি করলেন BJP-র তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই কলকাতা হাইকোর্টের এই প্রাক্তন বিচারপতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে অবিলম্বে সরিয়ে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্যও করেন।
অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, 'এই সরকারকে আর একদিনও থাকতে দেওয়া উচিত নয়। যদিও আইনগত ভাবে তারা রয়ে যাচ্ছে। আমি আশা করি, কিছু কেলেঙ্কারি এর মধ্যেই ফাঁস হবে। তখন আবার একটা জোরদার আওয়াজ উঠবে এই সরকারের বিরুদ্ধে। এই কেলেঙ্কারি যদি ফাঁস হয়, টানা ৭২ ঘণ্টার বনধ ডাকা উচিত বলে আমার মনে হয়। যতক্ষণ না পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ করছেন, রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হচ্ছে, ততক্ষণ এই বিক্ষোভ চলা উচিত।' রাজনৈতিক দলের বাইরের মানুষগুলির সংযম এবং সংগঠিত রূপ নিয়ে এই কাজে এগিয়ে আসার কথা বলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
অভিজিতের দাবি, দুর্নীতি হয়েই আছে, তার খবর ফাঁস হতে পারে। তিনি নাকি ক্লুও পেয়েছেন। আদালতের বাইরে যদি দুর্নীতি সামনে আসে, তাহলে ক্রমাগত বনধ ডেকে এই সরকারকে উৎখাত করা ছাড়া আর উপায় থাকবে না বলেই মনে করছেন অভিজিৎ। তবে এই দুর্নীতি শিক্ষাক্ষেত্রে কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানাননি BJP সাংসদ।
অভিজিৎকে কটাক্ষ করেন তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য। সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, 'ডিসেম্বরে সরকার পড়বে, হাঁড়ি ভাঙবে, বেলুন ফাটবে বলে পাঁচ বছর ধরে বলে আসছেন। প্রত্যেক বছর ডিসেম্বরে ডেডলাইন দেন সরকার পড়ে যাবে বলে। শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যের ঘরানা বা ধরন মেনটেন করছেন উনি। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে এত কথা বলছেন, তিনি যে কদিন আগে প্যাটিস কাণ্ড থেকে একাধিক বিষয়ে বিজেপি-র নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন, বিজেপি নেতৃত্ব কি তাঁর কথা শুনেছিলেন? ভোটের আগে ভবিষ্যদ্বাণী করতে যাবেন না। বাংলার মানুষ জানেন, তাঁরা প্রস্তুত আছেন মানসিক ভাবে।'