Advertisement

Bangladesh Election : বাংলাদেশে হু হু করে কমেছে হিন্দুর সংখ্যা, এবারের ভোট বদলাবে সংখ্যালঘুদের ভাগ্য?

বিএনপি, জামাত-সহ প্রায় সব দলই আশ্বাস দিয়েছে, ক্ষমতায় এলেই সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করা হবে। জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা দীপু দাসকে আর্থিক সাহায্যও করা হয়েছে ভোটের প্রাক্কালে। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন, বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার নতুন কোনও ঘটনা নয়।

কাল বাংলাদেশে ভোট কাল বাংলাদেশে ভোট
Aajtak Bangla
  • ঢাকা ,
  • 11 Feb 2026,
  • अपडेटेड 8:05 PM IST
  • বাংলাদেশে হিন্দু তথা সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার বাড়ছে
  • গত কয়েক মাসে দীপু দাস, সুসেন সরকার-সহ অনেকে খুন হয়েছেন ধর্মান্ধদের হাতে

মহম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলাদেশে হিন্দু তথা সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার বাড়ছে। গত কয়েক মাসে দীপু দাস, সুসেন সরকার-সহ অনেকে খুন হয়েছেন ধর্মান্ধদের হাতে। এই আবহে কাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশে। 

বিএনপি, জামাত-সহ প্রায় সব দলই আশ্বাস দিয়েছে, ক্ষমতায় এলেই সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করা হবে। জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা দীপু দাসকে আর্থিক সাহায্যও করা হয়েছে ভোটের প্রাক্কালে। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন, বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার নতুন কোনও ঘটনা নয়। গত কয়েক দশক ধরেই প্রায় সব রাজনৈতিক দলই সংখ্যালঘুদের অধিকার সুরক্ষিত করার কথা বলেছেন। অথচ ভোট মিটে যাওয়ার পর প্রতিশ্রুতি পালন করেননি কেউই। তার জেরে শঙ্কিত হিন্দুরা। 

বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশ হিন্দু। চার দশক আগে ছিল ১৩.৫ শতাংশ। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপত্তাহীনতা, ক্রমাগত আক্রমণের শিকার হয়ে সেই দেশ থেকে হিন্দুরা পালাতে বাধ্য হয়েছেন। সেই কারণে জনসংখ্যা বৃদ্ধির পরিবর্তে হ্রাস পেয়েছে। 

বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ নিয়ে বেশ কয়েকটি মানবাধিকার গোষ্ঠী উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এই গোষ্ঠীগুলির মতে, বর্তমান সহিংসতা কেবল অপরাধমূলক কার্যকলাপের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সাম্প্রদায়িক। মন্দিরে আক্রমণ হচ্ছে, ভাঙচুর করা হচ্ছে ধর্মীয় স্থান। আসলে বিশ্বাসে আঘাত হানার চেষ্টা করছে মৌলবাদীরা। ভারত-সহ বিশ্বের নানা দেশ ইতিমধ্যেই এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। কিন্তু তারপরও হিন্দুদের উপর অত্যাচার কমেনি। 

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস যদিও সহিংস ঘটনাগুলোকে অপরাধমূলক বা ব্যক্তিগত বলে দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে রেকর্ড করা ৬৪৫টি ঘটনার মধ্যে মাত্র ৭১টি সাম্প্রদায়িক। যদিও একাধিক মানবাধিকার সংগঠন এর বিরোধিতা করেছে। 

তাঁদের মতে, বাংলাদেশে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি হয়। সেটা অনেক আগে থেকেই। তবে হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ধর্মীয় রাজনীতি মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। যেমন জামাত ইসলামির মতো সংগঠনের জন্মই ভারত বিরোধিতার এজেন্ডা থেকে। একই কথা কার্যত খাটে বিএনপির ক্ষেত্রেও। ফলে এই দলগুলো ক্ষমতায় এলে সংখ্যালঘুদের অবস্থা কী হবে তা ভেবে শিউরে উঠতে হয়। 

Advertisement

এখন প্রশ্ন হল নির্বাচনের পর হিন্দুদের ভবিষ্যৎ কী? নির্বাচনের ফলাফল যদি উগ্রপন্থীদের পক্ষে যায় তাহলে সেই দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ থাকবেন না। হিন্দুদের ভয় এবং অস্তিত্বের উদ্বেগ আরও গভীর হতে পারে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, নির্বাচনের পর যদি নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার এবং সমান অধিকার নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এর ফল ভুগতে হবে। 
 

Read more!
Advertisement
Advertisement