Advertisement

Dipu Das: বাংলাদেশের দীপু দাস হত্যার মাস্টারমাইন্ড ইয়াসিন গ্রেফতার, মসজিদে পড়াত...

হিন্দু যুবক দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারী ইয়াসিন আরাফাতকে গ্রেফতার করল বাংলাদেশ পুলিশ। আজই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দীপু দাসের হত্যাকারীদীপু দাসের হত্যাকারী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 08 Jan 2026,
  • अपडेटेड 2:16 PM IST
  • হিন্দু যুবক দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারী ইয়াসিন আরাফাতকে গ্রেফতার করল বাংলাদেশ পুলিশ
  • আজই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে
  • এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে

হিন্দু যুবক দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারী ইয়াসিন আরাফাতকে গ্রেফতার করল বাংলাদেশ পুলিশ। আজই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের সময় সেখানে উপস্থিত ছিল ইয়াসিন। সেই দীপুর বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। উপস্থিতদের ইসকানি দেয়। পাশাপাশি এই ইয়াসিনই দীপুকে টেনে বাইরে নিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।

এখানেই শেষ নয়, গণপিটুনির পর দীপুকে চৌরাস্তা পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় এই ইয়াসিনই। তারপর ঝুলিয়ে দেয় গাছে। সেখানে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এই ইয়াসিন এলাকারই বাসিন্দা। ওখানকারই একটি মসজিদে পড়াত।

কী ঘটেছিল?

২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্ট অভ্যুত্থানের পর থেকেই হিন্দুদের উপর বাংলাদেশে ক্রমাগত আক্রমণ হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়ি। চলেছে মারধোর। আর সেই ধারার সবথেকে নিকৃষ্ট উদাহরণ দীপু দাসের ঘটনা। এই বাংলাদেশি হিন্দুকে প্রথমে গণপিটুনি দেওয়া হয়। তারপর গাছে ঝুলিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। মৃত্যু হয় তাঁর।

আর এই ঘটনার পরই নিন্দার ঝড় ওঠে। তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। আর সেই ঘটনারই মূল ষড়যন্ত্রকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

উসমান হাদির মত্যুর পরই এই ঘটনা

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ছত্রনেতা উসমান হাদির উপর গুলি চলে ঢাকায়। তাকে বাঁচানোর সমস্ত চেষ্টা চলে। উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বিদেশেও। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। এই নেতা ১৮ ডিসেম্বর মারা যান। আর এই ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশে ইন্ডিয়া বিরোধী স্লোগান বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে হিন্দুদের উপর চরম অত্যাচার হয় বলে খবর।

আর এমন পরিস্থিতিতেই ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে বাংলাদেশের ময়মনসিংহ এলাকার একটি কাপড় কারখানায় ইসলাম নিয়ে অবমাননাকর কথা বলার অভিযোগ ওঠে দীপুর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে প্রথমে তাঁকে মারধোর করা হয়। তারপর গাছে ঝুলিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তাতেই প্রাণ যায় দীপুর। আর এই ঘটনার পরই হিন্দুদের মধ্যে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়। এমনকী ভারতেও এই ঘটনার প্রতিবাদ হতে থাকে। বিজেপি সহ প্রায় সব দলই এই ঘটনার নিন্দা করেন। আর এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার দীপু দাসের মৃত্যুর পিছনে থাকা আসামীদের গ্রেফতার করার প্রতিশ্রুতি দেন।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement