Advertisement

৪০ বছর ধরে ভারতে বাস, ৩ বাংলাদেশি মুসলমানকে বিদেয় করল ওড়িশা

দেশে লুকিয়ে বসবাসকারী অবৈধ নাগরিকদের বিরুদ্ধে এবার কড়া অ্যাকশনে সরকার। ওড়িশার কেন্দ্রপাড়া জেলা থেকে ৩ বাংলাদেশি নাগরিককে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাল কেন্দ্র।

বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠাল ওড়িশাবাংলাদেশিদের ফেরত পাঠাল ওড়িশা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 31 Jan 2026,
  • अपडेटेड 1:39 PM IST
  • দেশে লুকিয়ে বসবাসকারী অবৈধ নাগরিকদের বিরুদ্ধে এবার কড়া অ্যাকশনে সরকার।
  • তিন বাংলাদেশি নাগরিককে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাল কেন্দ্র।
  • ওড়িশার কেন্দ্রপাড়া জেলা থেকে এই তিন বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়।

দেশে লুকিয়ে বসবাসকারী অবৈধ নাগরিকদের বিরুদ্ধে এবার কড়া অ্যাকশনে সরকার। ওড়িশার কেন্দ্রপাড়া জেলা থেকে ৩ বাংলাদেশি নাগরিককে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাল কেন্দ্র। স্থানীয় প্রশাসন ও Foreigners Regional Registration Office-এর তরফে একটি স্পেশাল যৌথ অভিযানের সময় অবৈধ নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর ওড়িশার কেন্দ্রপাড়া জেলা থেকে এই তিন বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়।

যে ব্যক্তিদের বহিষ্কার করা হল, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ৬৩ বছরের মুমতাজ খান, ৫৮ বছরের ইনসান খান এবং ৬৯ বছরের আমিনা বিবি। এরা তিনজনই ভাইবোন। তাঁদের পরিবারে আগে মোট ৫ জন সদস্য সংখ্যা ছিল। কিন্তু দুজন ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছেন।

এই অবৈধ নাগরিকদের মধ্যে মুমতাজ খান ও ইনসান খান কাপলেশ্বর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত গড়পুর বস্তিতে থাকতেন। অন্যদিকে, তাঁদের বোন আমিনা বিবি জাম্বু মেরিন থানা এলাকার অরুণ নগরে থাকতেন। তাঁরা ৩ জনেই অবৈধ ভাবে ভারতে এসে বহু বছর ধরে স্থানীয় মানুষের সঙ্গেই বসবাস শুরু করেন। এরপর কায়িক-ছোটখাটো কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি গত কয়েক বছর ধরে কেন্দ্রপাড়া জেলা প্রশাসন অবৈধ নাগরিকদের পাকড়াও করার জন্য একটি বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের আওতায় বিভিন্ন গ্রাম এবং বসতি এলাকায় ঘুরে ঘুরে নথি পরীক্ষা করছে প্রশাসন। সেই তদন্ত চলাকালীন সময়েই দেখা যায়, এই ৩ জনের কাছে কোনও বৈধ ভারতীয় পরিচয়পত্র নেই। বরং এদের কাছ থেকে  পুরনো বাংলাদেশি কিছু পরিচয়পত্র এবং কিছু স্থানীয় সার্টিফিকেট ছিল। যা ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য যথেষ্ট হয়নি বলেই দাবি করা হয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, এই ব্যক্তিরা ১৯৮০-এর দশকে বাংলাদেশ থেকে ওড়িশায় এসেছিলেন। এরপর ধীরে ধীরে এখানে বসতি তৈরি করেন। কিন্তু তাদের কাছে নাগরিকত্ব প্রমাণের কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছিল না।

এরপরই বিদেশ মন্ত্রকের নির্দেশে এই ৩ জনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বহিষ্কার  প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রথমে তাঁদের কেন্দ্রপাড়া সংশোধনাগারে রাখা হয়। এরপর সেখানে মেডিক্য়াল চেকআপের পর ঢাকায় যোগাযোগ করা হয়। সেখান থেকে গ্রিন সিগন্য়ালের পর তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

Advertisement

 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement