Advertisement

Bangladesh Visa : ইউনূস আউট, বাংলাদেশে সব ভিসা সার্ভিস চালু করছে ভারত, কবে থেকে?

২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। তবে ২০০৯ সালে যখন হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন তখন কোনও সমস্যা হয়নি।

ফাইল ছবি ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ও ঢাকা ,
  • 19 Feb 2026,
  • अपडेटेड 6:22 PM IST
  • ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত হতে শুরু করেছে
  • খুব শিগগিরই ফের সব ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক করবে ভারত

তারেক রহমান ক্ষমতায় বসতেই ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত হতে শুরু করেছে। খুব শিগগিরই ফের সব ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক করবে ভারত। এই তথ্য দিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতে সিনিয়র কনস্যুলার অনিরুদ্ধ দাস। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ভিসা পরিষেবার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হবে। 

অনিরুদ্ধ দাসকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যম লিখেছে, 'মেডিকেল এবং ডাবল-এন্ট্রি ভিসা এখন জারি করা হচ্ছে।  ভ্রমণ ভিসা-সহ অন্য বিভাগ পুনরায় চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।' তিনি আরও বলেন, 'ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের উপর প্রতিষ্ঠিত। দুই দেশই দায়বদ্ধ।' 

২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। তবে ২০০৯ সালে যখন হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন তখন কোনও সমস্যা হয়নি। নানা ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজও করতে শুরু করেছিল দুই দেশের সরকার। সম্পর্ক মজবুত ছিল। 

অথচ মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বতীকালীন সরকারের আমলে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে। ভারত ও সেভেন সিস্টার্সকে নিয়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন ইউনূস। সেদেশে ভারত বিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলোও মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল। সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচার শুরু হয়েছিল। যার প্রতিবাদ করেছিল ভারত।  

কিন্তু অবস্থার উন্নতি হতে শুরু করে সম্প্রতি তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পর। তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। খালেদা-পুত্রকে শুভেচ্ছা বার্তাও পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তখন থেকেই কার্যত পরিষ্কার হয়ে যায়, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের জট খুলতে শুরু করেছে। 

জুলাই বিদ্রোহের সময় এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে  ভ্রমণের তিন দিন পর ৮ অগাস্ট ২০২৪ সালে ভারত প্রথমবারের মতো ভিসা স্থগিত করে। এরপর ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভিসা স্থগিতাদেশের পরবর্তী দফা শুরু হয়। স্থানীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশে  ভারতের ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলি ধারাবাহিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ১৭ নভেম্বর ঢাকা আইভিএসি তারপর ২২ নভেম্বর চট্টগ্রাম, খুলনা এবং রাজশাহি কেন্দ্রগুলি বন্ধ হয়ে যায়। 

Advertisement

 
Read more!
Advertisement
Advertisement