Advertisement

West Bengal: TMC এখনও অনেকটাই এগিয়ে, BJP কি মমতার লৌহবাসরে ছিদ্র খুঁজে পেল? ডেটা যা বলছে...

উত্তরবঙ্গে, বিশেষ করে জলপাইগুড়ি ও মালদায় তৃণমূলের সবচেয়ে দুর্বল ঘাঁটি। যেমন জলপাইগুড়িতে মাত্র একটি আসনই তৃণমূলের শক্তিশালী ক্যাটেগরিতে পড়ছে। বেশির ভাগ আসনেই তৃণমূলের হয় দুর্বল, না হলে অতি দুর্বল ক্যাটেগরির। মালদায় ৪৯টি আসনের মধ্যে ২৮টি দুর্বল ক্যাটেগরিতে পড়ছে তৃণমূলের। 

বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসবিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস
পল্লবী পাঠক
  • নয়াদিল্লি,
  • 18 Mar 2026,
  • अपडेटेड 5:49 PM IST
  • কোন ক্যাটেগরিতে কোন দল?
  • দুর্বল ও অতি দুর্বল আসনগুলিকে ঘিরে লড়াই
  • ভোট স্যুইং ফ্যাক্টর

২০২৬ সালের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট। মূলত মেরুকরণের নির্বাচন। তৃণমূল কংগ্রেসের লৌবাসরের ছিদ্রটি খুঁজতে মরিয়া বিজেপি। কোথায় তৃণমূল দুর্বল, কোথায় সবল, অঙ্ক কষে এগোচ্ছে গেরুয়া শিবির। 

২৯৪টি কেন্দ্রের বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে, TMC-র দিকে এখনও পাল্লা ভারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের খুব শক্তিশালী আসন ১১৯টি ও শক্তিশালী আসন ৯৫টি। অর্থাত্‍ ২১৪টি আসনে মমতার দলের আধিপত্য বেশ পোক্ত। অন্যদিকে বিজেপি-র মাত্র ২টি আসন পড়ছে শক্তিশালী ক্যাটেগরিতে। একটিও আসন খুব শক্তিশালী ক্যাটেগরিতে নেই।

কোন ক্যাটেগরিতে কোন দল?

কীভাবে এই ক্যাটেগরি ভাগ করা হয়েছে? গত ৩টি বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষিতে এই ভাগ করা গিয়েছে। ২০১১, ২০১৬ ও ২০২১। খুব শক্তিশালী আসন সেগুলিকেই ধরা হয়েছে, যে সব আসনে গত ৩টি নির্বাচনেই একই দল জিতেছে। শক্তিশালী আসন সেইগুলি, যেখানে গত তিনটি নির্বাচনের দুটিতে একই দল ধরে রাখতে পেরেছে। এছাড়া দুর্বল আসনের ক্যাটেগরিতে রয়েছে, গত তিনটি বিধানসভার মধ্যে একটিতে জয়লাভ ও খুব দুর্বল আসনের ক্যাটেগরি হল, যে সব আসনে দল গত তিন নির্বাচনে হেরেছে। 

একনজরে দেখে নিন সার্বিক চিত্র -- DiU

দুর্বল ও অতি দুর্বল আসনগুলিকে ঘিরে লড়াই

বস্তুত, আসল লড়াইটা হতে চলেছে দুর্বল ও অতি দুর্বল আসনগুলিকে ঘিরে। কলকাতা ও আশপাশের আসনগুলিতে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূলের সমর্থন সবচেয়ে বেশি। এই এলাকায় ১০৫টি আসনের মধ্যে ৯৬টি আসনই তৃণমূলের খুব শক্তিশালী বা শক্তিশালী ক্যাটেগরিতে পড়ছে। বিজেপি-র কাছে যা বড় চ্যালেঞ্জ।

উত্তরবঙ্গে, বিশেষ করে জলপাইগুড়ি ও মালদায় তৃণমূলের সবচেয়ে দুর্বল ঘাঁটি। যেমন জলপাইগুড়িতে মাত্র একটি আসনই তৃণমূলের শক্তিশালী ক্যাটেগরিতে পড়ছে। বেশির ভাগ আসনেই তৃণমূলের হয় দুর্বল, না হলে অতি দুর্বল ক্যাটেগরির। মালদায় ৪৯টি আসনের মধ্যে ২৮টি দুর্বল ক্যাটেগরিতে পড়ছে তৃণমূলের। 

ভোট স্যুইং ফ্যাক্টর

কিছু এলাকায় আবার ভোট স্যুইংও দেখা যাচ্ছে। ২০২১ সালের নির্বাচনে জলপাইগুড়িতে ৭৯ শতাংশ আসনে ভোট স্যুইং হয়েছে। মালদায় ৮২ শতাংশ। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গে মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে ১৩০টি আসনে দল বদল হয়েছিল। কিন্তু এই পরিবর্তন রাজ্যের সব জায়গায় একভাবে হয়নি, বিশেষ করে যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস ভাল ফল করতে পারেনি, সেখানে এই বদলটা বেশি দেখা গিয়েছে। মেদিনীপুর অঞ্চলটি একটি বড় লড়াইয়ের জায়গা হয়ে উঠেছে। এখানে যেসব আসনে ফল একই ছিল আর যেসব আসনে দল বদল হয়েছে, দুটোর সংখ্যা প্রায় সমান।

Advertisement

সব মিলিয়ে ডেটা বলছে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাব অনেক জায়গায় থাকলেও সেটা কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে বেশি কেন্দ্রীভূত। আর বিজেপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হল, এই দোদুল্যমান এলাকাগুলিতে যেসব ভোটার এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি, তাদের নিজেদের পক্ষে আনা।

Read more!
Advertisement
Advertisement