Advertisement

মমতার নিশানায় সীমা খান্না, কে এই মহিলা? 'আরোগ্য সেতু' অ্যাপের কারিগরও

ফের একবার মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের মুখে সীমা খান্নার নাম। গত কয়েকমাস ধরেই এই নাম তোলপাড় ফেলেছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে। গত বছর ডিসেম্বরে এই নাম শোনা গিয়েছিল অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের মুখে।

মমতার নিশানায় থাকা সীমা খান্নাকে কতটা চেনেন?মমতার নিশানায় থাকা সীমা খান্নাকে কতটা চেনেন?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Feb 2026,
  • अपडेटेड 4:16 PM IST
  • ফের একবার মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের মুখে সীমা খান্নার নাম।
  • গত কয়েকমাস ধরেই সীমা খান্নার নাম তোলপাড় ফেলেছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে।
  • সীমা খান্নার নামে AI ব্যবহার করে নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ।

ফের একবার মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের মুখে সীমা খান্নার নাম। গত কয়েকমাস ধরেই এই নাম তোলপাড় ফেলেছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে। গত বছর ডিসেম্বরে এই নাম শোনা গিয়েছিল অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের মুখে। আর সোমবার সীমার নাম করে আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। মঙ্গলবারও ফের একবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সীমা খান্নার নামে AI ব্যবহার করে নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন।

সীমা খান্নার নামে তৃণমূলের কী অভিযোগ?

তৃণমূলের নেতৃত্বদের মধ্যে ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে সীমা খান্নার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন TMC-র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় জানা গিয়েছিলেন কমিশনের তথ্য প্রযুক্ত শাখার ডিআইজি পদে রয়েছেন সীমা খান্না। অভিষেক প্রশ্ন তুলেছিলেন, 'একটা স্ক্রিনশট আমরা সুপ্রিম কোর্টে জমা দেব। (সীমার উদ্দেশে) কার অঙ্গলুহেলনে উনি এ সব করছেন? উনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, কমিশনের অ্যাপে গোলযোগ আছে।' অভিষেকের অভিযোগ ছিল  কমিশনের অ্যাপ ব্যবহার করে নাম বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে সীমাই মূল 'কলকাঠি' নেড়েছিলেন এই সীমা খান্নাই।

মমতার মুখেও সীমা খান্নার নাম

অভিষেকের আক্রমণের প্রায় এক মাস পর এবার মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের নিশানায় সীমা। নির্বাচন কমিশনের বাইরে এসে সোমবার বলেছিলেন, "এখানে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দিয়ে দিয়েছে। এআই দিয়ে সীমা খান্না এই কাজ করেছেন। উনি নির্বাচন কমিশনের কেউ নন। বিজেপির আইটি সেলের।" এরপরই তিনি বলেন, "কমিশন কোনও প্রশ্নও করেনি।"

সীমা খান্নাকে চিনে নিন:

জানা গিয়েছে সীমা খান্না পাটনার নেতাজি সুভাষ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে গ্রাজুয়েশন পাশ করেছিলেন। এরপর তিনি দিল্লির একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার ডিগ্রি পাশ করেন। দিল্লি আইআইটি থেকে শেষ করেন PHD-ও। ২০২১ সালে সীমাকে জাতীয় তথ্যকেন্দ্রের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল হিসাবে নিয়োগ করে মোদী সরকার। এরপর দীর্ঘদিন বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করেছেন সীমা। বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের সিকিউরিটি খাতে কাজ করারও বিশেষ অভিজ্ঞতা রয়েছে সীমার। এমনকি কোভিড পর্বে কেন্দ্রীয় সরকার যে আরোগ্য সেতু অ্যাপটি তৈরি করেছিল, সেই অ্যাপের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে সীমা খান্নাও ছিল অন্যতম।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement