Advertisement

I-PAC তল্লাশি মামলা: তাত্‍পর্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া রাজ্যপাল বোসের

I-PAC মামলায় রাজ্য সরকারকে নোটিস ধরিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলা নিয়ে এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তিনি। রইল বিস্তারিত...

Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 16 Jan 2026,
  • अपडेटेड 1:47 PM IST
  • রাজ্য সরকারকে নোটিস ধরিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট
  • I-PAC মামলা নিয়ে এবার প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের
  • 'সুপ্রিম কোর্ট যা বলেছে, সেটাই ফাইনাল'

I-PAC সংক্রান্ত মামলায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত নোটিস পাঠিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। একইসঙ্গে ED আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া FIR-এও স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এ প্রসঙ্গে এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। ঠিক কী বললেন তিনি? 

শুক্রবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সিভি আনন্দ বোস বলেন, 'সকলের আইনের পথ অনুসরণ করে চলা উচিৎ। সুপ্রিম কোর্ট যা বলেছে, সেটাই ফাইনাল।' এর আগেও তিনি জানিয়েছিলেন, বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন। ফলে এই মুহূর্তে কোনও রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক মন্তব্য করা তিনি সমীচীন মনে করছেন না। রাজ্যপাল স্পষ্ট করে বলেন, 'আইন সব সময়ই সবার ওপরে। প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনও উপায়ে আইন প্রয়োগ করা হবে।'

বৃহস্পতিবার I-PAC সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের এই মামলায় বৃহত্তর আইনগত প্রশ্ন জড়িত রয়েছে। সেগুলি নিষ্পত্তি না করে রাখা হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। আদালত স্পষ্ট করে জানায়, কোনও সংস্থারই নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। তবে কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা যদি সৎ উদ্দেশ্যে কোনও গুরুতর অপরাধের তদন্তে কাজ করে, তাহলে দলীয় কাজের অজুহাতে সেই তদন্তের ক্ষমতা খর্ব করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, তল্লাশি সংক্রান্ত যে সমস্ত CCTV ফুটেজ ও অন্যান্য স্টোরেজ ডিভাইসে রেকর্ডিং রয়েছে, সেগুলি সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ED আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা FIR স্থগিত থাকবে।

প্রসঙ্গত, সপ্তাহ খানেক আগে I-PAC এর সল্টলেক অফিস এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে ED তল্লাশি চালায়। তোলপাড় পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। বিতর্ক আরও তীব্র হয়, কারণ তল্লাশি চলাকালীনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। সবুজ রঙের ফাইল এবং হার্ড ডিস্ক নিয়ে আসেন তিনি। অভিযোগ তোলেন ED তাঁর পার্টির স্ট্র্যাটেজি, ভোটের স্ট্র্যাটেজি এবং ভোটের প্রার্থী তালিকা সহ একাধিক নথি হাতিয়ে নিয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে ED। অভিযোগ, পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তল্লাশিতে বাধা দিয়েছেন। এমনকী তল্লাশির সময় গুরুত্বপূর্ণ নথি জোর করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার। পাল্টা FIR দায়ের করা হয় মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশের তরফেও। এই মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। রাজ্যের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে যায় ED, ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে রাজ্য। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement