Advertisement

West Bengal Elections 2026: ভোটের আগে BJP-তে ধাক্কা, TMC-তে যোগ কার্শিয়ঙের বিধায়কের, কে ইনি?

ভোটের আগে রাজ্য বিজেপিতে ভাঙন। তৃণমূলে যোগ দিলেন কার্শিয়ঙের বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা। পেশায় কৃষক। দলে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, "তিনি মাটির মানুষ। পেশায় কৃষক। তাই তিনি মা-মাটি-মানুষের দলে এসেছেন।" 

TMC-তে যোগ দিলেন বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মাTMC-তে যোগ দিলেন বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Feb 2026,
  • अपडेटेड 3:16 PM IST

ভোটের আগে রাজ্য বিজেপিতে ভাঙন। তৃণমূলে যোগ দিলেন কার্শিয়ঙের বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা। পেশায় কৃষক। দলে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, "তিনি মাটির মানুষ। পেশায় কৃষক। তাই তিনি মা-মাটি-মানুষের দলে এসেছেন।" 

বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষোভ উগরে দেন। বলেন, "আপনাদের উন্নত সমাজ, উন্নত ভবিষ্যত, উন্নত প্রজন্মের স্বপ্ন পূরণ করতে তৃণমূলে ঢুকেছি। আমি জানি যে দলে ছিলাম কেন্দ্র থেকে টাকা পাঠাত না, তা সত্ত্বেও উন্নয়নের কাজ থামেনি। গোটা ভারতে যে বিশৃঙ্খল রাজনীতি চলছে তা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।"

পৃথক গোর্খাল্যান্ড নিয়ে তাঁর দাবি, "আমাকে ধর্মের রাজনীতি করতে হচ্ছিল, স্লোগান দিতে হচ্ছিল। ৫ বছরে প্রতিদিন যদি আমরা ভোটের জন্য সময় নষ্ট করি, তাহলে দেশের জন্য কখন কাজ করব? আমার গোর্খা জনগণ ১৭ বছর ধরে অন্ধকারে আছে। টর্চ লাইটকে সূর্য বলছে। যা ইশতেহারে লেখা ছিল তা কিছুই করেনি। আমার জনগণের সঙ্গে জুমলা রাজনীতি করব? বিজেপি গোর্খা জনজাতিকে কিচ্ছু দেবে না। সুতোও দেবে না। শুধু শোষণ।...তাই আমি চিন্তা করলাম। বুঝলাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে লড়াই চালাচ্ছেন, তার একটি অংশ হব। আমি শুরু থেকেই SIR-কে বিরোধিতা করেছি। আমার পোস্ট দেখলেও বুঝবেন। এই SIR এত কম সময়ে কেন করা হল? যখন সব শেষ হয়ে গেছে চিঠি আসছে। ওনারা কি ভোট দেবেন না? পাহাড়ের অনেকে বঞ্চিত হবেন। আমি এর বিরুদ্ধে লড়ব। এটা বিহার নয়, পশ্চিমবঙ্গ।"

ভোটের আগে তৃণমূলে যোগ দিলেন টিকিটের জন্য? এই প্রশ্নের উত্তরে বিষ্ণুপ্রসাদ বলেন, "আমি টিকিটের জন্য নয়, উসুলের রাজনীতি করি।"

বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মার পরিচিতি
২০২১ সালে কার্শিয়াং থেকে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হয়ে জিতেছিলেন। একদা বিমল গুরুংয়ের সহযোগী ছিলেন তিনি। পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিও করেছিলেন। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, এখনও গোর্খাল্যান্ডের দাবি জানাচ্ছেন। বিজেপি স্বপ্ন দেখিয়েছিল। ইশতেহার অনুযায়ী কাজ করব। 

Advertisement

পরে ধীরে ধীরে বিজেপিতে তাঁর অস্বস্তি বাড়ে। গোর্খাল্যান্ড নিয়ে তাঁর যা দাবি তা বিজেপি পূরণ করেনি বলে জানান। ফলে বিজেপির বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষোভ জমতে থাকে। তিনি কখনও কখনও বিধানসভাতেও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিধানসভার বাইরে প্রতিবাদ স্বরূপ ধরনায় বসেছেন।

Read more!
Advertisement
Advertisement