
বাংলায় চলছে SIR বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন। ইতিমধ্যেই এনুমারেশন পর্ব শেষ হয়েছে। বেরিয়ে গিয়েছে খসড়া ভোটার লিস্ট। তারপর সন্দেহজনক কিছু পেলে বা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি (যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি) থাকলে ভোটারদের শুনানির জন্য ডাকছে নির্বাচন কমিশন। আর এমন পরিস্থিতিতেই বারবার বিতর্কে উঠে আসছে ফর্ম ৭। তৃণমূল বারবার দাবি করছে বিজেপির কাছে মজুত রয়েছে হাজার হাজার ফর্ম ৭। আর এমনটা হওয়ার পিছনে ষড়যন্ত্র দেখছে তৃণমূল কংগ্রেস।
এখন প্রশ্ন হল, এত কাণ্ড যেই ফর্মকে নিয়ে, সেই ফর্ম ৭ আসলে কী? আর সেই উত্তরটা দেওয়া হল নিবন্ধটিতে।
ফর্ম ৭ কী?
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, ফর্ম ৭ হল ভোটার তালিকায় নাম বাদ দেওয়ার একটি অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম। এই ফর্মের মাধ্যমে ৩ ধরনের আবেদন করা যেতে পারে।
কারা এই ফর্ম ফিলআপ করতে পারেন?
কখন ব্যবহার করা যেতে পারে?
এই ফর্মের মাধ্যমে মূলত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন জানান হয়। তাই কোনও ব্যক্তির মৃত্যু হলে, ভোটার স্থায়ীভাবে অন্য কোনও স্থানে চলে গেলে, ভোটারের একাধিক জায়গায় নাম থাকলে ও ভোটারের ভোটাধিকারের অধিকার না থাকলে এই ফর্ম ফিলআপ করা হয়।
এই ফর্মের উদ্দেশ্য কী?
ভোটার তালিকাকে শুদ্ধ করার জন্যই এই ফর্ম। এর মাধ্যমে ভোটার লিস্ট থেকে জালিয়াতি দূর করা হয়।
কীভাবে ফর্ম ৭ জমা দিতে হয়?
অনলাইনে ইলেকশন কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে ফর্ম ৭ জমা দিতে পারেন। আবার অফলাইনে বুথ লেভেল অফিসার বা ইআরও-এর কাছে গিয়েও এই ফর্ম জমা দেওয়া যায়।
জমা দিলেই কি বাদ যাবে?
নির্বাচন কমিশনের তরফে দাবি, কেউ এই ফর্ম জমা দিলেই ভোটারের নাম বাদ যাবে না। তার আগে বিষয়টা খতিয়ে দেখবে কমিশন। এরপরই নাম ডিলিট করা হবে।
কী অভিযোগ?
বর্তমানে তৃণমূল অভিযোগ করছে যে বিজেপির কাছে হাজার হাজার ফর্ম ৭ রয়েছে। এই ফর্ম পূরণ করেই যোগ্য ভোটারদের বাদ দিতে চাইছে গেরুয়া শিবির। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ বিজেপি।