Advertisement

"এরাজ্যে সবচেয়ে কষ্টে আছে মুসলিমরা..." কেন একথা বললেন দিলীপ ঘোষ?

মুর্শিদাবাদের বড়ঞাঁ বিধানসভা এলাকায় বিজেপির বুথ ভিত্তিক অভিযানে অংশ নিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় সংগঠন আরও মজবুত করতে বড়ঞাঁ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় বুথস্তরের কর্মীদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করেন তিনি।

এরাজ্যে সবচেয়ে কষ্টে আছে মুসলিমরাএরাজ্যে সবচেয়ে কষ্টে আছে মুসলিমরা
স্বপন কুমার মুখার্জি
  • বহরমপুর,
  • 08 Feb 2026,
  • अपडेटेड 4:13 PM IST
  • বিজেপির বুথ ভিত্তিক অভিযানে অংশ নিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
  • সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম সমাজের পরিস্থিতি নিয়ে করা মন্তব্য।
  • এদিন প্রথমে বড়ঞাঁর নবপল্লী এলাকায় যান দিলীপ ঘোষ।

মুর্শিদাবাদের বড়ঞাঁ বিধানসভা এলাকায় বিজেপির বুথ ভিত্তিক অভিযানে অংশ নিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় সংগঠন আরও মজবুত করতে বড়ঞাঁ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় বুথস্তরের কর্মীদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। তবে শনিবার তাঁর বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম সমাজের পরিস্থিতি নিয়ে করা মন্তব্য।

এদিন প্রথমে বড়ঞাঁর নবপল্লী এলাকায় যান দিলীপ ঘোষ। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করার পর তিনি ডাকবাংলো এলাকায় অবস্থিত বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছন। কার্যালয়ে ঢুকেই শতাধিক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে অভ্যন্তরীণ বৈঠকে বসেন তিনি। বুথ ভিত্তিক সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে সাফল্য আনতে কর্মীদের বিভিন্ন নির্দেশ দেন দিলীপ।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “নির্বাচন তো শুরু হয়ে গিয়েছে। যেদিন থেকে এসআইআর শুরু হয়েছে, দেখছেন না কালীঘাট কীভাবে ছটফট করছে!” তাঁর দাবি, গতবার বিজেপির বহু কর্মী অল্প ভোটে হেরে গিয়েছিলেন। এবার বড়ঞাঁয় বিজেপি জয়ী হবে বলেই আশাবাদী তিনি।

তবে সাংবাদিকদের সামনে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম সমাজের প্রসঙ্গে তিনি যে মন্তব্য করেন, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। তিনি বলেন, "আজ পশ্চিম বাংলায় মুসলমানদের ক্রিমিনাল বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মুসলিমরা কিছু বলতে পারেন না পুলিশের ভয়ে, টিএমসির গুন্ডাদের ভয়ে। সবচেয়ে কষ্টে আছে মুসলিমরা। তাঁদের বাধ্য করা হচ্ছে টিএমসিকে ভোট দিতে।” দিলীপ ঘোষের দাবি, রাজ্যে শাসক দলের প্রভাব এবং ভয় দেখানোর রাজনীতির কারণে সাধারণ মুসলিম সমাজ চাপের মধ্যে রয়েছে। তাঁর মতে, ভোটের সময় তাঁদের জোর করে নির্দিষ্ট দলকে সমর্থন করতে বাধ্য করা হচ্ছে।"

এদিকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে বিজেপির প্রতিনিধি দল যাওয়ার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “যত লোককে পুরস্কার দেওয়া হবে, সবাই কি ক্যান্ডিডেট হবে? প্রসেনজিৎ অনেক বছর ধরে বাংলা সিনেমায় কাজ করেছেন, তাঁর বড় যোগদান আছে। সম্মান পেয়েছেন। আমাদের মন্ত্রী তাঁকে সম্মান জানাতে গিয়েছেন।”

Advertisement

সব মিলিয়ে বড়ঞায় বিজেপির বুথ অভিযানে দিলীপ ঘোষের সফর যেমন রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, তেমনই মুসলিম সমাজ নিয়ে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে জেলায়।

-সব্যসাচী ব্যানার্জি

 

Read more!
Advertisement
Advertisement