
অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের আমলে হিংসা থামার নাম নেই বাংলাদেশে। হিন্দু নিধন তো চলছেই, এবার বাংলাদেশের প্যারামিলিটারি ফোর্স RAB-এর এক জওয়ানকে পিটিয়ে খুন করল উন্মত্ত জনতা। চট্টগ্রামে এই ঘটনা সামনে আসার পর থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সোমবারের ওই ঘটনায় আরও ৩ RAB জওয়ান জখম হয়েছেন। তাঁদেরও বেধড়ক মারধর করা হয়। সূত্রের খবর, চট্টগ্রামের একটি অপারেশন চালাতে শুরু করেছিল RAB। তখন একাধিক জওয়ানকে আটকে রাখে দুষ্কৃতীরা।
সেই RAB জওয়ানদের মধ্যে ছিলেন আব্দুল মোতালেব। তাঁকে গণপিটুনি দিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই বাংলাদেশে গণপিটুনির সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে শুরু করেছে। সোমবারের এই ঘটনাটি ছাড়া গণপিটুনিতে মৃতরা সবাই হিন্দু সম্প্রদায়ের।
এই ঘটনার পরে চট্টগ্রাম রেঞ্জের DIG আহসান হাবিব পলাশ জানান, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুরে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গিয়েছিল RAB। অভিযান চালানোর সময় দুষ্কৃতীরা হামলা করে। একাধিক জন জওয়ান জখম হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত হন আব্দুল মোতালেব। বাকি তিনজন চিকিৎসাধীন এখনও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।
ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে ভোট। তার আগে বাড়ছে হিন্দুদের উপর ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হিংসা। গত ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কারখানার শ্রমিক দীপুচন্দ্র দাসকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছিল। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছিল, কার্যত পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছিল ওই যুবককে।
এদিকে এই ঘটনার পর ফের ইউনূস সরকারের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, কবে সুশাসন ফিরে আসবে? প্রশ্ন সেখানকারই আম আদমির।