
দুই বাংলাতেই বেশ জনপ্রিয় হিরো আলম। অভিনয়ের পাশাপাশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসাবেও জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন তিনি। মাঝে মধ্যেই নানান কারণে খবরের শিরোনামে চলে আসেন তিনি। বহুদিন আগেই রাজনীতিতে নাম লিখিয়েছেন তিনি। এর আগে একাধিক সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে দেশজুড়ে শোরগোল ফেলেছিলেন। শোনা যাচ্ছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে লড়বেন হিরো আলম। কিন্তু রবিবার তাঁর একটি পোস্ট থেকেই জানা যায় যে এবারের নির্বাচনে তিনি লড়বেন না।
বাংলাদেশের একাধিক সংবাদপত্র অনুযায়ী, হিরো আলম শেষ মুহূর্তে আমজনতা দল থেকে মনোনয়নপত্র নিলেও তা শেষ পর্যন্ত জমা দেননি। তাই বলা চলে নির্বাচনের ময়দান থেকে কার্যত সরেই দাঁড়ালেন বাংলাদেশের আলোচিত এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। আলম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠ থেকে সরে দাঁড়ালেও আলোচনা পিছু ছাড়ছে না। আশরাফুল হোসেন আলমের ওরফে হিরো আলম উচ্চ আদালত থেকে আবেদন করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে নির্বাচন থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন তিনি। এরপর বেশ দীর্ঘ সময় রাজনীতি নিয়ে মৌনতা পালন করছিলেন এবং ব্যস্ত ছিলেন নিজের ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে।
কিন্তু সেই মৌনতা ভাঙেন আলম রবিবার। নিজের ফেসবুক পেজে তাঁর রহস্যময় পোস্ট ঘিরে ফের জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। আলম পোস্ট করেন, এবারের নির্বাচবে আমার অভাব পূরণ করেছেন ঢাকা-৮ আসনের এক প্রার্থী। তবে এই পোস্টে সেই প্রার্থীর নাম উল্লেখ না করায় বিষয়টি নিয়ে বেশ হইচই সৃষ্টি হয়েছে। প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনটি সবথেকে আলোচিত আসনগুলোর মধ্যে একটি। এই আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। নির্বাচনের শুরু থেকেই এই দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে চলছে তীব্র বাকযুদ্ধ।
তবে হিরো আলম তাঁর এই পোস্টের মাধ্যমে কাকে ইঙ্গিত করেছেন, সেই বিষয়ে যদিও কিছুই বলেননি। কোন প্রার্থীর মধ্যে তিনি নিজের ছায়া খুঁজে পেলেন, সেই বিষয়ে কিছুই স্পষ্ট করে হিরো আলম বলেননি। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর নিজের কনটেন্ট ক্রিয়েশনের দিকেই মন দিয়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করছেন একের পর এক ভিডিও।