Advertisement

বাংলায় হিংসা রুখতে পদক্ষেপ, অত্য়াধুনিক কন্ট্রোল রুম তৈরি নির্বাচন কমিশনের

নির্বাচনকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে বড়সড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। ভোট প্রক্রিয়াকে হিংসামুক্ত করতে অত্যাধুনিক কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম তৈরি করা হল। এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে রাজ্যের যে কোনও প্রান্তের মানুষ সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন।

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 07 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:12 PM IST
  • নির্বাচনকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে বড়সড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের
  • ভোট প্রক্রিয়াকে হিংসামুক্ত করতে অত্যাধুনিক কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম তৈরি করা হল

নির্বাচনকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে বড়সড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। ভোট প্রক্রিয়াকে হিংসামুক্ত করতে অত্যাধুনিক কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম তৈরি করা হল। এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে রাজ্যের যে কোনও প্রান্তের মানুষ সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবে কমিশন। 

এই কন্ট্রোল রুমে একটি নির্দিষ্ট ফোন নম্বর রাখা হয়েছে, যেখানে সাধারণ ভোটাররা ফোন করে ভোট সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট পোলিং বুথের ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হবে। যদি কোনও অনিয়ম বা সমস্যা ধরা পড়ে, তাহলে অবিলম্বে পুলিশ অবজার্ভার, জেনারেল অবজার্ভার, কুইক রেসপন্স টিম, সেক্টর টিম এবং সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই কন্ট্রোল রুমে মোট ৯০টি বড় স্ক্রিন বসানো হয়েছে, যেখানে একসঙ্গে বহু বুথের লাইভ ফুটেজ দেখা যাবে। পাশাপাশি, প্রায় ২০০ জন মাইক্রো অবজার্ভার ২৪ ঘণ্টা এই স্ক্রিনগুলির উপর নজর রাখবেন। তাঁদের কাজ হবে প্রতিটি মুহূর্তে পর্যবেক্ষণ করা, কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে কি না।

নির্বাচনের সময় প্রতিটি পোলিং বুথের ভিতরে ও বাইরে আলাদা করে ক্যামেরা বসানো হবে। ফলে বুথের ভিতরের কার্যকলাপ যেমন নজরে থাকবে, তেমনই বাইরে কোনও বিশৃঙ্খলা বা গোলমাল হলেও তা সঙ্গে সঙ্গে ধরা পড়বে। এই দ্বৈত নজরদারি ব্যবস্থার ফলে ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়াও, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারেও জোর দেওয়া হয়েছে। কোনও গন্ডগোল বা বিতর্ক তৈরি হলে কন্ট্রোল রুম থেকেই তা সঙ্গে সঙ্গে শনাক্ত করা যাবে এবং সংশ্লিষ্ট সেক্টর অফিসারকে দ্রুত জানানো হবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, এই ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর সাহায্য নেওয়া হবে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সন্দেহজনক পরিস্থিতি চিহ্নিত করতে পারবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement