
মানুষের মুখে মুখে এখন রেহমান ডাকাইতের নাম। 'ধুরন্ধর' ছবিতে এই চরিত্রে অভিনয় করে বেশ সাড়া ফেলেছেন অক্ষয় খান্না। 'ধুরন্ধর ২'-তে তাঁর অনুপস্থিতি দর্শক বেশ অনুভব করছে। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে রয়েছে এরকম মন্তব্য। তবে অনেকের অজানা, প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকা অক্ষয় আসলে অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন।
নিজের বিলাসবহুল সম্পত্তির পাশাপাশি অক্ষয় খান্নার কাছে রয়েছে দামী -দামী যানবাহনের এক বিশাল সংগ্রহ। যেহেতু অক্ষয় তাঁর ব্যক্তিগত জীবনকে অত্যন্ত গোপনীয়তার আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন, তাই অনুগামীরা তাঁর এই বিলাসবহুল জীবনযাত্রার খুব একটা ঝলক দেখার সুযোগ পান না।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিনেতার মোট সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক ১৬৭ কোটি টাকা। তিনি বেশ পুরনো ধাঁচের জীবনযাপন করেন। ইনস্টাগ্রামে সক্রিয় নন, ফলে তাঁর বিলাসবহুল বাড়িঘর ও গাড়ির কোনও ছবি বা ঝলক সাধারণ মানুষ দেখতে পান না। মুম্বইয়ের অভিজাত আবাসিক এলাকাগুলোতে অক্ষয়ের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। জুহু, মালাবার হিলস এবং তারদেও-এর মতো এলাকায় তাঁর সম্পত্তি রয়েছে। খবর, তাঁর রিয়েল এস্টেট বা স্থাবর সম্পত্তির মোট মূল্য ১০০ কোটি টাকারও বেশি।
বি-টাউন সূত্রে শোনা যায়, জূহুতে সমুদ্রমুখী একটি অ্যাপার্টমেন্টের মালিক অক্ষয়, যার মূল্য ৩৫ কোটি টাকা (যা প্রায় ৩.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান)। এছাড়া মালাবার হিলসেও তাঁর একটি অত্যন্ত দামী সম্পত্তি রয়েছে, যার মূল্য ৬০ কোটি টাকা (যা প্রায় ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান)। রিয়েল এস্টেট বা স্থাবর সম্পত্তিতে বিনিয়োগকারী হিসেবেও তাঁর বেশ বড় ভূমিকা রয়েছে। আলিবাগেও অক্ষয়ের কোটি টাকা মূল্যের একটি ফার্মহাউস রয়েছে।
'ধুরন্ধর' ছবির সাফল্যের পর তিনি সেখানে একটি 'বাস্তু শান্তি যজ্ঞের' আয়োজন করেছিলেন। সেই পুজোর ছবিগুলো ইনস্টাগ্রামে বেশ ভাইরাল হয়েছিল। অভিনেতার এই বাংলোটি অত্যন্ত বিলাসবহুল। মুম্বইয়ের কোলাহল ও ব্যস্ততা থেকে দূরে আলিবাগে অবস্থিত তাঁর ছায়াঘেরা ও মনোরম ফার্মহাউসে অক্ষয় খান্না প্রায়ই সময় কাটাতে যান। মুম্বইয়ের শীর্ষস্থানীয় সম্পত্তি মালিকদের মধ্যে তাঁকে অন্যতম হিসেবে গণ্য করা হলেও, তিনি সাদামাটা জীবনযাপন করতেই বেশি পছন্দ করেন।
অক্ষয়ের গাড়ির সংগ্রহে রয়েছে একটি মার্সিডিজ বেঞ্জ এস-ক্লাস, একটি বিএমডব্লিউ ৫ সিরিজ এবং একটি টয়োটা ফরচুনার। ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য অভিনেতাদের তুলনায় অক্ষয় প্রচারের আড়ালে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ফিল্মি পার্টি, প্রিমিয়ার হোক, অ্যাওয়ার্ড নাইট, কিংবা কোনও ইভেন্টে তাঁকে খুব কমই দেখতে পাওয়া যায়। তাঁকে মূলত ছবির পর্দাতেই বেশি দেখা যায়।