
ফের শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ। সেই মামলায় চার্জ গঠন করা হবে ৯ ফেব্রুয়ারি। নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের এক আদালত। শেখ হাসিনা ছাড়া আরও ২৮৫ জনের বিরুদ্ধে এই মামলায় চার্জ গঠন করা হবে।
হাসিনার বিরুদ্ধে এই চার্জ গঠন করা হবে ২০২৪ সালের এক ঘটনার প্রেক্ষিতে। অভিযোগ, সেই বছরের ডিসেম্বর মাসে 'জয় বাংলা ব্রিগেড' নামে একটি ভার্চুয়াল সভা হয়। সেখানে কয়েক শো আওয়ামি লিগ সদস্য অংশ নিয়েছিলেন। হাসিনার নেতৃত্বে তাঁরা নাকি বাংলাদেশের অন্তর্বতীকালীন সরকারের পতনের ডাক দেন।
ঢাকার ওই আদালত সূত্রে খবর, অভিযুক্তদের তরফেও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের আবেদনও শোনা হয়েছে। মোট অভিযুক্ত ২৮৬ জন। এঁদের মধ্যে ২৫৯ জন পলাতক। তাঁদের অনুপস্থিতিতেই বিচার চলছে। এই মামলা যদিও আগেই শুরু হয়েছিল। নিয়ম মেনে বাকি অভিযুক্তদের আদালতে হাজিরার জন্য সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছিল।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের সেই ভার্চুয়াল সভা থেকে রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকী গৃহযুদ্ধ শুরুর বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেদিন নাকি দেশ ও বিদেশের ৫৭৭ জন ওই অনলাইন সভায় অংশ নিয়েছিলেন।
এই ঘটনার তদন্তভার রয়েছে বাংলাদেশের CID-র হাতে। তাদের দাবি, আমেরিকার আওয়ামি লিগ নেতা রাব্বি আলম সেই সভার আয়োজন করেছিলেন। এরপর ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ হাসিনা-সহ ৭২ জনের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়।
সিআইডির এক আধিকারিক জানান, ১৪ অগাস্ট হাসিনা-সহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের আইনে আগেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন হাসিনা। তিনটি ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয় তাঁকে। এবার তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা আনা হয়।