
বিস্ফোরণে ৭ জনের মৃত্যু হল বাংলাদেশ (Bangladesh)-এ। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। রবিবার রাজধানী ঢাকা (Dhaka)-তে এই ঘটনা ঘটেছে। কী ধরনের বিস্ফোরণ তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না। পুলিশ এবং দমকল জানিয়েছে, ওই ঘটনার জেরে অনেক বাড়িঘর, গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধেয় বাংলাদেশ (Bangladesh)-এর ঢাকা (Dhaka)-র মোঘবাজার (Moghbazar) এলাকায় ওই বিস্ফোরণ ঘটেছে। সেখানকার এক বাড়িতে ওই ঘটনা ঘটেছে। দমকলের এক কর্মী ফইসালুর রহমান জানান, খবর পেয়ে উদ্ধারের কাজ শুরু করা হয়।
তিনি আরও জানান, অন্তত ৭টি বাড়ি বিস্ফোরণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঢাকা (Dhaka)-র মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার সাফিকুল ইসলাম জানান, অন্তত জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে।
ঢাকা (Dhaka)-র এক ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানান, এটা একটা বড়সড় বিস্ফোরণ। ঢাকা মেট্রোপলিটনের পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের বোমা নিষ্ক্রিয় বিভাগের কর্মীরা সেখানে পৌঁছেছে। তাদের বিশেষজ্ঞরা সেখানে কাজ করছে। বিস্ফোরণের প্রকৃতি কী, তা খতিয়ে দেখছে তারা। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত, তা-ও দেখা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, সেখানে চারিদিকে পড়ে রয়েছে কাচের টুকরো। রাস্তার ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কংক্রিট। দু'টি যাত্রীবাহী বাস প্রবল ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলি ওই বাড়ির বাইরে ছিল।
ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ওমর সৈনি নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমার মাথার ওপর দিয়ে যেন আগুনের গোলা চলে গেল। চারিদিক কালো হয়ে গেল আর ধোঁয়ায় ভরে গেল। প্রচন্ড শব্দ পেলাম।
তিনি বলেন, মাথার ওপর যেন কাচের টুকরোর বৃষ্টি নেমে এল। আমি এই ব্য়াগ দিয়ে মাথা না ঢেকে রাখলে কাচের টুকরোর তলায় চলে যেতাম। ওপরওয়ালা আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, তারপর দেখি ওই দুটো বাস একে অপরকে ধাক্কা মারে। একটি দুমড়েমুচড়ে যায়। সেখান থেকে এক ব্যক্তি বেরিয়ে আসেন। তাঁর অবস্থা খুব খারাপ ছিল। আরও একজন আহতকে দেখতে পাই। আমরা এক জায়গায় চারজনকে দেখতে পাই। এঁদের মধ্যে এক শিশুও রয়েছে। তবে ওই শিশুটি মারা গিয়েছে। আমি তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম।
ঢাকা (Dhaka)-র একাত্তর টিভি জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা সঙ্কটজনক। আহতদের মধ্যে ৫০ জনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে।