
সোমবার সকালে বঙ্গভবন ঘিরে রেখেছিল দিল্লি পুলিশ। আর তাতেই চটেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণে রাতেই দেশের রাজধানীর উদ্দেশে পাড়ি দিল রাজ্য পুলিশ ফোর্সের একটা দল। তাঁরা বঙ্গভবন এবং অন্যান্য সরকারি গেস্ট হাউজের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, গত কয়েক মাসে SIR আতঙ্কে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সাধারণ মানুষ নিজের প্রাণ কেড়েছেন। এর মধ্যে যেমন বিএলও রয়েছেন, ঠিক তেমনই রয়েছেন সাধারণ ভোটার। পাশাপাশি একটা বড় অংশের ভোটারকে মৃত বলে বাদ দেওয়া হয়েছে ভোটার লিস্ট থেকে। আর এই সব মানুষকে সঙ্গে নিয়েই দিল্লি গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁরা রয়েছেন বঙ্গভবনে। আর সোমবার সকালে সেই বাড়িই ঘিরে নেয় দিল্লি পুলিশ। তাতেই চটে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই তড়িঘড়ি বঙ্গভবনের নিরাপত্তা বাড়াতে সেখানে রাজ্য পুলিশের এক দল রাতেই রওনা দিয়েছে বলে খবর।
এই দলে কতজন?
দিল্লির বঙ্গভবন এবং অন্যান্য গেস্ট হাউজে নিরাপত্তায় থাকে রাজ্য পুলিশ। তবে সেই নিরাপত্তা আরও বাড়াতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই কারণেই আর ২০ থেকে ২৫ জন রাজ্য পুলিশের কর্মী দিল্লি রওনা দিয়েছেন বলে খবর।
কী হয় গোটা দিন?
সোমবার সকালে বঙ্গভবন ঘিরে ফেলে দিল্লি পুলিশ। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এই কাজটা করে তারা। আর খবর পেয়েই সেখানে সাতসকালে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখানে পৌঁছে কেন্দ্রীয় সরকার এবং অমিত শাহের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেন, 'অমিত শাহ কলকাতায় এলেই রেড কার্পেটে স্বাগত জানান হয়। আর আমরা গেলে ব্ল্যাক কার্পেট?'
পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেন যে, 'আমি দিল্লি এলেই ঘাবড়ে যায়...'। মূলত তাঁর আক্রমণের কেন্দ্রে ছিলেন অমিত শাহ।
গতকাল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকও হয়
সোমবার সকালে এই ঘটনার ঘটনার পর বিকেলে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা। তারপর বেরিয়ে এসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন তিনি। মমতা অভিযোগ করেন যে তাঁদের অপমান করা হয়েছে। তাঁদের কথা শোনা হয়নি।
যদিও নির্বাচন কমিশন মমতার এই দাবি মানতে চায়নি। তাদের পক্ষ থেকে জানান হয় যে সব প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার।