Advertisement

Abhishek Banerjee: 'স্টপেজ মিনিস্টার,' সুকান্তকে কেন বললেন অভিষেক? পরিযায়ীদেরও মন জয়ের চেষ্টা

বাংলায় কথা বলার কারণেই হেনস্থা, এমনই অভিযোগ মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়ে অপমান ও নির্যাতনের শিকার দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন এলাকার বাসিন্দা অসিত সরকার ও তাঁর সঙ্গীদের। বুধবার তাঁদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তপনে পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে অভিষেক।-ফাইল ছবিতপনে পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে অভিষেক।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 07 Jan 2026,
  • अपडेटेड 6:04 PM IST
  • বাংলায় কথা বলার কারণেই হেনস্থা, এমনই অভিযোগ মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়ে অপমান ও নির্যাতনের শিকার দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন এলাকার বাসিন্দা অসিত সরকার ও তাঁর সঙ্গীদের।
  • বুধবার তাঁদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাংলায় কথা বলার কারণেই হেনস্থা, এমনই অভিযোগ মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়ে অপমান ও নির্যাতনের শিকার দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন এলাকার বাসিন্দা অসিত সরকার ও তাঁর সঙ্গীদের। বুধবার তাঁদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন অসিত সরকারের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিজেপি বুথ সভাপতি গৌতম বর্মণও। তিনি প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন, বিপদের সময় দল তাঁদের পাশে দাঁড়ায়নি। অভিষেকের সামনেই গৌতম বলেন, 'মহারাষ্ট্রে আটক হওয়ার পর আমরা একাধিকবার ফোন করেছি। কিন্তু বিজেপির কেউ ফোন ধরেননি। এমনকি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও কোনও সাহায্য করেননি।'

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ভুক্তভোগীরা বলেছেন, 'আমার একটাই দোষ, আমি বাংলায় কথা বলেছি। বলেছি, আমার বাবা-মায়ের নাম ভোটার তালিকায় আছে। তবু আমাকে মারধর করা হয়েছে। যত বোঝানোর চেষ্টা করেছি, ততই অত্যাচার বেড়েছে। জোর করে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাতের পর রাত জঙ্গলে কাটাতে হয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা এক মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে নদী পার হতে হয়েছে।'

অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, 'তাঁদের অপরাধ কী? বাংলায় কথা বলা?' তিনি বলেন, কিছুদিন আগেই মুর্শিদাবাদের সুতির এক যুবককে পিটিয়ে মারা হয়েছে। মাইগ্রেন্ট শ্রমিকদের প্রায় ১২০০টি অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে। মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রবীণদের শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, ৬৫ জনেরও বেশি মৃত্যুর খবর রয়েছে। এই মৃত্যুর দায় কার?

তিনি আরও বলেন, 'বাংলার উপর এত রাগ, এত অবজ্ঞা কেন? সুকান্ত মজুমদারের কি কোনও দায়িত্ব নেই তাঁর এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর? দিল্লির নেতাদের খুশি করা আর নম্বর বাড়ানো ছাড়া কি কোনও কর্তব্য নেই?' অভিষেকের অভিযোগ, বিভাজন ও বৈষম্যের রাজনীতি করে বাংলাকে অশান্ত করা হচ্ছে। গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, সব রাজ্যের জন্য নিয়ম আলাদা, আর বাংলার জন্য আলাদা কেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

Advertisement

অভিষেক দাবি করেন, যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের বাড়িতে বিজেপির কোনও প্রতিনিধি একবারও যাননি। বাড়িতে ভাত আছে কি না, সেটুকুও খোঁজ নেয়নি। এখনও আবাস যোজনার টাকা দেওয়া হয়নি। ১০০ দিনের কাজের টাকাও আটকে রাখা হয়েছে। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, '১১ বছর ধরে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। কাজের নামে শুধু ট্রেনের স্টপেজ, স্টপেজ মিনিস্টার!'

সুকান্ত মজুমদারকে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, 'তাঁর কোনও দায়িত্ববোধ নেই। এই অহংকারের কারণেই তিনি প্রাক্তন হবেন। সাত মাস যাঁদের জেলে আটকে রাখা হল, তাঁদের অপরাধ কী? একহাত জায়গায় ঘুমোতে হয়েছে। সুকান্ত একদিনও তা পারতেন?' তিনি আরও বলেন, 'ফ্যাশন শোতে হাঁটলেই সাংসদ হওয়ার দায়িত্ব পালন হয় না। মানুষের জন্য কী করেছেন, তার রিপোর্ট কার্ড কোথায়?'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement