Advertisement

Minority Violence Bangladesh: 'হিন্দুদের উপর হামলা সাম্প্রদায়িক কারণে নয়...' ইউনূস সরকারের নয়া রিপোর্টে প্রশ্ন বাংলাদেশেই

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিনই হিন্দু নির্যাতনের খবর সামনে আসছে। মারধোর, বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া, চুরি ও ধর্ষনের মতো ঘটনা রোজই লেগে রয়েছে। সেই সঙ্গে তালমিলিয়ে চলছে হিন্দু নিধন। জনসমক্ষে হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে। তবে বর্তমান ইউনূস সরকার আবার এই সব ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক হিংসা বলে মানতে নারাজ। সরকারের পক্ষ থেকে এগুলিকে অপরাধমূলক কাজ হিসেবেই দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বাংলাদেশে হিন্দু আক্রমণবাংলাদেশে হিন্দু আক্রমণ
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 20 Jan 2026,
  • अपडेटेड 8:24 AM IST
  • বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন
  • প্রতিদিনই হিন্দু নির্যাতনের খবর সামনে আসছে
  • বর্তমান ইউনূস সরকার আবার এই সব ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক হিংসা বলে মানতে নারাজ

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিনই হিন্দু নির্যাতনের খবর সামনে আসছে। মারধোর, বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া, চুরি ও ধর্ষনের মতো ঘটনা রোজই লেগে রয়েছে। সেই সঙ্গে তালমিলিয়ে চলছে হিন্দু নিধন। জনসমক্ষে হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে। তবে বর্তমান ইউনূস সরকার আবার এই সব ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক হিংসা বলে মানতে নারাজ। সরকারের পক্ষ থেকে এগুলিকে অপরাধমূলক কাজ হিসেবেই দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

কী বলছে ইউনূস সরকার? 
আসলে জুলাই-অগাস্ট অভ্যুত্থানের পর বাংলেদেশে এখন অন্তবর্তী সরকার চলছে। সেই সরকারের মাথায় রয়েছেন মহম্মদ ইউনূস। আর সেই সরকার ২০২৫ সালের সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের একটি রিপোর্ট সামনে এনেছে। 

এই রিপোর্টে পুলিশকে উদ্ধৃত করে জানান হয়েছে, বাংলাদেশে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে মোট ৬৪৫টি সংখ্যালঘু হিংসার ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে। আর তার মধ্যে মাত্র ৭১টি ঘটনার পিছনে সাম্প্রদায়িক চিন্তাভাবনা ছিল। বাদবাকি ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অপরাধ মানসিকতা থেকেই হিংসা করা হয়েছে।

ইউনূস সরকার জানায়, এই প্রত্যেকটা ঘটনাই চিন্তার বিষয়। এই তথ্য একটা সঠিক চিত্র সামনে নিয়ে আসছে। তাদের মতে, এই তথ্য অনুযায়ী মন্দির ভাঙুচুরের ঘটনা মাত্র ৩৮টি ক্ষেত্রে ঘটেছে। ৮টি অগ্নিসংযোগ, ১টি চুরি এবং ১টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি আরও ২৩টি এমন ঘটনা রয়েছে, যেখানে মূর্তি ভেঙে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমন ৭১টি ঘটনায় ৫০টি পুলিশ কেস হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে দোষীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। আর এটাই হল বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার হিসেব। বাদবাকি ৫৭৪টি ঘটনায় কোনও সাম্প্রদায়িক দিক ছিল না বলে জানিয়েছে ইউনূস সরকার।

এই সরকার দাবি করে, ৫১টি ক্ষেত্রে প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝামেলা, ২৩টি ক্ষেত্রে জমি নিয়ে ঝামেলা, ১০৬টি চুরি, ২৬টি পুরনো শত্রুতা, ৫৮টি ধর্ষণ ও ১৭২ অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে গত বছরে। এই সব ঘটনায় পুলিশ ৩৯০টি কেস ফাইল করেছে। নিয়েছে যথাযথ ব্যবস্থা। 

Advertisement

এই রিপোর্ট নিয়েই উঠছে প্রশ্ন
বাংলাদেশ সরকারের এই রিপোর্ট নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে। বাংলাদেশ হিন্দু বুদ্ধ খ্রিস্টান ইউনিটি কাউন্সিলের নেতা কাজল দেবনাথ এই রিপোর্টকে উড়িয়ে দেন। তাঁর মতে, সরকারের এই ধরনের বার্তাই অপরাধীদের উৎসাহিত করবে। সরকার এই ঘটনাকে অসাম্প্রদায়িক বললে যে কেউ হাতে আইন তুলে নেবে। পাশাপাশি তাঁর দাবি, সংখ্যালঘুদের উপর এই ধরনের অত্যাচার দিন দিন বেড়েই চলেছে। 

কত হিন্দু রয়েছে বাংলাদেশে? 
২০২২ সালের জনসংখ্যার রিপোর্ট বলছে বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ হিন্দু রয়েছে। আর এই সংখ্যাটা জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ। এছাড়া বাংলাদেশে বৌদ্ধ থেকে খ্রিস্টানরাও রয়েছে। আর তাদের উপরই নিত্যদিন হামলা চলছে বলে অভিযোগ।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement