Advertisement

West Bengal Election Date: বাংলায় কত দফায়, কবে কবে ভোট? রইল সম্পূর্ণ সূচি

পশ্চিমবঙ্গে ২ দফায় ভোট। প্রথম দফায় ১৫২ কেন্দ্রে ভোট। দ্বিতীয় দফায় ১৪২ কেন্দ্রে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট। আর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। ৪ মে হবে ভোট গণনা। নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবন সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এমনটাই জানালেন ভারতের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার। 

পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দিনপশ্চিমবঙ্গে ভোটের দিন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 15 Mar 2026,
  • अपडेटेड 4:33 PM IST
  • পশ্চিমবঙ্গে ২ দফায় ভোট
  • প্রথম দফায় ১৫২ কেন্দ্রে ভোট
  • দ্বিতীয় দফায় ১৪২ কেন্দ্রে

পশ্চিমবঙ্গে ২ দফায় ভোট। প্রথম দফায় ১৫২ কেন্দ্রে ভোট। দ্বিতীয় দফায় ১৪২ কেন্দ্রে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট। আর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। ৪ মে হবে ভোট গণনা। নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবন সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এমনটাই জানালেন ভারতের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার। 

প্রসঙ্গত, ভোটের দিন রবিবার থেকে বুধবারের মধ্যে ঘোষণা হতে পারে বলে খবর ছিল। যদিও আজ সকালেই জানা যায় যে রবিবারই সাংবাদিক সম্মেলন করতে চলেছে কমিশন। আর সেখান থেকেই পশ্চিমবঙ্গ, অসল, তামিলনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরির ভোট ঘোষণা হবে বলে জানা গিয়েছিল। আর হলও ঠিক তাই। আজ বিকেলেই তিনি পশ্চিমবঙ্গের ভোট ঘোষণা করে দিলেন।

কী হবে বিচারাধীন ভোটারদের? 
মাথায় রাখতে হবে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ফাইনাল ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তবে সেই লিস্ট ছিল অসম্পূর্ণ। তাতে ‘বিবেচনাধীন’ ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের নাম। আর আজ ভোট ঘোষণা হয়ে গেল। এখন প্রশ্ন হল, তাঁদের ভবিষ্যৎ কী? কমিশনের তরফ থেকে জানান হয়েছে যে এই সব বিচারাধীন ভোটারদের মধ্যে যোগ্যদের নাম প্রকাশ করা হবে। তাঁদের নাম ভোটার লিস্টে জুড়ে যাবে।
 
কমিশনের ফুল বেঞ্চ এসেছিল...
রবিবার ৮ মার্চ বাংলায় এসেছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সেই দলে ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এই সফরের লক্ষ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা। আর রাজ্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পরই গোটা চিত্রটা বুঝে নেয় ফুলে বেঞ্চ। 

এই সফরে পশ্চিমবঙ্গের প্রধান সব রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে করা বলে জ্ঞানেশ কুমারের দল। সেই বৈঠকে বিজেপি, সিপিআইএম, কংগ্রেসের মতো দলগুলি নির্বাচন যাতে শান্তিতে হয়, তৃণমূলের হিংসা যাতে আটকানো যায় সেটা নিশ্চিত করার কথা বলে। পাশাপাশি সকলেরই দাবি ছিল কম দফায় নির্বাচন করার। এছাড়া রাজ্যের বিরোধী দলগুলি চায় যাতে আধাসেনা নির্বাচন কমিশনের কথা মতো কাজ করে। তারা যেন ঠিক ঠাক নিরাপত্তা দেয়। 

Advertisement

এরপর আবার কমিশন বৈঠক করে রাজ্য প্রশাসন এবং পুলিশের সঙ্গে। তাদের কাছ থেকে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জানতে চান। পাশাপাশি ভোটের সময় যাতে শান্তি বজায় থাকে, গুন্ডাগিরি যাতে না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশ দেন। এই নির্দেশ মানা না হলে যে বড় বিপদ হতে পারে, সেটাও জানিয়ে দেন তিনি। 

এসবের শেষে কমিশন একটি সাংবাদিক বৈঠক করে। সেখানে কমিশনের পক্ষ থেকে জ্ঞানেশ কুমার জানান যে, এবারের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করার ক্ষেত্রে কোনও ত্রুটি রাখা হবে না। সেই মতো সমস্ত ধরনের ব্যবস্থা নেবে কমিশন। পাশাপাশি ভোটারদের সুবিধার্থে সব ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে টয়েলট, পানীয় জল এবং ফোন রাখার বন্দোবস্ত করা হবে বলেও জানিয়ে দেন তিনি। 
 

Read more!
Advertisement
Advertisement