Advertisement

Bangladesh Election: বাংলাদেশে কত প্রার্থী ভোটে লড়বেন? শুধু ঢাকাতেই ৩০৯ জন

বাংলাদেশে নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য লড়বেন এক হাজার ৮৪২ জন প্রার্থী। অর্থাৎ প্রতিটি আসনে গড়ে অন্তত ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

বাংলাদেশে এবারের ভোটে লড়ছেন ১৮৪২ জন প্রার্থীবাংলাদেশে এবারের ভোটে লড়ছেন ১৮৪২ জন প্রার্থী
Aajtak Bangla
  • ঢাকা,
  • 05 Jan 2026,
  • अपडेटेड 11:04 AM IST

বাংলাদেশে  নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য লড়বেন এক হাজার ৮৪২ জন প্রার্থী। অর্থাৎ প্রতিটি আসনে গড়ে অন্তত ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আসন্ন এ নির্বাচনে সারা বাংলাদেশ থেকে ৫১টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন মোট ৩ হাজার ৪০৬ জন। তাদের মধ্যে দাখিল করেছেন ২ হাজার ৫৭৪ জন। যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এক হাজার ৮৪২ জনকে। গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই, যা গতকাল রবিবার শেষ হয়।

গত কয়েক দিন ধরে বিভাগীয় ও জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে বৈধ ও বাতিল প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছিল। প্রার্থিপদ বাতিলকে কেন্দ্র করে অনেক জেলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। অনেক প্রার্থী দাবি করেছেন- নির্বাচনী কর্মকর্তারা ছোট ভুলকে বড় করে দেখিয়ে প্রার্থিপদ বাতিল করে নির্বাচনকে জটিল করে তুলছেন। কোনও কোনও আসনে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিলের তালিকায় বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জাতীয় পার্টিসহ সব দলের প্রার্থীই রয়েছেন।

রোববার বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমীন মল্লিক সাংবাদিকদের  জানান, মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৪০৬টি, মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল ২ হাজার ৫৬৮টি। বাছাইয়ে বৈধ হয়েছে ১ হাজার ৮৪২টি। আর বাতিল হয়েছে ৭২৩টি মনোনয়নপত্র। এ ছাড়া বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও সঙ্গত কারণে তার মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়নি। সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে ঢাকা অঞ্চলে ১৩৩টি। সবচেয়ে কম বাতিল হয়েছে বরিশাল অঞ্চলে ৩১টি। ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে আপিল আবেদন। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে। প্রার্থিপদ প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

Advertisement

যাচাই-বাছাই শেষে  ঢাকা অঞ্চলে ৩০৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, যেখানে বাতিল হয়েছে ১৩৩টি। এদিকে শেখ হাসিন পরবর্তী সময়ে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার বেড়েছে বাংলাদেশে। এই আবহে আসন্ন নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে সেই দেশে। বাংলাদেশে একজন হিন্দু নেতাকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক গোপালগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসনের জন্য তার মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন, কিন্তু রিটার্নিং অফিসার শনিবার তার মনোনয়ন বাতিল করে দেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন, যে আসনটিতে ৫০% এরও বেশি হিন্দু ভোটার রয়েছে। গোবিন্দ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন। তিনি একজন আইনজীবী এবং ২৩টি সংগঠনের হিন্দুত্ববাদী জোট বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের (বিজেএইচএম) সাধারণ সম্পাদক।

খালেদা জিয়ার দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গোবিন্দ বলেন যে বাংলাদেশে একটি বিধান আছে যে অনুসারে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে তার এলাকার ১% ভোটারের স্বাক্ষর নিতে হবে। নিয়ম মেনে, তিনি ১% ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছিলেন, কিন্তু পরে সেই ভোটাররা রিটার্নিং অফিসারের কাছে এসে বলেন যে তাদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। গোবিন্দ অভিযোগ করেন যে খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কর্মীরা ভোটারদের তা করার জন্য চাপ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রিটার্নিং অফিসার সমস্ত স্বাক্ষর অবৈধ ঘোষণা করেন এবং মনোনয়ন বাতিল করেন।

প্রামাণিকের আসনে ৫১% ভোটার হিন্দু
গোবিন্দ দাবি করেন যে তিনি স্বাধীনভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন কারণ তিনি জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি বলেন যে গোপালগঞ্জের ৩,০০,০০০ ভোটারের মধ্যে ৫১% হিন্দু।

Read more!
Advertisement
Advertisement