
যেমনটা আশা করা হয়েছিল, ঠিক তেমনটাই হল। বাংলাদেশ ভোটের আগে আসন সমঝোতা করল জামাতই ইসলামি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
আসন্ন বাংলাদেশ নির্বাচনে জামাতই ইসলামি ১৭৯টি আসনে লড়বে। আর ৩০টি আসনে লড়বে জুলাই-অগাস্ট ছাত্র আন্দোলনের পর তৈরি হওয়া এনসিপি।
তবে শুধু জামাত বা এনসিপি নয়, এছাড়াও একাধিক পার্টি এই জোটে অংশগ্রহণ করছে। তাদেরও দেওয়া হয়েছে আসন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ খিলাফতে মজলিস পার্টি ২০টি আসন পেয়েছে। খিলাফতে মজলিস পেয়েছে ১০টি আসন। নিজাম এ ইসলামি পার্টি লড়বে ২টি আসন। পাশাপাশি ২টি আসন পেয়েছে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।
এই নির্বাচনি সমঝোতার কথা জানিয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনও করা হয়। সেই সম্মেলনের পিছনে ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ ও ‘১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’-এর মতো কথাগুলিও লেখা ছিল।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বাংলাদেশের নির্বাচন আর বেশিদিন বাকি নেই। এটাই বাংলাদেশের নির্বাচনের সবথেকে বড় জোট বলে মনে করা হয়। আর এই জোটে একত্রিত হয়েছে বাংলাদেশের ছোট-বড় একাধিক ইসলামি দল।
তবে মাথায় রাখতে হবে, এই জোটের খবর প্রকাশ পাওয়ার পরই ভাঙনের মুখে পড়ে পড়েছে NCP। ইতিমধ্যই একাধিক নেতা এই পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে খবর।
১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভোট
মাথায় রাখতে হবে, বাংলাদেশের জাতীয় ভোট হতে চলেছে ১২ ফেব্রুয়ারি। তার আগে নিত্যনতুন রাজনৈতিক বদল চোখে পড়ছে। আর এ সবের মাঝেই জোট হয়ে গেল জামাত এবং NCP-এর মধ্যে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জোট হওয়ার সম্ভাবনা প্রথম থেকেই ছিল। আদতে NCP-কে প্রথম থেকেই পিছন থেকে সাহায্য করেছে জামাত। সেটাই এবার জোটের মাধ্যমে সবার সামনে এল।
ছক কষছে বিএনপি
ও দিকে আবার বিএনপিও ছেড়ে কথা বলার পাত্র নয়। এই সময় তারাই বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই কারণেই তারেক রহমান ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফিরছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান পদে বসেছেন। তাঁর কাঁধে ভর করেই বিএনপি আসন্ন ভোটে লড়বে বলে জানা গিয়েছে। যার ফলে তাদের ভোটে জেতার সম্ভাবনা বেশি বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। যদিও বর্তমানে জোটে চলে গিয়েছে এনসিপি এবং জামাত। তাই এখন বাংলাদেশের ভোটের ঘড়ির কাঁটা ঠিক কোন দিকে যায়, সেটাই দেখার।