Advertisement

মোদীর ব্রিগেডের দিনই শশীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ, বিস্তারিত রিপোর্ট চাইল EC

নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেডের সভার দিনে ধুন্ধুমার ঘটনার সাক্ষী থেকেছে শহর কলকাতা। তৃণমূল  ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গিরিশপার্ক। মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এবার সেই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন।

মোদীর ব্রিগেডের দিনই মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগমোদীর ব্রিগেডের দিনই মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 8:35 AM IST
  • নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেডের সভার দিনে ধুন্ধুমার ঘটনার সাক্ষী থেকেছে শহর কলকাতা।
  • তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গিরিশপার্ক।
  • কলকাতা পুলিশের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন।

নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেডের সভার দিনে ধুন্ধুমার ঘটনার সাক্ষী থেকেছে শহর কলকাতা। তৃণমূল  ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গিরিশপার্ক। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উঠেছে, ব্রিগেড যাওয়ার সময় বাস থেকে নেমে তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বিজেপি সমর্থকেরা। পাল্টা পদ্ম শিবিরের দাবি, তাঁদের বাসেই হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের বাহিনী। তবে ঘটনার দিন আসলে ঠিক কী ঘটেছিল? তা জানতে এবার কলকাতা পুলিশের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন। বুধবার কমিশনের এক সিনিয়র আধিকারিক এই তথ্য জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের তরফে এক সিনিয়র আধিকারিক দাবি করেছেন, পুলিশের তরফে প্রথম যে রিপোর্টটি সামনে আনা হয়েছিল তা ছিল অসম্পূর্ণ। কারণ সেই রিপোর্টে ঘটনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের অভাব ছিল। সেই কারণেই ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে।

কমিশনের ওই আধিকারিক জানান, উত্তর কলকাতার গিরিশ পার্ক এলাকার ঘটনার সময়, পুলিশের ভূমিকা এবং ঘটনার আগে পাওয়া গোয়েন্দা ইনপুটের বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার দিন রাজ্যে মোতায়েন করা কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কেন তারা সক্রিয়ভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামেনি, কেন স্থানীয় পুলিশই পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য বিষয় হল, দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। জানানো হয়েছে, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল ও বিজেপি উভয়ের তরফেই মামলাও দায়ের করা হয়েছে। আর এবার ঘটনার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশনও।  
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement