Advertisement

Sisir Adhikari: 'ভুল পথে চলে গিয়েছিলাম...,' মাথা ঝুঁকিয়ে ক্ষমাপ্রার্থী শিশির, কুণাল বললেন, 'নাটুকে সংলাপ'

নির্বাচনী প্রচারে নেমে এবার মানুষের কাছে নতমস্তকে ক্ষমা চাইলেন শিশির অধিকারী। গলার উত্তরীয় নামিয়ে, মাথা নীচু করে ক্ষমা চেয়ে নিলেন তিনি। শিশির অধিকারীর এই মন্তব্যকে 'নাটুকে সংলাপ' বলে কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ।

শিশির অধিকারী, কুণাল ঘোষ শিশির অধিকারী, কুণাল ঘোষ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 03 Jan 2026,
  • अपडेटेड 2:48 PM IST
  • নতমস্তকে ক্ষমা চাইলেন শিশির অধিকারী
  • মাথা নীচু করে ক্ষমা চেয়ে নিলেন তিনি
  • 'নাটুকে সংলাপ' বলে কটাক্ষ করলেন কুণাল

তৃণমূলে থাকাকালীনই হয়েছেন সাংসদ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেই তৃণমূলে এককালে যোগ দেওয়ার জন্য মানুষের কাছে নতমস্তকে ক্ষমা চেয়ে নিলেন শিশির অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে BJP-র সভায় মানুষের সামনে ঝুঁকে তিনি ক্ষমা চেয়ে নিলে। 

প্রাক্তন এই সাংসদ বলেন, 'গলবস্ত্র হয়ে এই মাটি ছুঁয়ে আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইছি। ক্ষমা করে দেবেন। একটা ভুল পথে চলে গিয়েছিলাম।' ৮৪ বছরের শিশিপ অধিকারী পটাশপুরে BJP-র এই সভায় গলা থেকে উত্তরীয় খুলে মাথা ঝুঁকিয়ে ক্ষমা চান। 

পাশাপাশি তৃণমূলের সমস্ত দুর্নীতির বিষয়ে তিনি জানেন বলে দাবি করে শিশির অধিকারী বলেন, 'ওই কেচ্ছা-কেলেঙ্কারি আমি ঘৃণা করি। যেহেতু পার্টিটা করতাম, তাই আমি বলছি না। তাঁকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আমরাই করেছিলাম। গলবস্ত্র হয়ে এই মাটি ছুঁয়ে আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইছি। ক্ষমা করে দেবেন। একটা ভুল পথে চলে গিয়েছিলাম। সেই ভুল পথে আপনাদেরও সঙ্গে নিয়ে যাই। আপনাদের কিছু করতে পারলাম না। চোখ থেকে ঠসঠস করে জল পড়ে যায়। ছাব্বিশ সালে সরকারটা এনে দেন। আমি অনেকদিন বাঁচব। হড়হড় করে টেনে আনব। এরা কিছু জানেন না, চুরিটা ভাল জানে।' বারবার তিনি বলতে থাকেন, 'ব্রাহ্মণ সন্তান। আপনাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমি ভুল করেছিলাম। আপনাদের সেই পথে চালিত করেছিলাম। আপনারা ক্ষমা করে দেবেন। আপনারা ছাব্বিশে ভারতীয় জনতা পার্টিকে ক্ষমতায় আনুন।'

একইসঙ্গে শিশির অধিকারী জানান, তিনি অমিত শাহকে ভাল করে চেনেন। শপথ করে বলেন, 'আমাদের এলাকার বহু উন্নয়ন হবে। সেই উন্নয়ন আপনারা কখনও দেনেননি।'

শিশিরের এই ক্ষমা চাওয়া নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, 'তৃণমূলের টিকিটে সাংসদ হয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী য়েছেন। আপনাকে কোন পরিস্থিতিতে কাদের আপত্তি সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী করেছিলেন,সেটা ভুলে গিয়ে শিশিরদার মতো বর্ষীয়ান মানুষের সস্তার রাজনীতি করাটা ঠিক হচ্ছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য যা পেয়েছেন, তার জন্য ধন্যবাদটাই থাক। বাকি কোন বাধ্যবাধকতায় কী করতে হচ্ছে, তার জন্য এই নাটুকে সংলাপ বন্ধ করাই ভাল।'

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement