Advertisement

Naihati BJP Candidate Sumitra Chattopadhyay: BJP-র প্রার্থী বঙ্কিমের বংশধর, সুমিত্র নেমে পড়লেন ময়দানে,রণনীতি কী?

বাঙালির জাতীয়তাবাদী আবেগের সলতে পাকিয়েছিলেন যিনি, সেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় কয়েকদিন আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। আর রাজনীতিতে নেমেই এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে রাজ্যের শ্রম দফতরের প্রাক্তন এই শীর্ষ পদাধিকারী। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে নৈহাটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। আর প্রার্থী হতেই ময়দানে নেমে পড়লেন সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। রাজ্যের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি উন্নতি করতেই তিনি রাজনীতির ময়দানে বলে জানিয়েছেন সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

 প্রার্থী হয়ে বঙ্কিমের বংশধর সুমিত্র কী বলছেন? প্রার্থী হয়ে বঙ্কিমের বংশধর সুমিত্র কী বলছেন?
সুমনা সরকার
  • কলকাতা,
  • 17 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:01 PM IST

 বাঙালির জাতীয়তাবাদী আবেগের সলতে পাকিয়েছিলেন যিনি, সেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় কয়েকদিন আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। আর রাজনীতিতে নেমেই এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে রাজ্যের শ্রম দফতরের প্রাক্তন এই শীর্ষ পদাধিকারী। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে নৈহাটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। আর প্রার্থী হতেই ময়দানে নেমে পড়লেন সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। রাজ্যের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি উন্নতি করতেই তিনি রাজনীতির ময়দানে বলে জানিয়েছেন  সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

ভোট ময়দানে নতুন হলেও নাম ঘোষণা হতেই প্রচারে নেমে পড়েছেন  সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এর মাঝেই bangla.aajtak.in-কে তিনি বলেন, কোনও দলের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই, রাজ্যের যুব সমাজের  কর্মসংস্থানের জন্যই তিনি রাজনীতিতে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে দেশের অর্থনীতি এগিয়ে চলেছে। ভোটে জিতলে এরাজ্যের যুব সমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাই তাঁর লক্ষ্য হবে।

প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারি মাসেই বিজেপিতে যোগ দেন  সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়।  রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের উপস্থিতিতে  বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। রাজ্যের  শ্রম দফতরের প্রাক্তন আধিকারিক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিয়েই বাংলার সরকারের কর্মসংস্থান নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, 'এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের সঙ্গে যুক্ত লক্ষাধিক যুবকের তথ্য একটি প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে মুছে ফেলা হয় এবং তার পরিবর্তে এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক গঠন করা হয়, যেখানে প্রায় ৪০ লক্ষ যুবক নথিভুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ‘যুবশ্রী’ প্রকল্প চালু করা হয়, যা পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের অধীনে বেকার যুবকদের মাত্র ৫০ টাকা প্রতিদিন সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, যা যুবসমাজের প্রকৃত কর্মসংস্থানের প্রয়োজন মেটাতে ব্যর্থ।' 

দীর্ঘকাল শ্রম দফতরে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সমিত্র চট্টোপাধ্যায় সরাসরি আঙুল তুলেছেন বর্তমান সরকারের ‘এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক’ নীতির দিকে। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনিক নির্দেশে পুরনো ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’-এর লক্ষ লক্ষ যুবকের তথ্য মুছে দিয়ে নতুন যে ব্যবস্থা করা হয়েছিল, তা কর্মসংস্থানের চেয়ে প্রচারেই বেশি ব্যস্ত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, একজন প্রাক্তন সরকারি আধিকারিক যখন তথ্য-সহ এই অভিযোগ তোলেন, তখন তা রাজনৈতিক ভাষ্যের বাইরে গিয়ে প্রশাসনিক ব্যর্থতার দলিল হিসেবেই গুরুত্ব পায়।

Advertisement

প্রসঙ্গত, বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বন্দে মাতরম’-র সার্ধশতবর্ষ ঘটা করে পালন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এমনকি, সংসদে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আলোচনাও হয়। রাষ্ট্রীয় গীত ‘বন্দে মাতরম’-র ৬টি স্তবকই এবার থেকে গাইতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এবার ভোটের রাজনীতিতেও বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়ের আবেগ সামনে নিয়ে এল বিজেপি। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের পঞ্চম প্রজন্মের সদস্য সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে ময়দানে নামিয়ে দিল গেরুয়া শিবির। উল্লেখ্য, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘বঙ্কিমদা’ সম্বোধন করে  সংসদে বক্তব্য রেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বক্তব্যের পর তুমুল সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। বাংলার মণীষীদের অপমান করছে বিজেপি। সেই অভিযোগ তুলেছিলেন খোদ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলে তৃণমূল প্রচারে ঝড়ও তুলেছিল। এবার সেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বংশধরকে প্রার্থী করে প্রতীকী রাজনৈতিক বার্তাও দিল বিজেপি। 

Read more!
Advertisement
Advertisement