Advertisement

Bangladesh Opposition: 'সমান্তরাল সরকার' চালাবে জামাত? তারেককে চাপে রাখতে 'শ্যাডো ক্যাবিনেট' তৈরির তোড়জোড়

তারেকের সরকারকে চাপে রাখতে আবার ছায়া ক্যাবিনেট বা শ্যাডো ক্যাবিনেট গঠন করতে চলেছে সেই দেশের বিরোধীরা। সংখ্যায় কম হলেও এই সব বিরোধীরা একজোট থাকতে চাইছে।

বাংলাদেশের বিরোধীদের শ্যাডো ক্যাবিনেটবাংলাদেশের বিরোধীদের শ্যাডো ক্যাবিনেট
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 17 Feb 2026,
  • अपडेटेड 10:13 AM IST
  • তারেকের সরকারকে চাপে রাখতে আবার ছায়া ক্যাবিনেট বা শ্যাডো ক্যাবিনেট গঠন করতে চলেছে সেই দেশের বিরোধীরা
  • সংখ্যায় কম হলেও এই সব বিরোধীরা একজোট থাকতে চাইছে
  • বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি বা BNP

বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি বা BNP। আর আজ সরকার গঠন। পার্টির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন। এ দিনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানান হয়েছে। আজ ভারতের পক্ষ থেকে সেখানে উপস্থিত থাকার কথা ওম বিড়লার।

তবে তারেকের সরকারকে চাপে রাখতে আবার ছায়া ক্যাবিনেট বা শ্যাডো ক্যাবিনেট গঠন করতে চলেছে সেই দেশের বিরোধীরা। সংখ্যায় কম হলেও এই সব বিরোধীরা একজোট থাকতে চাইছে। এই প্রসঙ্গে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির মুখপাত্র আসিফ মেহমুদ শোয়েব ফেসবুকে লেখেন, তাঁরা একটি শ্যাডো ক্যাবিনেট গঠন করতে চাইছেন। এই ক্যাবিনেটের কাজ হবে সরকারের কাজের উপর নজরদারি করা। 

একই কথা বলেন শশী মুনিরও। তিনি জামাত-ই ইসলামির টিকিটে ভোটে লড়েছেন। আর ভোটের ফলাফল বেরনোর পর ঘোষণা করেছেন, 'সরকার নিজের মতো করে একটা ক্যাবিনেট গঠন করুক। আমরাও একটা ক্যাবিনেট গঠন করছি। সংসদের ভিতরে এবং বাইরে বিতর্ক চলবে।'

মাথায় রাখতে হবে যে বাংলাদেশ ভোটের আগে একদিকে ছিল বিএনপি। ওদিকে ছিল জামাত-ই ইসলামি, এনসিপি সহ ১১টি দলের জোট। আর এই বিরোধী জোট মোট ৭৭টি আসনে জেতে নির্বাচনে। আর ওদিকে বিএনপি জেতে ২১২টি আসনে। কিন্তু তারপরও বিএনপি-এর উপর চাপ বজায় রাখতে চলেছে বিরোধীরা। তাঁরা শ্যাডো ক্যাবিনেট গঠন করতে চলেছে। 

শ্যাডো ক্যাবিনেট বিষয়টা কী?
ইউকে-এর ওয়েস্টমিনিস্টার পার্লামেন্টরি সিস্টেমে এমনটা প্রথমবার দেখা গিয়েছিল। সেখানে ভোটের পর বিজয়ী এবং বিরোধী, দুই দলই নিজেদের মতো করে একটা ক্যাবিনেট তৈরি করে। এক্ষেত্রে সরকারের যেমন শিক্ষা, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য মন্ত্রী থাকে, তেমনই বিরোধীরাও এই সব বিভাগের জন্য নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে নির্বাচন করেন। তাঁরা সরকারের কাজ দেখেন। করেন প্রশ্ন। এমনকী প্রয়োজনে পরামর্শ দেন। এটাই হল শ্যাডো ক্যাবিনেট।

বাংলাদেশে এমনটা সম্ভব? 
এর আগে বাংলাদেশে কোনও শ্যাডো ক্যাবিনেট ছিল না। সংসদীয় ব্যবস্থায় এর কোনও উল্লেখ নেই। বিরোধীরা সংসদে সরকারের বিরুদ্ধে বলতে পারে। তবে শ্যাডো ক্যাবিনেট গঠন করার চল নেই। আর এখানেই ভয়। 

Advertisement

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এনসিপি, জামাতের মতো দল সংসদীয় রাজনীতিতে বিশ্বাস না রাখতেও পারে। তাই তাঁরা সমান্তরাল সরকার চালাতে উদ্যোগী হতে পারে। আর সেটাই বিপদের কারণ।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement