Advertisement

Tarique Rahman : 'মব কালচারের' অবসান, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারের টার্গেট জানিয়ে দিলেন তারেক

বাংলাদেশে কোনওভাবেই মব কালচার সহ্য করা হবে না। আর তা হলে সরকার পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না। ক্ষমতায় এসেই জানিয়ে দিল তারেক রহমানের সরকার। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে মব কালচার চলছে।

Tarique RahmanTarique Rahman
Aajtak Bangla
  • ঢাকা ,
  • 18 Feb 2026,
  • अपडेटेड 11:11 PM IST
  • বাংলাদেশে কোনওভাবেই মব কালচার সহ্য করা হবে না
  • জানাল নয়া সরকার

বাংলাদেশে কোনওভাবেই মব কালচার সহ্য করা হবে না। এক্ষেত্রে সরকার পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না। ক্ষমতায় এসেই জানিয়ে দিল তারেক রহমানের সরকার। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে মব কালচার চলছে। তা বন্ধ করতেই হবে। সেজন্য পুলিশেরও ভুূমিকা আছে।  

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনও আসলে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন বলেই দাবি করে এসেছে আওয়ামি লিগ। সেই আন্দোলনের জেরে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছিল তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তারপর ক্ষমতায় এসেছিল মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বতীকালীন সরকার। তাঁর আমলেও একাধিক হিংসা ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। তবে এবার তারেক রহমান সাফ জানিয়ে দিলেন, কোনওরকম বিক্ষোভ, প্রতিবাদ বরদাস্ত করা হবে না। আইনের বাইরে কেউ কিছু করলে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।  

বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজই প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। তারপরই বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, দাবির নামে রাস্তা অবরোধ করা যাবে না। সরকার এই ব্যাপারে খুব কঠোর। বলেন, 'আমি স্পষ্টভাবে বলছি, বাংলাদেশে মব কালচারের অবসান ঘটাতে হবে। কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। নির্ধারিত এবং বৈধ প্রক্রিয়ার মধ্যে পরিচালিত হলে সমাবেশ এবং সমাবেশ সহ জনগণের তাদের দাবি প্রকাশ করার অধিকার থাকবে। আইনি ও গণতান্ত্রিক কার্যক্রম করা যাবে। তবে দাবি আদায়ের নামে রাস্তা অবরোধ করা যাবে না।' 

সরকার যে পুলিশের হাতে আরও ক্ষমতা দিতে চায় সেটাও পরিষ্কার করে দেন তিনি। বলেন, 'আমাদের পুলিশ এবং অন্য অনেক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। পুলিশকে জনসাধারণের বন্ধু হতে হবে। পূর্বে যে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছিল তা পুনরুদ্ধার করতে হবে।'

এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকার প্রাথমিকভাবে তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে। সেগুলো হল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement