Advertisement

Bangladesh Elections: BNP থেকে জামাত সবার ইশতেহারে ব্রাত্য হিন্দুরা, ভোটের আগে গর্জে উঠল সংখ্যালঘুরা

১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে বাংলাদেশে। ভোটে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে কী কী করতে চান, সেই প্রতিশ্রুতিমালা নিয়ে এরই মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিএনপিসহ দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর স্বার্থ ও অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি সামগ্রিকভাবে উপেক্ষিত রয়েছে।

 BNP-সহ সব দলের উপরই ক্ষোভ উগরালো ঐক্য পরিষদ BNP-সহ সব দলের উপরই ক্ষোভ উগরালো ঐক্য পরিষদ
Aajtak Bangla
  • ঢাকা,
  • 08 Feb 2026,
  • अपडेटेड 11:57 AM IST

বাংলাদেশ আগামী  ১২ ফেব্রুয়ারি  জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আর এই আবহেই  ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ বাড়ছে। বাংলাদেশে নির্বাচনের আবহে  উত্তেজনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের আগের মাসগুলিতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে সংখ্যালঘুরা, বিশেষ করে হিন্দুরা ক্রমশ নিরাপত্তাহীন বোধ করছে। মানবাধিকার সংগঠন এবং সংখ্যালঘু অধিকার গোষ্ঠীগুলি যুক্তি দেয় যে এই ঘটনাগুলি ২০২৪ সালের অগাস্টে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর সংখ্যালঘুদের জন্য অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিবেশের প্রতিফলন ঘটায়। আর এই আবহেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো যে ইশতেহার দিয়েছে, তাতে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ ও অধিকার নিশ্চিতের নিশ্চয়তা না পাওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

শনিবার সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি দাবি করে, বিএনপিসহ দেশের প্রায় সব প্রধান রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অধিকার রক্ষার বিষয়টি সামগ্রিকভাবে উপেক্ষা করেছে। সংগঠনটি মনে করে, রাজনৈতিক দলগুলোর এমন উদাসীনতা দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য উদ্বেগজনক। বিবৃতিতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জানায়, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল এবং জোটগুলোর এই উপেক্ষা সংখ্যালঘু ভোটারদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল এবং জোটসমূহের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে উপেক্ষা এবং অবহেলার নেতিবাচক প্রভাব নির্বাচনেও প্রতিফলিত হতে পারে’। সেইসঙ্গে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দলগুলোর পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনও অঙ্গীকার না আসায় তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

প্রসঙ্গত, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে বাংলাদেশে। ভোটে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে কী কী করতে চান, সেই প্রতিশ্রুতিমালা নিয়ে এরই মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিএনপিসহ দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর স্বার্থ ও অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি সামগ্রিকভাবে উপেক্ষিত রয়েছে।

Advertisement

বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাউন্সিল, যিনি সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হিংসার  ঘটনাগুলিকে 'কেবলমাত্র একটি রাজনৈতিক বিষয়' হিসাবে উল্লেখ করে তা লঘু করে দেখেছেন। ঐক্য পরিষদ জোর দিয়ে বলেছে যে নির্বাচনী প্রচারের সময় মৌখিক আশ্বাস অপর্যাপ্ত এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আস্থা পুনরুদ্ধার বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অক্ষম। আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে, ঐক্য পরিষদ সতর্ক করে বলেছে যে রাজনৈতিক দল এবং জোটের এই ধরনের ক্রমাগত অবহেলা এবং উদাসীনতা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর হতাশা সৃষ্টি করেছে এবং তাদের ভবিষ্যতের অস্তিত্বের জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করেছে। কাউন্সিল আরও বলেছে যে যদি এই অবহেলার পরিণতি নির্বাচনের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়, তাহলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলিকে কোনওভাবেই দায়ী করা যাবে না। বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচনী প্রচারে মৌখিকভাবে নিরাপত্তার অভয়দান (প্রতিশ্রুতি দেওয়া) সংখ্যালঘু জনমনে কোনোভাবে আস্থা ও আশা জাগাতে পারছে না।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement