Advertisement

Chinmay Krishna Das Case: চিন্ময়কৃষ্ণকে লক্ষ্য করে কোর্টে 'খুনি' স্লোগান, ফের বাংলাদেশে ধর্মীয় হিংসার আগুন

সোমবার বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের স্পিড ট্রাটাল কোর্টে হিন্দু সন্ন্যাসী এবং প্রাক্তন ISCON নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী সহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। এই কেস জুনিয়র সরকারি প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার মামলার সঙ্গে জড়িত। আদালত চিন্ময়কে দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা) এবং ১০৯ (ষড়যন্ত্র) ধারায় অভিযুক্ত করেছে, বাকি ২২ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় চার্জ গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের আদালতে সন্ন্যাসী চিন্ময় দাসের হত্যার বিচার শুরুবাংলাদেশের আদালতে সন্ন্যাসী চিন্ময় দাসের হত্যার বিচার শুরু
Aajtak Bangla
  • ঢাকা,
  • 20 Jan 2026,
  • अपडेटेड 4:51 PM IST

সোমবার বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের স্পিড ট্রাটাল কোর্টে  হিন্দু সন্ন্যাসী এবং প্রাক্তন ISCON নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী সহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। এই কেস  জুনিয়র সরকারি প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার মামলার সঙ্গে জড়িত।  আদালত চিন্ময়কে দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা) এবং ১০৯ (ষড়যন্ত্র) ধারায় অভিযুক্ত করেছে, বাকি ২২ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় চার্জ গঠন করা হয়েছে।

বিতর্কের সূত্রপাত কীভাবে
চিন্ময়কৃষ্ণ দাস বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনীর জাগরণ জ্যোতির মুখপাত্র। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর, তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন। ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে তাকে ঢাকা বিমানবন্দরে গ্রেফতার করা হয়। পরের দিন, চট্টগ্রামের একটি আদালতে তার জামিন মঞ্জুর করা হয়নি, এর প্রতিবাদে তার সমর্থকরা বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠে এবং বিক্ষোভ চলাকালীন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। আদালত প্রাঙ্গণের বাইরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আদালতে কী ঘটেছিল?
চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক উভয় পক্ষের যুক্তি শুনেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি ছিল যে সিসিটিভি ফুটেজ, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এবং কিছু স্বীকারোক্তি স্পষ্টভাবে চিন্ময় এবং তার ৩৮ জন অনুগামীর জড়িত থাকার প্রমাণ দেয়। আসামিপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করলেও আদালত রায় দিয়েছে যে ৩৯ জন অভিযুক্তের সকলের বিচার শুরু করা উচিত।

৩৯ জন অভিযুক্তের মধ্যে ২৩ জন (চিন্ময় সহ) কারাগারে আছেন এবং তাদের আদালতে হাজির করা হয়। বাকি ১৬ জন পলাতক। চিন্ময়কে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ছাতার নীচে   SWAT টিম আদালতে নিয়ে আসে। সেই সময় বাইরে, একদল আইনজীবী 'খুনি' এবং' হত্যাকারী' স্লোগান দিতে থাকেন।

ধর্মীয় হিংসা কি আবার ঘটতে পারে?
এই মামলাটি বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলিম উত্তেজনাকে পুনরুজ্জীবিত করছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যার প্রায় ৮% হিন্দু। চিন্ময়ের গ্রেফতার ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কেও টানাপোড়েন সৃষ্টি করে এবং ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রেহানুল ওয়াজেদ বলেন, এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত একটি সংবেদনশীল বিষয়। আদালত ২ ফেব্রুয়ারি সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিচার এখন দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে। চিন্ময়কৃষ্ণ আদালতে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং নিজেকে নির্দোষ ঘোষণা করেছেন।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement