Advertisement

Bangladesh: বড় সঙ্কটে বাংলাদেশ! ভারতীয় সুতোর দাপটে তালা ঝুলতে পারে কয়েকশো টেক্সটাইল মিলে

সঙ্কটের মুখে বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্প। সুতো আমদানিতে শুল্ক ছাড় বন্ধের দাবিতে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশজুড়ে স্পিনিং ইউনিট শাট ডাউনের হুঁশিয়ারি দিলেন টেক্সটাইল মিল মালিকেরা। জানুয়ারির মধ্যেই সিদ্ধান্ত গৃহীত না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে বলে আশঙ্কা।

মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে বাংলাদেশের সুতো শিল্প।মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে বাংলাদেশের সুতো শিল্প।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 Jan 2026,
  • अपडेटेड 5:08 PM IST
  • সুতো আমদানিতে শুল্ক ছাড় বন্ধের দাবিতে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই দেশজুড়ে স্পিনিং ইউনিট বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সেদেশের টেক্সটাইল মিল মালিকেরা।
  • জানুয়ারির মধ্যেই সিদ্ধান্ত গৃহীত না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে বলে আশঙ্কা।
  • সঙ্কটের সূত্রপাত বাণিজ্য মন্ত্রককে লেখা একটি চিঠি কেন্দ্র করে।

সঙ্কটের মুখে বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্প। সুতো আমদানিতে শুল্ক ছাড় বন্ধের দাবিতে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশজুড়ে স্পিনিং ইউনিট শাট ডাউনের হুঁশিয়ারি দিলেন টেক্সটাইল মিল মালিকেরা। জানুয়ারির মধ্যেই সিদ্ধান্ত গৃহীত না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে বলে আশঙ্কা। সঙ্কটের সূত্রপাত বাণিজ্য মন্ত্রককে লেখা একটি চিঠি কেন্দ্র করে। সেই চিঠিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সিস্টেমে সুতো আমদানির ক্ষেত্রে Zero ট্যারিফের সুবিধা বন্ধের দাবি করা হয়েছে। কেন? বাংলাদেশের টেক্সটাইল মিল মালিকদের দাবি, বিনাশুল্কে, সস্তায় বিদেশি(ভারতীয় ও চিনা) সুতো আমদানি হচ্ছে। ফলে জামা-প্যান্ট তৈরির কোম্পানিগুলি সেগুলিই কিনছে। স্থানীয় স্পিনিং মিলের বানানো সুতো কেউ কিনছে না। মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তাঁরা। 

বাংলাদেশের গার্মেন্ট প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি বহু বছর ধরেই ভারতের তৈরি কার্পাস সুতো এবং চিনের পলিয়েস্টার সুতোর উপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশে তৈরি সুতোর তুলনায় এগুলির দাম তুলনামূলকভাবে কম। মানেও উন্নত। সেই কারণেই সেদেশে তৈরি সুতো ছেড়ে বিদেশ থেকেই আমদানির প্রবণতা। বস্ত্র প্রস্তুককারকদের সুবিধার্থে তাই সুতো আমদানিতে কোনও ট্যাক্সও নেয় না বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু সেদেশের সুতো মিলের মালিকদের দাবি, এর ফলে তাঁরা চরম আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়ছেন।

মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা গ্যাস সঙ্কট। গত তিন থেকে চার মাসে গ্যাসের ঘাটতি বেড়েছে। সরবরাহ অনিয়মিত। দাম বেড়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর ফলে বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পে ইতিমধ্যেই প্রায় ২০০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে। একাধিক মিলের উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছে। বারবার আবেদন সত্ত্বেও ভর্তুকিযুক্ত গ্যাস পাচ্ছে না শিল্পমহল।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (BTMA)-এর দাবি, সস্তায় ভারতীয় সুতোয় বাজার ছেয়ে গিয়েছে। এর ফলে তাঁদের প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার সুতো গুদামেই পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৫০টিরও বেশি মিল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। হাজার হাজার শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। গলা অবধি ধার দেনায় ডুবে মিল মালিকরা।

Read more!
Advertisement
Advertisement