Advertisement

Bangladesh: বাংলাদেশের অর্থনীতির মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা, EU-র সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চায় বাংলাদেশও

নিজেদের অর্থনীতি বাঁচাতে এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাত ধরতে চাইছে বাংলাদেশ। গত সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষরিত করেছে ভারত।

আতঙ্কিত মহম্মদ ইউনূস আতঙ্কিত মহম্মদ ইউনূস
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ও ঢাকা ,
  • 01 Feb 2026,
  • अपडेटेड 5:33 PM IST
  • নিজেদের অর্থনীতি বাঁচাতে এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাত ধরতে চাইছে বাংলাদেশ
  • গত সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষরিত করেছে ভারত

নিজেদের অর্থনীতি বাঁচাতে এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাত ধরতে চাইছে বাংলাদেশ। গত সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষরিত করেছে ভারত। তার জেরে প্রমাদ গুণেছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। 

ভারতের মতো বৃহত্তম দেশ বাণিজ্য করলে তাদের জিডিপি কমে যাবে। কারণ, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে EU এখন সাত বছরের মধ্যে ভারত থেকে আমদানি করা ৯৯ শতাংশ পণ্যের উপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার বা হ্রাস করবে। ভারতও ৯৭ শতাংশ পণ্যের উপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার বা হ্রাস করবে। ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য হবে আরও বেশি। 

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির জেরে EU-এর বাজারে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, মাছ, প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন পণ্যে ভারত শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের রফতানি প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে। কমে যাবে বিক্রিও। সেই সব দেখেশুনে এখন নিজেদের বাঁচাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ব্যবসা করতে চাইছেন বাংলাদেশের অন্তর্বতীকালীন প্রধান মহম্মদ ইউনূস। 

রবিবার এই বিষয়ে তিনি জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে তাঁরাও আগ্রহী। সেই নিয়ে আলোচনা শুরু করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ইউরোপীয় চেম্বার অফ কমার্স ইন বাংলাদেশের চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজের সঙ্গে বৈঠক করেন ইউনূস। সেখানে ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও। 

ইউনূস জানান, এই বছরই তাঁরা জাপানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। সেখানে ৭৩০০-রও বেশি পণ্য করমুক্ত হয়েছে। শুল্কমুক্ত বাণিজ্যের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গেও কথা বলতে চান তাঁরা। নুরিয়া লোপেজ নিজে জানান, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি তাঁরাও চান। এতে বাংলাদেশের সুবিধা হবে। অনেক জিনিস তারা ইউরোপের দেশগুলিতে বিক্রি করতে পারবে। ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে। তবে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, এই চুক্তি হলেও তা ২০২৯ সালের আগে নয়। 

Read more!
Advertisement
Advertisement