Advertisement

Kiren Rijiju on Mamata Banerjee: 'ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছেন মমতা,' গুরুতর দাবি BJP-র, কমিশনের দ্বারস্থ রিজিজু, সুকান্তরা

'ইলেকশন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আমরা এক একটা বিষয় কমিশনকে জানিয়েছি। তাঁরা আমাদের কথা শুনেছেন। আমরা বলেছি ঠিক কীভাবে মুখ্য়মন্ত্রী নিজে ভোটারদের ঘরে ঘরে সন্ত্রস্ত্র করেছেন। যাঁরা বিজেপিকে ভোট দেবেন তাঁদের ছাড়া হবে না বলে দিচ্ছেন হুমকি।' ইলেকশন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু।

মমতা নিয়ে কী অভিযোগ রিজিজুর?মমতা নিয়ে কী অভিযোগ রিজিজুর?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 30 Mar 2026,
  • अपडेटेड 2:02 PM IST
  • ইলেকশন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে
  • আমরা এক একটা বিষয় কমিশনকে জানিয়েছি
  • বিজেপিকে ভোট দেবেন তাঁদের ছাড়া হবে না বলে দিচ্ছেন হুমকি

'ইলেকশন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আমরা এক একটা বিষয় কমিশনকে জানিয়েছি। তাঁরা আমাদের কথা শুনেছেন। আমরা বলেছি ঠিক কীভাবে মুখ্য়মন্ত্রী নিজে ভোটারদের ঘরে ঘরে সন্ত্রস্ত্র করেছেন। যাঁরা বিজেপিকে ভোট দেবেন তাঁদের ছাড়া হবে না বলে দিচ্ছেন হুমকি।' ইলেকশন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু।


আসলে ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ে কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু, পীযূষ গোয়েল, সুকান্ত মজুমদাররা। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রিজুজু। তিনি বলেন, 'আমরা জানিয়েছি ঠিক কীভাবে পুরো ভোটের প্রসেসকে হাইজ্যাক করেছে তাঁর (মমতা) টিম। পশ্চিমবঙ্গে যত আধিকারিক রয়েছে, বড় থেকে ছোট, সকলকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী বানিয়ে হাইজ্যাক করেছে। এটা আমরা সবিস্তারে জানিয়েছি।'

পাশাপাশি তাঁদের তরফে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যকলাপও তুলে ধরা হয়েছে, সেটাও জানান তিনি। তাঁর কথায়, 'আমরা এটা পয়েন্ট করে দেখিয়েছি যে কখন কখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধমকি দিয়েছেন, ওঁর আধিকারিকা কীভাবে ধমকি দিয়েছে। কীভাবে মানুষকে ঘরের ভিতরে গিয়ে ধমকানো হয়েছে। গোটা বিষয়টা আমরা পিটিশনে লিখেছি।'

মুক্ত নির্বাচন চাই
কমিশনের সঙ্গে দেখা করে মুক্ত নির্বাচনের দাবি করে বিজেপির প্রতিনিধি দল। এই প্রসঙ্গে রিজিজু বলেন, 'আমরা ইলেকশন কমিশনের কাছে দরখাস্ত করেছি যে ভোট মুক্ত এবং স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন। গত ৩টে ইলেকশনে তৃণমূল যা দাদাগিরি করে জিতেছে, সেটা যেন এবারে না হয়। ভোট সাধারণ মানুষের সরকার নির্বাচনের একটা অস্ত্র। গণতন্ত্র এটা ভোটারদের অধিকার। এটা কেউ কেড়ে নিতে পারে না। এটা ইলেকশন কমিশনের নিশ্চিত করা উচিত।' 

তাঁর আরও সংযোজন, 'ভোট ঘোষণা হওয়ার পর সবকিছু কমিশনের হাতে চলে এসেছে। তাই ইলেকশন কমিশনের এটা মাথায় রাখতে হবে যে ওখানকার বর্তমান সরকার টিএমসি সরকার যেভাবে স্থানীয় আধিকারিক এবং পুলিশের উপর কন্ট্রোল করে রেখেছে, এটা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। আমরা সব বিস্তারিত তথ্য কমিশনের সামনে তুলে রেখেছি।'
তৃণমূল সরকার থাকবে না
সবশেষে রিজিজু দাবি করেন, এই তৃণমূল সরকার আর বেশি দিন নেই। ভারতীয় জনতা পার্টিই সরকার গড়বে বাংলা। মানুষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুবই রেগে রয়েছেন।

Advertisement

পাশাপাশি তিনি বলেন, 'ইলেকশন কমিশন আমাদের কথায় পজিটিভ রেসপন্স করেছে। তারা বলেছে, মুক্ত এবং স্বচ্ছ ভোটের জন্য যা করা যেতে পারে, তা করা হবে।' 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement