Advertisement

US Ambassador Meets Jamaat Chief: হঠাত্‍ ঢাকায় জামাতের সঙ্গে মিটিং আমেরিকার, ভারতের বিরুদ্ধে কী ছক কষছেন ট্রাম্প?

ফেব্রুয়ারিতেই বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন। আর সেই ভোটে যে আমেরিকা জামাতের হাত শক্ত করছে, এই খবরটা কানাঘুষো ছিলই। আর সেই ছবি আরও স্পষ্ট হল বৃহস্পতিবার। কারণ, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী দল জামাত-ই-ইসলামীর চিফ ড: শফিকুর রহমানের সঙ্গে দেখা করলেন আমেরিকার রাষ্ট্রদূত। তাঁদের মধ্যে আগামী ভোট থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সংস্কার সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয় বলে প্রাথমিকভাবে খবর। আর এই খবর সামনে আসার পরই চিন্তা বাড়ছে ভারতের।

জামাতের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন দূতজামাতের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন দূত
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 30 Jan 2026,
  • अपडेटेड 12:14 PM IST
  • ফেব্রুয়ারিতেই বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন
  • বাংলাদেশের কট্টরপন্থী দল জামাত-ই-ইসলামীর চিফ ড: শফিকুর রহমানের সঙ্গে দেখা করলেন আমেরিকার রাষ্ট্রদূত
  • আগামী ভোট থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সংস্কার সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়

ফেব্রুয়ারিতেই বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন। আর সেই ভোটে যে আমেরিকা জামাতের হাত শক্ত করছে, এই খবরটা কানাঘুষো ছিলই। আর সেই ছবি আরও স্পষ্ট হল বৃহস্পতিবার। কারণ, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী দল জামাত-ই-ইসলামীর চিফ ড: শফিকুর রহমানের সঙ্গে দেখা করলেন আমেরিকার রাষ্ট্রদূত। তাঁদের মধ্যে আগামী ভোট থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সংস্কার সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয় বলে প্রাথমিকভাবে খবর। আর এই খবর সামনে আসার পরই চিন্তা বাড়ছে ভারতের।

এই বিষয়ে একটি প্রেস রিলিজ সামনে এসেছে। সেখানে জানান হয়েছে, জামাতের বসুন্ধরা অফিসে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা নাগাদ এই বৈঠক হয়। এই বৈঠকের পর দুই দলই খুব খুশি।

এই বৈঠকে উপস্থিত হয়ে দুই দলই নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা সম্পর্কেও কথা বলেন তাঁরা। আবার বাংলাদেশের সংস্কার থেকে শুরু করে বাণিজ্য এবং রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও হয় আলোচনা। তাই এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। 

এই প্রেস রিলিজে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বর্তমান বাংলাদেশে জামাতের ভূমিকা নিয়ে ইতিবাচক কথা বলেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি থেকে শুরু করে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জামাতের ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ এবং আমেরিকার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পক্ষেও সওয়াল করা হয় এই প্রেস রিলিজে। 

কারা উপস্থিত ছিলেন?
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকার দূতাবাসের পলিটিক্যাল-ইকোনোমিক কাউন্সিলর এরিক গিলম্যান, পাবলিক অ্যাফেয়ার অফিসার মোনিকা এল সাই, পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টিউওয়ার্ট এবং পলিটিকিল্যাল স্পেশালিস্ট ফিরোজ আহমেদ। 

জামাতের পক্ষ থেকে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটরি জেনারেল অ্যান্ড সেন্ট্রাল পাবলিসিটি অ্যান্ড মিডিয়া ডিপার্টমেন্ট চিফ আহসনুল মেহবুব জুবের ও সেন্ট্রাল এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল মেম্বার মহম্মদ মোবারক হুশেন সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কী খেলা খেলছে আমেরিকা? 
এই মুহূর্তে বাংলাদেশে ভাল অবস্থায় রয়েছে জামাত। তারা আসন্ন ভোটে নজরকাড়া ফল করতে পারে। আর সেটা আগেভাগেই বুঝে নিয়েছে আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার। তাই তারাও জামাতকে সব ধরনের সাহায্য করার কাজে লেগে পড়েছে। আর তাতেই বিপদ বাড়ছে ভারতের। প্রতিবেশী দেশে জামাতের মতো কট্টরপন্থীরা মাথা চাড়া দিলে যে আদতে সীমান্ত সমস্যা বাড়বে, এই কথাটা ভালই টের পাচ্ছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি জামাতের দাপাদাপিতে বাংলাদেশি হিন্দুদের জীবন তছনছ হবে বলেও আশঙ্কায় রয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। আর বর্তমানে এটাই ট্রাম্প প্রশাসন চাইছে। তারা ভারতের অনমনীয় নীতিতে খুশি নয় বলেই এই চাল দিচ্ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement