Advertisement

Mamata Banerjee: 'রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়ে গিয়েছে,' গুরুতর দাবি মমতার

রাজ্যে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতি শাসন জোর করে জারি করে দেওয়া হয়েছে বলেই দাবি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তৃণমূলের ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নিলেন। নির্বাচন কমিশন BJP সরকারের তোতাপাখি হিসেবে কাজ করছে বলেও দাবি তাঁর।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 20 Mar 2026,
  • अपडेटेड 4:56 PM IST
  • বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছে!
  • বড় দাবি করলেন মমতা
  • বাংলাকে টার্গেট করা হয়েছে বলেও দাবি

রাজ্যে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতি শাসন জোর করে জারি করে দেওয়া হয়েছে বলেই দাবি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তৃণমূলের ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নিলেন। নির্বাচন কমিশন BJP সরকারের তোতাপাখি হিসেবে কাজ করছে বলেও দাবি তাঁর। 

এ রাজ্যে ভোটের আগেই রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়ে গিয়েছে বলে বড় দাবি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, 'অলরেডি রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দিয়েছে রাজ্যে। অঘোষিত প্রেসিডেন্ট রুল জারি করে ভোট করতে হচ্ছে। মুখে বলছে না, কিন্তু অনেক সময়ে অ্যাকশনেই প্রমাণ মেলে। এত ভয় কেন?'

শুক্রবার তৃণমূলের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানের শুরুতেই কেন্দ্র সরকারকে একহাত নেন তিনি। একযোগে আক্রমণ করেন নির্বাচন কমিশনকেও। কেন ভোটের আগে বাংলা থেকে সমস্ত অফিসারদের বদলি করা হচ্ছে, তা নিয়েও সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'প্রতিবারই BJP চক্রান্ত করে। তবে এবারে সব সীমা লঙ্ঘন করে ফেলেছে। নির্বাচন কমিশনের চক্রান্ত সব কিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে।'

এরপরই চাঞ্চল্যকর দাবি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'উত্তরবঙ্গের কিছু অংশ এবং বিহারের কিছু অংশ নিয়ে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরির কথা বলেছে কেন্দ্র। নির্বাচনের পরেই হয়তো ডিলিমিটেশন করবে। কারণ ওরা ২০২৯-এ ক্ষমতায় আসবে না। তাই প্রথমে পুনর্বিন্যাস, তারপর NRC এবং সর্বোপরি দেশের মানুষকে সর্বহারা করার পরিকল্পনা করেছে এরা। দেশে কোনও আইনশৃঙ্খলা নেই, বিভাজনের রাজনীতি, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মোদী সরকারের মাত্র ২ জন কাজ করেন। মোদী এবং অমিত শাহ, এই দুই ভাই মিলে যুদ্ধ, রাজনৈতিক চক্রান্ত, দেশ বিভাজনের চক্রান্ত করে গায়ের জোরে টোটাল দেশটাকে দখল করেছে।' 

কেন অফিসার বদলি করা হচ্ছে, তা নিয়ে বড় দাবি করেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর বক্তব্য, 'নির্বাচনের সময়ে নিশ্চয় কিছু অফিসার বদল হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের একটা লিমিট থাকে। কিছু কিছু ট্রান্সফার হয় প্রতিবারই। রেশন বন্ধ হয়ে গেলে মানুষ যেন আমায় দোষ না দেয়। ফুড ডিপার্টমেন্ট থেকে অন্য জেলায় অবজারভার করে নিয়ে গিয়েছে। মানুষ খাবে কী? PWD-র প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির একটা বড় ভূমিকা থাকে, ঝড়-জলে রাস্তা ভেঙে গেলে কী হবে? এই রাজ্যের সবাইকে যদি নিয়ে যাওয়া হয়, ভিন রাজ্যের মানুষ কি বাংলা চেনে? এখানকার সংস্কৃতি, সম্প্রীতি, ভৌগলিক অবস্থান চেনে না, উৎসব চেনে না, সাব ডিভিশন, ব্লক চেনে না। এরপর কিছু হলে দায় থাকবে BJP সরকারের। কারণ নির্বাচন কমিশন BJP-র তোতা পাখি। সব বাংলার অফিসার তুলে নিয়ে গেলে বাংলার মানুষ তো ভুগবে। আসলে বর্ডার থেকে টাকা-বন্দুক ঢোকাচ্ছে তাই বাংলার IPS-দের সরিয়ে দিয়েছে। এরা দাঙ্গা করার চক্রান্ত করছে।'

Advertisement

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, 'বাংলা ওদের অনেক দিনের টার্গেট। ওরা চায় না বাংলা রাজ্যটা থাক, বাংলার ইতিহাস, অস্মিতা, মেধা থাক। সংবিধান বলে কিছু এ দেশে এখন আর নেই। কার কাছে বিচার পাবে, বিচারের সব জায়গাই কিনে নিয়েছে। মোদীর হাত থেকে দেশ উদ্ধার করা আমাদের প্রথম লক্ষ্য। আপনারা আমাদের সহযোদ্ধা হিসেবে জোড়াফুলকে সমর্থন করুন। বাংলা বাঁচাতে হলে, রক্ষা করতে হলে, সকলকে একসঙ্গে থাকতে হলে, শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষা করতে হলে BJP-কে শিক্ষা দিন। সেন্ট্রাল এজেন্সি ভয় দেখালে শুনবেন না। টাকার প্রলোভনে পা দেবেন না। এই টাকা চুরি করা টাকা।' 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement