Advertisement

Mahakal Temple: ১ লক্ষ মানুষের দর্শনের ব্যবস্থা, তবে বাধ সাধছে রেলগেট, কেমন হবে সবচেয়ে বড় মহাকাল মন্দির?

ভোটের আগেই বড় চমক। মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এই মন্দির নির্মাণের পথে বাধা হচ্ছে একটি রেলগেট। কী কী বৈশিষ্ট্য থাকবে এই মন্দিরের? রইল বিস্তারিত...

মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করবেন মমতামহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করবেন মমতা
Aajtak Bangla
  • মাটিগাড়া,
  • 16 Jan 2026,
  • अपडेटेड 10:42 AM IST
  • মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করবেন মুখ্যমন্ত্রী
  • ১ লক্ষ মানুষের দর্শনের ব্যবস্থা থাকবে
  • তবে বাধ সাধছে একটি রেলগেট

উত্তরবঙ্গের জন্য ভোটের আগে নয়া উপহার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুক্রবার মাটিগাড়ায় বহু প্রতীক্ষিত মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করবেন তিনি। এটিই হতে চলেছে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় মহাকাল মন্দির। কী কী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই মন্দিরের? কোন জমিতে, কীভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে মন্দিরটি? 

মমতার ঘোষণা
মাস তিনেক আগে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিধ্বস্ত দার্জিলিং পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিস্থিতি পর্যালোচনার সময়েই তিনি সেখানে মহাকাল মন্দিরেও গিয়েছিলেন। সেই মন্দির চত্বর থেকেই তারপর ঘোষণা করেন, শিলিগুড়িতে তৈরি হবে সবচেয়ে বড় শিব এবং মহাকাল মন্দির। 

কোথায় হবে এই মন্দির? 
মহাকাল মন্দির নির্মাণের প্রস্তাব আগেই রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত হয়। প্রকল্পে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর মুখ্যমন্ত্রী একটি ট্রাস্ট গঠন করেন। শিলিগুড়ি শহরের লাগোয়া উজানু মৌজায়, মাটিগাড়া ব্লকের পাথরঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে এই মন্দির নির্মিত হবে। ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন জমির পাশেই রয়েছে রেললাইন ও চামটা নদী। সেখানেই প্রায় ১৭ একর জমিতে মন্দির নির্মাণ হবে। এই মন্দিরটি তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে HIDCO-কে। এক লক্ষ পুণ্যার্থী একসঙ্গে যেতে পারবেন এই মন্দির দর্শনে। 

মন্দির নির্মাণে বাধা হবে রেলগেট?
মহাকাল মন্দিরের জন্য জমি হস্তান্তরের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। রুক্ষ জমিকে সমতলভূমিতে পরিণত করা হয়েছে। তবে সূত্রের খবর, এই মন্দির নির্মাণের ক্ষেত্রে বাধ সাধছে রেলগেট। মন্দিরস্থলের প্রবেশপথ হিসেবে যে এলাকা বেছে নেওয়া হয়েছে, সেখানেই মাটিগাড়ার অন্যতম রেলপথ। যদিও শিলিগুড়ির মেয়র আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি প্রশাসন নজরে রাখছে। মন্দির তৈরির পর ওভারব্রিজ তৈরি করে যাতায়াত মসৃণ করার ব্যবস্থা করার ভাবনা চিন্তা রয়েছে বলেও খবর। তবে এই মন্দির উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করবে বলেই দাবি প্রশাসনের। 

উদ্বোধন 
এদিন বিকেল ৪টে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী এই বহু প্রতীক্ষিত মন্দিরের উদ্বোধন করবেন। সে কারণে সকাল থেকেই আঁটোসাটো নিরাপত্তা। ওই এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাও সচল রাখতে ডিসি (ট্রাফিক) কাজি শামসুদ্দিন আহমেদ নিজে গিয়ে এলাকা পরিদর্শন করেছেন। প্রচুর এলইডি পর্দা লাগানো হচ্ছে, যাতে সকলে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন। উত্তরবঙ্গের প্রায় সব ক’টি জেলা থেকেই জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকছে অনুষ্ঠানে৷ তা ছাড়াও বিভিন্ন চেম্বার অফ কমার্স-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। 

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement