Advertisement

America Bangladesh Trade Deal: ভোটের মুখেই ইউনূসের মার্কিন ডিল, ক্ষমতার লোভেই কি ট্রাম্প শরণে?

ভোটের আগে কেন তড়িঘড়ি এত বড় একটা ডিল করলেন অন্তবর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প? আর বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের মতে, এমনটা হওয়ার পিছনেও ভোট অঙ্ক এবং ইউনূসের ব্যক্তিগত স্বার্থই জড়িয়ে রয়েছে। 

আমেরিকা বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তিআমেরিকা বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 10 Feb 2026,
  • अपडेटेड 10:33 AM IST
  • তড়িঘড়ি এত বড় একটা ডিল করলেন অন্তবর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস
  • এমনটা হওয়ার পিছনেও ভোট অঙ্ক এবং ইউনূসের ব্যক্তিগত স্বার্থই জড়িয়ে রয়েছে
  • ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভোট

১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভোট। তার আগেই তড়িঘড়ি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করে ফেলল মহম্মদ ইউনূসের অন্তবর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের উপর শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করে দিয়েছে আমেরিকা। পাশাপাশি আমেরিকার পণ্য দিয়ে তৈরি বাংলাদেশি পোশাকের উপর শুল্ক শূন্য করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

এখন প্রশ্ন হল, ভোটের আগে কেন তড়িঘড়ি এত বড় একটা ডিল করলেন অন্তবর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প? আর বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের মতে, এমনটা হওয়ার পিছনেও ভোট অঙ্ক এবং ইউনূসের ব্যক্তিগত স্বার্থই জড়িয়ে রয়েছে। 

ভোট নিয়ে কী খেলা? 
বাংলাদেশের জুলাই-অগাস্ট আন্দোলনের পিছনে যে আমেরিকার হাত ছিল, সেটা মোটের উপর পরিষ্কার। আর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বারবার এই অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে আমেরিকা নিজের স্বার্থেই তাঁকে উৎখাত করেছে বাংলাদেশের গদি থেকে। তারপর নিজের হাতের পুতুল মহম্মদ ইউনূসকে এনে বসিয়েছে। 

যদিও বাংলাদেশের মানুষ অন্তবর্তী সরকার নয়, ভোট চান। চান স্থায়ী সরকার। আর এই চাপটা বুঝেই ভোট ঘোষণা করতে হয়েছে ইউনূসকে। নির্বাচন হতে চলেছে ১২ ফেব্রুয়ারি। 

কিন্তু এখানেও একটা মুশকিল রয়েছে। আসলে বর্তমান আওয়ামী লিগ বিহীন বাংলাদেশে বিএনপি অত্যন্ত শক্তিশালী দল। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই দলের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা খুব বেশি। সেই তুলনায় উগ্র মুসলিমপন্থী, আমেরিকাপন্থী ও ইউনূসের কাছের দল জামত-ই ইসলামীর জনসমর্থন খুবই কম। আর সেটাই ওয়াশিংটনকে চিন্তায় রেখেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তাই আমেরিকা এবং ইউনূস মিলে ভোটের আগেই তড়িঘড়ি এই চুক্তিতে সই করে ফেলল বলেই তাঁদের মত।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে জামাতকে কিছুটা এগিয়ে দিতে চাইছে আমেরিকা। ওয়াশিংটন বাংলাদেশের মানুষকে বার্তা দিতে চাইছে যে জামাতের সঙ্গে তাদের সখ্য রয়েছে। ইউনূসও তাদের কাছের লোক। তাই বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্পকে বাঁচিয়ে, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে দিতে চেয়েছেন ট্রাম্প। আর এমনটা হলে ইউনূসের জন্যও ভাল খবর। কারণ, তিনিও জামাতের কাছের লোক।

Advertisement

মাখায় রাখতে হবে, এই কৌশল বাস্তবে ফলে গেলে ভোটে ব্যাকসিটে চলে যেতে পারে বিএনপি। আর সেটা ভারতের জন্যও খারাপ খবর। নরেন্দ্র মোদী সরকার কোনওভাবেই চাইবে না যে ক্ষমতায় আসুক জামাতের মতো ইসলামপন্থী দল। তার চেয়ে বিএনপি ঢের ভাল।

ইউনূসের কী লাভ? 
অনেকেই মনে করছেন, বাংলাদেশের ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে গিয়েছেন ইউনূস। সেই স্বাদের থেকে দূরে থাকা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তিনি আমেরিকার সঙ্গে তড়িঘড়ি ডিল করে আদতে বাংলাদেশের মানুষের মন নিজের দিকে টানতে চাইছেন। যাতে তাঁকে নিয়ে জয়জয়কার হতে থাকে। তিনি যাতে ক্ষমতার অলিন্দে ঘোরাফেরা করতে পারেন।

যদিও দেখার এই চুক্তির প্রভাব বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঠিক কতটা পড়ে। আদৌ বিএনপি-এর থেকে এগিয়ে যায় কি না জামাত।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement